ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আটটি যুদ্ধ মিটমাট করেছি, তাও নোবেল পেলাম না: ট্রাম্প
মহাকাশে নতুন স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করল চীন
ইউরোপজুড়ে তাপপ্রবাহের তাণ্ডব, তিন দেশে প্রাণ গেল ৩৭০০ মানুষের
খামেনির জানাজায় যোদ দিলে সহায়তা বন্ধের হুমকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের
ট্রাম্পের বক্তব্যজুড়ে ‘কমিউনিস্ট হুমকি’
‘১০ ঘণ্টার অপেক্ষাও কিছু নয়’, খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে তেহরানে মানুষের ঢল
খামেনির শেষ বিদায়ে যোগ দিলে সহায়তা বন্ধের হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের
পঁচিশে সমুদ্রপথে ৯০০ রোহিঙ্গার প্রাণহানি
আন্দামান ও বঙ্গোপসাগরে গত বছর (২০২৫) প্রায় ৯০০ রোহিঙ্গা শরণার্থীর প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে বলে তথ্য দিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা-ইউএনএইচসিআর।
সংস্থাটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য তুলে ধরেছে।
ইউএনএইচসিআর বলছে, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সমুদ্রপথে চলাচলে ২০২৫ সাল ছিল রোহিঙ্গাদের জন্য সবচেয়ে প্রাণঘাতী বছর। সে বছর সাড়ে ৬ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথ পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেন। তাদের প্রতি সাতজনে একজন মারা গেছেন বা নিখোঁজ রয়েছেন।শরণার্থী ও অভিবাসীদের যেকোনো প্রধান সমুদ্রপথের মধ্যে ‘বিশ্বে সর্বোচ্চ মৃত্যুহার’ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সমুদ্রপথে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ওই পথে যাত্রা করা মানুষের অর্ধেকেরও বেশি ছিলেন নারী ও শিশু। সেই ধারা ২০২৬ সালেও অব্যাহত রয়েছে। এ বছরের
জানুয়ারি থেকে ১৩ এপ্রিলের মধ্যে ২ হাজার ৮শ’র বেশি রোহিঙ্গা বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রা করেন। আন্দামান সাগরে গত ২৬ মার্চ বাংলাদেশ থেকে ছেড়ে যাওয়া অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনা তুলে ধরেছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থাটি।তাদের দাবি, ওই ঘটনায় আনুমানিক ২৫০ জন নিখোঁজ হন। ৯ এপ্রিল আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের কাছে নয়জন বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। ইউএনএইচসিআর তাদের কাউন্সেলিং এবং চিকিৎসা ও মনোসামাজিক সহায়তার ব্যবস্থা করছে। ইউএনএইচসিআর বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে- মানবপাচার, শোষণ ও সমুদ্রে মৃত্যুর মতো চরম ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী এই যাত্রা অব্যাহত রেখেছেন। প্রায়শই অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই ও নিরাপত্তাহীন নৌকাগুলো সাধারণত বাংলাদেশের কক্সবাজার বা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে ইন্দোনেশিয়া বা মালয়েশিয়ার
উদ্দেশে ছেড়ে যায়। অধিকাংশ রোহিঙ্গা শরণার্থী স্বেচ্ছায়, মর্যাদার সঙ্গে ও নিরাপদে ফেরার পরিবেশ তৈরি হলে মিয়ানমারে ফিরে যেতে চান। তবে চলমান সংঘাত, নিপীড়ন এবং নাগরিকত্ব পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা না থাকায় তাদের সামনে আশার আলো প্রায় নেই বললেই চলে।
জানুয়ারি থেকে ১৩ এপ্রিলের মধ্যে ২ হাজার ৮শ’র বেশি রোহিঙ্গা বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রা করেন। আন্দামান সাগরে গত ২৬ মার্চ বাংলাদেশ থেকে ছেড়ে যাওয়া অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনা তুলে ধরেছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থাটি।তাদের দাবি, ওই ঘটনায় আনুমানিক ২৫০ জন নিখোঁজ হন। ৯ এপ্রিল আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের কাছে নয়জন বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। ইউএনএইচসিআর তাদের কাউন্সেলিং এবং চিকিৎসা ও মনোসামাজিক সহায়তার ব্যবস্থা করছে। ইউএনএইচসিআর বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে- মানবপাচার, শোষণ ও সমুদ্রে মৃত্যুর মতো চরম ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী এই যাত্রা অব্যাহত রেখেছেন। প্রায়শই অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই ও নিরাপত্তাহীন নৌকাগুলো সাধারণত বাংলাদেশের কক্সবাজার বা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে ইন্দোনেশিয়া বা মালয়েশিয়ার
উদ্দেশে ছেড়ে যায়। অধিকাংশ রোহিঙ্গা শরণার্থী স্বেচ্ছায়, মর্যাদার সঙ্গে ও নিরাপদে ফেরার পরিবেশ তৈরি হলে মিয়ানমারে ফিরে যেতে চান। তবে চলমান সংঘাত, নিপীড়ন এবং নাগরিকত্ব পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা না থাকায় তাদের সামনে আশার আলো প্রায় নেই বললেই চলে।



