ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গভীর সংকটে বেসরকারি খাত: বিনিয়োগ পতন ৬১%, মব ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় অর্থনৈতিক স্থবিরতা
গার্মেন্টস ব্যবসায়ী থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর: কে এই মোস্তাকুর রহমান?
লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: বর্জনের ঘোষণার পরও সংখ্যাগরিষ্ঠ পদে আওয়ামী লীগ, সভাপতি-সম্পাদক বিএনপির
জামিন পেলেও মুক্তি পাবেন না আওয়ামী লীগের নেতারা: ‘শ্যোন-অ্যারেস্ট’ দেখাতে রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের কড়া নির্দেশ
সংবিধান লঙ্ঘনসহ চার অভিযোগ
যুক্তরাষ্ট্র, দুবাই ও আজারবাইজান: সাবেক পরিবেশ উপদেষ্টা রিজওয়ানার ১২ হাজার কোটি টাকা পাচারের চাঞ্চল্যকর তথ্য!
দুর্নীতির শত শত অভিযোগ সাবেক উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে
বিশ্বজুড়ে ২০২৫ সালে রেকর্ড ১২৯ সাংবাদিক নিহত
বিশ্বজুড়ে ২০২৫ সালে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে রেকর্ড ১২৯ জন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী নিহত হয়েছেন। নিউইয়র্কভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংগঠন কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টসের (সিপিজে) বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। উদ্বেগজনক তথ্য হলো, এসব হত্যাকাণ্ডের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের জন্যই সরাসরি দায়ী ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, ২০২৪ সালের ধারাবাহিকতায় টানা দ্বিতীয় বছরের মতো বিশ্বজুড়ে সংবাদকর্মীদের প্রাণহানির এই রেকর্ড তৈরি হলো।
সিপিজের তথ্যমতে, ২০২৫ সালে ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে মোট ৮৬ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই গাজার ফিলিস্তিনি সংবাদকর্মী। এছাড়া গত সেপ্টেম্বরে ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুথি পরিচালিত একটি গণমাধ্যম কার্যালয়ে ইসরায়েলি বিমান হামলায় আরও ৩১ জন প্রাণ হারান। সিপিজে সাংবাদিকদের হতাহতের
সংখ্যা নথিভুক্ত করার তিন দশকের ইতিহাসে এটিকে দ্বিতীয় সর্বাধিক প্রাণঘাতী একক হামলার ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছে। প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, গত বছর ৪৭টি হত্যাকাণ্ডকে ‘ইচ্ছাকৃত লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার ৮১ শতাংশেরই নেপথ্যে ছিল ইসরায়েল। তবে গাজায় বিদেশি সাংবাদিকদের প্রবেশে বিধিনিষেধ থাকায় নিহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে সংস্থাটি ধারণা করছে। এই অভিযোগের বিষয়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি। তবে অতীতে তারা দাবি করেছে, তাদের লক্ষ্যবস্তু কেবল সশস্ত্র যোদ্ধারা এবং যুদ্ধক্ষেত্রে কাজ করার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ঝুঁকি বিদ্যমান। ইয়েমেনে হামলার বিষয়ে ইসরায়েল দাবি করেছিল, ওই কার্যালয়টি হুথিদের প্রচারণা শাখা হিসেবে ব্যবহৃত হতো। এছাড়া কিছু সাংবাদিকের সঙ্গে হামাসের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ
তুললেও ইসরায়েল এর সপক্ষে কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ দিতে পারেনি। সিপিজে ইসরায়েলের এই দাবীকে ‘ভয়াবহ অপবাদ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোও তাদের কর্মীদের সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠীর কোনো সম্পর্ক থাকার বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছে। গাজা ও ইয়েমেনের বাইরেও গত বছরটি সাংবাদিকদের জন্য ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, নিহত ১২৯ জনের মধ্যে ১০৪ জনই সংঘাত-সংশ্লিষ্ট ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে সুদানে ৯ জন এবং মেক্সিকোতে ৬ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। এছাড়া ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর হামলায় ৪ জন এবং ফিলিপাইনে ৩ জন সংবাদকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। রাশিয়া সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেও কিয়েভ তা প্রত্যাখ্যান করেছে। সিপিজে জানিয়েছে, তিন
দশকেরও বেশি সময় ধরে তথ্য সংগ্রহের ইতিহাসে যেকোনো দেশের সামরিক বাহিনীর তুলনায় ইসরায়েল বর্তমানে সর্বোচ্চ সংখ্যক সুপরিকল্পিত সাংবাদিক হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
সংখ্যা নথিভুক্ত করার তিন দশকের ইতিহাসে এটিকে দ্বিতীয় সর্বাধিক প্রাণঘাতী একক হামলার ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছে। প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, গত বছর ৪৭টি হত্যাকাণ্ডকে ‘ইচ্ছাকৃত লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার ৮১ শতাংশেরই নেপথ্যে ছিল ইসরায়েল। তবে গাজায় বিদেশি সাংবাদিকদের প্রবেশে বিধিনিষেধ থাকায় নিহতের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে সংস্থাটি ধারণা করছে। এই অভিযোগের বিষয়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি। তবে অতীতে তারা দাবি করেছে, তাদের লক্ষ্যবস্তু কেবল সশস্ত্র যোদ্ধারা এবং যুদ্ধক্ষেত্রে কাজ করার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক ঝুঁকি বিদ্যমান। ইয়েমেনে হামলার বিষয়ে ইসরায়েল দাবি করেছিল, ওই কার্যালয়টি হুথিদের প্রচারণা শাখা হিসেবে ব্যবহৃত হতো। এছাড়া কিছু সাংবাদিকের সঙ্গে হামাসের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ
তুললেও ইসরায়েল এর সপক্ষে কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ দিতে পারেনি। সিপিজে ইসরায়েলের এই দাবীকে ‘ভয়াবহ অপবাদ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোও তাদের কর্মীদের সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠীর কোনো সম্পর্ক থাকার বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছে। গাজা ও ইয়েমেনের বাইরেও গত বছরটি সাংবাদিকদের জন্য ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, নিহত ১২৯ জনের মধ্যে ১০৪ জনই সংঘাত-সংশ্লিষ্ট ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে সুদানে ৯ জন এবং মেক্সিকোতে ৬ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। এছাড়া ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর হামলায় ৪ জন এবং ফিলিপাইনে ৩ জন সংবাদকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। রাশিয়া সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেও কিয়েভ তা প্রত্যাখ্যান করেছে। সিপিজে জানিয়েছে, তিন
দশকেরও বেশি সময় ধরে তথ্য সংগ্রহের ইতিহাসে যেকোনো দেশের সামরিক বাহিনীর তুলনায় ইসরায়েল বর্তমানে সর্বোচ্চ সংখ্যক সুপরিকল্পিত সাংবাদিক হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান



