ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের জীবনে নরক সৃষ্টি করেছে: গাম্বিয়া
বিক্ষোভ ‘নিয়ন্ত্রণের’ দাবি ইরানের, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপেও রাজি
জাতিসংঘের আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার শুনানি শুরু
ইরানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার দাবি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
পরিবারসহ ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পালানোর গুঞ্জন, বিক্ষোভে নতুন মাত্রা
বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, ইসরায়েলে হাই অ্যালার্ট জারি
খামেনির দেশত্যাগের গুঞ্জন, যা জানাল ইরানি দূতাবাস
বিরল খনিজের প্রথম চালান যুক্তরাষ্ট্রে পাঠাল পাকিস্তান
বিরল খনিজ সরবরাহ নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষরের পর পাকিস্তান প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ বিরল খনিজের একটি চালান পাঠিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার এই চালানটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইউএস স্ট্র্যাটেজিক মেটালস (ইউএসএসএম)-এর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। এই ঘটনাকে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারত্ব চুক্তিটির বাস্তবায়ন শুরু হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গত সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানের ফ্রন্টিয়ার ওয়ার্কস অর্গানাইজেশন (এফডব্লিউও) এবং যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি-ভিত্তিক কোম্পানি ইউএসএসএম-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই এমওইউর অধীনে মার্কিন প্রতিষ্ঠানটির পাকিস্তানে একটি পলিমেটালিক রিফাইনারি স্থাপন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ এই ঘটনাকে উভয় দেশের জন্যই সুরক্ষিত ও বৈচিত্র্যময় সরবরাহ শৃঙ্খল তৈরির পথে একটি অগ্রগতি বলে আখ্যা দিয়েছেন।
ইউএসএসএম-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেসি ডব্লিউ.
হ্যাস্টি এক বিবৃতিতে বলেন, "এটি যুক্তরাষ্ট্রে ক্রিটিক্যাল মিনারেল সরবরাহের প্রথম পদক্ষেপ, যা দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে এবং পারস্পরিক বন্ধুত্ব জোরদার করবে।" প্রথম চালানে অ্যান্টিমনি, কপার কনসেনট্রেট এবং বিরল মাটির খনিজ – যেমন নিয়োডিমিয়াম ও প্রাসোডিমিয়াম – অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই নিজস্ব বিরল খনিজ সরবরাহ চক্রকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে চীনের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর চেষ্টা করছে। এজন্য ওয়াশিংটন বিরল খনিজ রয়েছে এমন দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিচ্ছে। এই বছরের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের গুরুত্বপূর্ণ খনিজের তালিকায় কপার ও সিলভারসহ নতুন ছয়টি উপাদান যোগ করার প্রস্তাব দেয়, যা দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও,
যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রণালয় প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, যাতে বিরল খনিজ উত্তোলন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং উৎপাদন খাতে সম্প্রসারণ সম্ভব হয়। এই উদ্যোগটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের 'আনলিশিং আমেরিকান এনার্জি' শীর্ষক নির্বাহী আদেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
হ্যাস্টি এক বিবৃতিতে বলেন, "এটি যুক্তরাষ্ট্রে ক্রিটিক্যাল মিনারেল সরবরাহের প্রথম পদক্ষেপ, যা দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে এবং পারস্পরিক বন্ধুত্ব জোরদার করবে।" প্রথম চালানে অ্যান্টিমনি, কপার কনসেনট্রেট এবং বিরল মাটির খনিজ – যেমন নিয়োডিমিয়াম ও প্রাসোডিমিয়াম – অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই নিজস্ব বিরল খনিজ সরবরাহ চক্রকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে চীনের ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর চেষ্টা করছে। এজন্য ওয়াশিংটন বিরল খনিজ রয়েছে এমন দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিচ্ছে। এই বছরের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের গুরুত্বপূর্ণ খনিজের তালিকায় কপার ও সিলভারসহ নতুন ছয়টি উপাদান যোগ করার প্রস্তাব দেয়, যা দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও,
যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রণালয় প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দেওয়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, যাতে বিরল খনিজ উত্তোলন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং উৎপাদন খাতে সম্প্রসারণ সম্ভব হয়। এই উদ্যোগটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের 'আনলিশিং আমেরিকান এনার্জি' শীর্ষক নির্বাহী আদেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।



