ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘শেখ হাসিনাকে ফেরতের বিষয়টি বিবেচনা করছে ভারত’
১৭ই এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা অর্জনের এক স্মৃতি বিজড়িত দিন
আওয়ামী লীগ নেতাদের মুক্তিতে প্রথম আলোর জোরালো অবস্থান
অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে জুলাই-আগস্টে ঢাকায় হত্যাকাণ্ড বাড়ানোর নির্দেশ দেয় কে?
সেনা জেনারেলদের গভীর রাতের বৈঠকই শেখ হাসিনার সরকারের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়
ইউনূস আমলে এলএনজি ক্রয়ে দুর্নীতি ৮৫৫ মিলিয়ন ডলার; জুন পর্যন্ত এলএনজি-সার কিনতে দরকার অতিরিক্ত ২.৬১ বিলিয়ন ডলার
মুজিবনগর দিবসে কোনো কর্মসূচি রাখেনি বিএনপির সরকার;স্মৃতিসৌধে মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা
বিদেশ যাচ্ছেন খালেদা জিয়া
দুর্নীতির মামলায় দণ্ড থেকে মুক্ত হওয়ার আড়াই মাস পর চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
প্রথমে তিনি লন্ডনে যাবেন ছেলে তারেক রহমানের কাছে। বিশেষায়িত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হবে।
বিএনপি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানিয়েছে, খালেদা জিয়ার চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে লন্ডনের কয়েকটি হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।
খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, লন্ডনে তীব্র শীত পড়ার আগেই আমরা বেগম জিয়াকে সেখানে নিতে চাই। এ জন্য বিশেষায়িত এয়ার অ্যাম্বুলেন্স দরকার। আমরা সেই এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করার জন্য কাজ শুরু করেছি।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। ৬
আগস্ট খালেদা জিয়াকে নির্বাহী আদেশে মুক্তি দেওয়া হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দুর্নীতির দুই মামলায় তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। পরে তিনি প্রায় দুই বছর কারাবন্দি ছিলেন। ২০২০ সালের ২৫ মার্চ, আওয়ামী লীগ সরকার শর্তসাপেক্ষে খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত করে তাকে মুক্তি দেয়। এরপর প্রতি ছয় মাস পর পর তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হতো। অসুস্থ খালেদা জিয়াকে একাধিকবার হাসপাতালেও ভর্তিও হতে হয়েছে এবং তিনি দীর্ঘ সময় হাসপাতালে কাটিয়েছেন। সরকার তাকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেয়নি, তাই দেশে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়। খালেদা জিয়া ডায়াবেটিস, আর্থারাইটিস ছাড়াও হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনিসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন।
আগস্ট খালেদা জিয়াকে নির্বাহী আদেশে মুক্তি দেওয়া হয়। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দুর্নীতির দুই মামলায় তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। পরে তিনি প্রায় দুই বছর কারাবন্দি ছিলেন। ২০২০ সালের ২৫ মার্চ, আওয়ামী লীগ সরকার শর্তসাপেক্ষে খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত করে তাকে মুক্তি দেয়। এরপর প্রতি ছয় মাস পর পর তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হতো। অসুস্থ খালেদা জিয়াকে একাধিকবার হাসপাতালেও ভর্তিও হতে হয়েছে এবং তিনি দীর্ঘ সময় হাসপাতালে কাটিয়েছেন। সরকার তাকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেয়নি, তাই দেশে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়। খালেদা জিয়া ডায়াবেটিস, আর্থারাইটিস ছাড়াও হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার, কিডনিসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন।



