ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর দুই শীর্ষ নেতা ঢাকায়
জাতিসংঘের মিশন হারিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে চাকরির জন্য পাকিস্তানের দ্বারস্থ বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী
‘হরমুজ’ উন্মুক্ত রাখতে ঐকমত্য জিনপিং-ট্রাম্প
চীন সফরে আসছেন পুতিন, শি জিনপিং যাচ্ছেন হোয়াইট হাউসে?
ব্রিটিশ সরকারের আরেক মন্ত্রীর পদত্যাগ, আরও সংকটে স্টারমার
হান্টা ভাইরাসে আক্রান্ত ৮ জনের শরীরে অ্যান্ডিজ ভাইরাস শনাক্ত: ডব্লিউএইচও
নির্বাচনের পর বিধানসভাতেও থালাপতি ম্যাজিক, বিরোধী শিবিরে ভাঙন
পঁচিশে সমুদ্রপথে ৯০০ রোহিঙ্গার প্রাণহানি
আন্দামান ও বঙ্গোপসাগরে গত বছর (২০২৫) প্রায় ৯০০ রোহিঙ্গা শরণার্থীর প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে বলে তথ্য দিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা-ইউএনএইচসিআর।
সংস্থাটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য তুলে ধরেছে।
ইউএনএইচসিআর বলছে, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সমুদ্রপথে চলাচলে ২০২৫ সাল ছিল রোহিঙ্গাদের জন্য সবচেয়ে প্রাণঘাতী বছর। সে বছর সাড়ে ৬ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথ পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন। তাদের প্রতি সাতজনে একজন মারা গেছেন বা নিখোঁজ রয়েছেন।শরণার্থী ও অভিবাসীদের যেকোনো প্রধান সমুদ্রপথের মধ্যে ‘বিশ্বে সর্বোচ্চ মৃত্যুহার’ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সমুদ্রপথে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ওই পথে যাত্রা করা মানুষের অর্ধেকেরও বেশি ছিলেন নারী ও শিশু। সেই ধারা ২০২৬ সালেও অব্যাহত রয়েছে। এ বছরের
জানুয়ারি থেকে ১৩ এপ্রিলের মধ্যে ২ হাজার ৮শ’র বেশি রোহিঙ্গা বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রা করেন। আন্দামান সাগরে গত ২৬ মার্চ বাংলাদেশ থেকে ছেড়ে যাওয়া অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনা তুলে ধরেছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থাটি।তাদের দাবি, ওই ঘটনায় আনুমানিক ২৫০ জন নিখোঁজ হন। ৯ এপ্রিল আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের কাছে নয়জন বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। ইউএনএইচসিআর তাদের কাউন্সেলিং এবং চিকিৎসা ও মনোসামাজিক সহায়তার ব্যবস্থা করছে। ইউএনএইচসিআর বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে- মানবপাচার, শোষণ ও সমুদ্রে মৃত্যুর মতো চরম ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী এই যাত্রা অব্যাহত রেখেছেন। প্রায়শই অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই ও নিরাপত্তাহীন নৌকাগুলো সাধারণত বাংলাদেশের কক্সবাজার বা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে ইন্দোনেশিয়া বা মালয়েশিয়ার
উদ্দেশে ছেড়ে যায়। অধিকাংশ রোহিঙ্গা শরণার্থী স্বেচ্ছায়, মর্যাদার সঙ্গে ও নিরাপদে ফেরার পরিবেশ তৈরি হলে মিয়ানমারে ফিরে যেতে চান। তবে চলমান সংঘাত, নিপীড়ন এবং নাগরিকত্ব পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা না থাকায় তাদের সামনে আশার আলো প্রায় নেই বললেই চলে।
জানুয়ারি থেকে ১৩ এপ্রিলের মধ্যে ২ হাজার ৮শ’র বেশি রোহিঙ্গা বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রা করেন। আন্দামান সাগরে গত ২৬ মার্চ বাংলাদেশ থেকে ছেড়ে যাওয়া অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনা তুলে ধরেছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থাটি।তাদের দাবি, ওই ঘটনায় আনুমানিক ২৫০ জন নিখোঁজ হন। ৯ এপ্রিল আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের কাছে নয়জন বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। ইউএনএইচসিআর তাদের কাউন্সেলিং এবং চিকিৎসা ও মনোসামাজিক সহায়তার ব্যবস্থা করছে। ইউএনএইচসিআর বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে- মানবপাচার, শোষণ ও সমুদ্রে মৃত্যুর মতো চরম ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী এই যাত্রা অব্যাহত রেখেছেন। প্রায়শই অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই ও নিরাপত্তাহীন নৌকাগুলো সাধারণত বাংলাদেশের কক্সবাজার বা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে ইন্দোনেশিয়া বা মালয়েশিয়ার
উদ্দেশে ছেড়ে যায়। অধিকাংশ রোহিঙ্গা শরণার্থী স্বেচ্ছায়, মর্যাদার সঙ্গে ও নিরাপদে ফেরার পরিবেশ তৈরি হলে মিয়ানমারে ফিরে যেতে চান। তবে চলমান সংঘাত, নিপীড়ন এবং নাগরিকত্ব পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা না থাকায় তাদের সামনে আশার আলো প্রায় নেই বললেই চলে।



