ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নাইজেরিয়ায় মার্কেটে বন্দুক হামলা: নিহত ৩০
নাইজেরিয়ায় নৌকা ডুবে ২৬ জনের মৃত্যু
নাইজেরিয়ায় মার্কেটে বন্দুক হামলা: নিহত ৩০
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক সোমবার
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলায় নিহত অন্তত ৪০
মাদুরোকে নিয়ে মুখ খুললেন ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট
মাদুরোকে তুলে নেওয়ার পর বিশ্ববাজারে তেলের দামের অবস্থা
ভারতে ঐতিহাসিক বিশ্ব ইজতেমা, লাখো মুসল্লির সমাবেশ
দীর্ঘ ৩৪ বছর পর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা। হুগলি জেলার দাদপুর থানার অন্তর্গত পুইনান গ্রামে আয়োজিত এই বৃহৎ ধর্মীয় সমাবেশ ইতোমধ্যে ঐতিহাসিক রূপ নিয়েছে।
লাখো মুসল্লির উপস্থিতিতে ইজতেমা ময়দান পরিণত হয়েছে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের মিলনমেলায়।
তাবলিগ জামাতের উদ্যোগে ২ জানুয়ারি শুরু হওয়া এবারের বিশ্ব ইজতেমা চলবে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। বাংলাদেশ, নেপালসহ বিভিন্ন দেশ এবং ভারতের নানা প্রান্ত থেকে আগত মুসল্লিদের অংশগ্রহণে প্রায় ৯ হাজার বিঘা জমিতে গড়ে তোলা ইজতেমা ময়দান এখন জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে।
ইজতেমায় অংশ নিতে আসা মুসল্লিরা জানান, দীর্ঘ ৩৪ বছর পর পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে এমন বিশাল ইসলামী সমাবেশে অংশ নিতে পারা তাদের জন্য এক বিরল সৌভাগ্যের বিষয়।
প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে তারা টানা চার দিন ইজতেমা ময়দানে অবস্থান করে ধর্মীয় বয়ান শুনছেন ও ইবাদতে মগ্ন রয়েছেন। মুসল্লিদের অভিমত, তারা শুধু নিজেদের জন্য নয়—সব ধর্মের মানুষের শান্তি, কল্যাণ ও মানবতার মঙ্গলের জন্য দোয়া করতে ইজতেমায় সমবেত হয়েছেন। এই বিপুল ধর্মীয় জনসমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় প্রশাসন ও পশ্চিমবঙ্গ সরকার কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। প্রথম দিন, অর্থাৎ জুম্মার দিন থেকেই ইজতেমা ময়দানে মুসল্লিদের ঢল নামে। আয়োজকদের হিসাব অনুযায়ী, প্রথম দিনেই ১৮ থেকে ২০ লাখের বেশি মুসল্লি ইজতেমায় অংশ নেন। ইজতেমার দ্বিতীয় দিন শনিবার ময়দান পরিদর্শন করেন পশ্চিমবঙ্গের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে জেলা প্রশাসনের
সব বিভাগ নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে, যাতে বিশ্ব ইজতেমা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলকাতার ডিজি রাজীব কুমার, হুগলি জেলার জেলা শাসক খোরশেদ আলি কাদেরী, জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিস সেন, ধনিয়াখালির বিধায়িকা অসীমা পাত্র, সোনারপুর উত্তর বিধানসভার বিধায়ক ফিরদৌসী বেগম, এ কে এম ফারহাদ, দাদপুর থানার ওসি মুন্সী হামিদুর রহমান, মেজবাবু চৌধুরী মজাহার হোসেনসহ প্রশাসনের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আজ ৪ জানুয়ারি ইজতেমায় বয়ান করবেন মোহতারম হযরতজি মাওলানা সাদসহ অন্যান্য আলেম ও মুরব্বিরা। আগামী ৫ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে বিশ্বশান্তি ও মানবকল্যাণ কামনায় চার দিনব্যাপী এই বৃহৎ ধর্মীয় সমাবেশের পরিসমাপ্তি ঘটবে। আয়োজকদের ধারণা, শেষ দিনে প্রায় এক কোটি মুসল্লির সমাগম
হতে পারে। আয়োজকদের মতে, বিশ্ব ইজতেমা কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়; এটি বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব ও শান্তির প্রতীক। কুরআন ও হাদিসের আলোকে জীবন পরিচালনার আহ্বান জানানো হচ্ছে বয়ানে। দীর্ঘ ৩৪ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে অনুষ্ঠিত এই বিশ্ব ইজতেমা তাই দেশ-বিদেশে বিশেষ গুরুত্ব ও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে তারা টানা চার দিন ইজতেমা ময়দানে অবস্থান করে ধর্মীয় বয়ান শুনছেন ও ইবাদতে মগ্ন রয়েছেন। মুসল্লিদের অভিমত, তারা শুধু নিজেদের জন্য নয়—সব ধর্মের মানুষের শান্তি, কল্যাণ ও মানবতার মঙ্গলের জন্য দোয়া করতে ইজতেমায় সমবেত হয়েছেন। এই বিপুল ধর্মীয় জনসমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় প্রশাসন ও পশ্চিমবঙ্গ সরকার কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। প্রথম দিন, অর্থাৎ জুম্মার দিন থেকেই ইজতেমা ময়দানে মুসল্লিদের ঢল নামে। আয়োজকদের হিসাব অনুযায়ী, প্রথম দিনেই ১৮ থেকে ২০ লাখের বেশি মুসল্লি ইজতেমায় অংশ নেন। ইজতেমার দ্বিতীয় দিন শনিবার ময়দান পরিদর্শন করেন পশ্চিমবঙ্গের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে জেলা প্রশাসনের
সব বিভাগ নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে, যাতে বিশ্ব ইজতেমা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলকাতার ডিজি রাজীব কুমার, হুগলি জেলার জেলা শাসক খোরশেদ আলি কাদেরী, জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিস সেন, ধনিয়াখালির বিধায়িকা অসীমা পাত্র, সোনারপুর উত্তর বিধানসভার বিধায়ক ফিরদৌসী বেগম, এ কে এম ফারহাদ, দাদপুর থানার ওসি মুন্সী হামিদুর রহমান, মেজবাবু চৌধুরী মজাহার হোসেনসহ প্রশাসনের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আজ ৪ জানুয়ারি ইজতেমায় বয়ান করবেন মোহতারম হযরতজি মাওলানা সাদসহ অন্যান্য আলেম ও মুরব্বিরা। আগামী ৫ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে বিশ্বশান্তি ও মানবকল্যাণ কামনায় চার দিনব্যাপী এই বৃহৎ ধর্মীয় সমাবেশের পরিসমাপ্তি ঘটবে। আয়োজকদের ধারণা, শেষ দিনে প্রায় এক কোটি মুসল্লির সমাগম
হতে পারে। আয়োজকদের মতে, বিশ্ব ইজতেমা কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়; এটি বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব ও শান্তির প্রতীক। কুরআন ও হাদিসের আলোকে জীবন পরিচালনার আহ্বান জানানো হচ্ছে বয়ানে। দীর্ঘ ৩৪ বছর পর পশ্চিমবঙ্গে অনুষ্ঠিত এই বিশ্ব ইজতেমা তাই দেশ-বিদেশে বিশেষ গুরুত্ব ও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।



