ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নৌযান-জেটি না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে মাঝ নদীতে লঞ্চে উঠছে যাত্রীরা
সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
ফেনীতে চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি কর্মীর রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর ও অর্থ লুটপাট যুবদলকর্মীদের
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিমিজুড়ে থেমে থেমে যানজট
আইজিপির বাসায় চুরির খবর গুজব: পুলিশ সদর দপ্তর
মাইক্রোবাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চালকসহ নিহত ৩
চাল চুরির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর ছাত্রদল নেতার হামলা!
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শসা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত শতাধিক
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে চুরি করে শসা খাওয়া কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে নারী-শিশুসহ অন্তত শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১০ জুন) সকালে উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নের শ্রীঘর গ্রামের দক্ষিণ পাড়ায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড় হাটি সমাজের জুয়েল মিয়া তার বাড়ির পাশে শসার আবাদ করেন। কয়েকদিন ধরে রাতের বেলায় সেই শসা চুরি হয়ে যাচ্ছিল। পরে জানা যায়, সরকার বাড়ির ৫-৬ জন যুবক চুরির সঙ্গে জড়িত। বিষয়টি নিয়ে বড় হাটি সমাজ বিচার সালিশ চাইলেও সরকার বাড়ির লোকজন বিচার দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এর জেরে মঙ্গলবার সকালে সরকার বাড়ির লোকজন বড় হাটি সমাজের ওপর হামলা চালায়। পরে সংঘর্ষ ছড়িয়ে
পড়লে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা করে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের শতাধিক লোক আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকেই চিকিৎসা নিয়েছেন অন্তত ৮১ জন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন—মাসুক মিয়া, আমিন মিয়া, লদন মিয়া, সারোয়ার, জান আলম, রজব আলী, সাকিব, ফুল জাহান, কাদির, এমরান, ছাদেক, বিং রাজ বেগম, হাসান, ছালেক, হাফিজ, নজরুল, ইমন, আজাদ ও আজিজসহ অনেকে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খাইরুল আলম বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পড়লে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা করে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের শতাধিক লোক আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকেই চিকিৎসা নিয়েছেন অন্তত ৮১ জন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন—মাসুক মিয়া, আমিন মিয়া, লদন মিয়া, সারোয়ার, জান আলম, রজব আলী, সাকিব, ফুল জাহান, কাদির, এমরান, ছাদেক, বিং রাজ বেগম, হাসান, ছালেক, হাফিজ, নজরুল, ইমন, আজাদ ও আজিজসহ অনেকে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খাইরুল আলম বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।



