ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
উপযুক্ত সময়ে ইরানকে ‘খতম’ করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
চাইলে এক দিনেই ইরানকে ধ্বংস করতে পারি: ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধে আর্থিক ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ করল ইসরাইল
যুদ্ধে এখন পর্যন্ত কতজন নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন, জানাল ইরান
ইরানের আন্দোলনে ঢুকে সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছিল মোসাদ এজেন্টরা
লেবাননে ইসরাইলি বিমান হামলায় নিহত ৫
নেতানিয়াহুর ভয়ে পোস্ট ডিলিট করলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী!
ভয়াবহ বিস্ফোরণ, গাজায় আবারও ইসরায়েলি সেনা নিহত
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার উত্তরে বড় ধরণের বিস্ফোরণে আরও এক ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) রোববার (২৯ জুন) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত সেনার নাম ইস্রায়েল নাটান রোজেনফেল্ড।
বয়স মাত্র ২০ বছর। তিনি সার্জেন্ট পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং ৬০১ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাটালিয়নের একজন সদস্য ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি আকাবাত হা-বারজেল (৪০১) ডিভিশনের অংশ হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন।
আইডিএফ-এর তথ্য অনুযায়ী, রোজেনফেল্ড হলেন জুন মাসে গাজায় নিহত ২০তম ইসরায়েলি সেনা। চলতি মাসটিকে গত এক বছরে সবচেয়ে বেশি সামরিক হতাহতের সময় হিসেবে উল্লেখ করেছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।
ইসরায়েলি আর্মি রেডিও জানিয়েছে, চলতি বছরের মার্চে গাজায় যুদ্ধবিরতির পর পুনরায় সংঘর্ষ শুরু হওয়ার
পর এখন পর্যন্ত ৩০ জন সেনা প্রাণ হারিয়েছেন। আর ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধপর্বে এ পর্যন্ত ৮০০-এর বেশি ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলাও থেমে নেই। গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, শুধুমাত্র রোববারের হামলায় কমপক্ষে ৪৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে অনেকেই ত্রাণের জন্য অপেক্ষা করছিলেন বলে জানা গেছে। সাম্প্রতিক হামলা ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই উত্তর গাজার বাসিন্দাদের দ্রুত এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে আইডিএফ। এতে গাজা শহর ও আশপাশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। স্থানীয় অধিবাসীরা বলছেন, এটি নতুন করে একটি বড় ধরনের সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত হতে পারে। মানবিক সংকটের মধ্যেই ইসরায়েলি আগ্রাসন এবং গাজার প্রতিরোধ যোদ্ধাদের প্রতিরোধ—উভয় দিক
থেকেই সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চোখ এখন মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তপ্ত ভূখণ্ডের দিকে।
পর এখন পর্যন্ত ৩০ জন সেনা প্রাণ হারিয়েছেন। আর ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধপর্বে এ পর্যন্ত ৮০০-এর বেশি ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলাও থেমে নেই। গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, শুধুমাত্র রোববারের হামলায় কমপক্ষে ৪৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে অনেকেই ত্রাণের জন্য অপেক্ষা করছিলেন বলে জানা গেছে। সাম্প্রতিক হামলা ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই উত্তর গাজার বাসিন্দাদের দ্রুত এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে আইডিএফ। এতে গাজা শহর ও আশপাশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। স্থানীয় অধিবাসীরা বলছেন, এটি নতুন করে একটি বড় ধরনের সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত হতে পারে। মানবিক সংকটের মধ্যেই ইসরায়েলি আগ্রাসন এবং গাজার প্রতিরোধ যোদ্ধাদের প্রতিরোধ—উভয় দিক
থেকেই সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চোখ এখন মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তপ্ত ভূখণ্ডের দিকে।



