বিডিআর বিদ্রোহ: শেখ হাসিনার সদ্যগঠিত সরকারকে উৎখাতের এক গভীর ষড়যন্ত্র – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১ ডিসেম্বর, ২০২৫

আরও খবর

খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ থেকে এখন বিশ্বের তীব্র খাদ্য সংকটের শীর্ষ ১০ দেশের একটি বাংলাদেশ

টিটিপির নিশানায় বাংলাদেশ: সারাদেশে ‘রেড অ্যালার্ট

সংসদসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর সম্ভাব্য সমন্বিত হামলার সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ

বহুমুখী সংকটে শিল্পখাত, টিকে থাকার লড়াইয়ে ধুঁকছে সিমেন্টসহ উৎপাদন খাত

ইউএন টর্চার এক্সপার্ট এখনো জুলাই’২০২৪-এ আটকেঃ অ্যালিস এডওয়ার্ডস অ্যাকটিভিস্টদের মতামত প্রকাশে বাধা দিলেন

চকরিয়ায় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বন ও নদীখেকোদের মহোৎসব: অসহায় বনবিভাগ

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে উত্তেজনা: টিটিপির সঙ্গে যোগসূত্রের অভিযোগে একাধিক কর্মী আটক, অনেকে পালিয়েছে বিদেশে

বিডিআর বিদ্রোহ: শেখ হাসিনার সদ্যগঠিত সরকারকে উৎখাতের এক গভীর ষড়যন্ত্র

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ |
টাইমিং ও মোটিভ: মাত্র ৫০ দিন বয়সী এবং বিপুল জনপ্রিয় একটি সরকারের জন্য এই বিদ্রোহ ছিল ‘রাজনৈতিক আত্মহত্যা’র শামিল; এটি ছিল মূলত ১/১১-এর পরাজিত শক্তির শেষ কামড়। গৃহযুদ্ধ প্রতিরোধ: তাৎক্ষণিক সামরিক অভিযান চালালে ঢাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতো এবং ৬৪ জেলায় ছড়িয়ে পড়া বিদ্রোহের ফলে দেশ এক ভয়াবহ গৃহযুদ্ধে নিমজ্জিত হতো। প্রধানমন্ত্রীর ঝুঁকি: পিলখানা থেকে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ছিল ‘ফায়ারিং জোন’-এর আওতায়; তিনি নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছেন। স্বচ্ছ বিচার ও পুনর্গঠন: সরকার এফবিআই ও স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডকে তদন্তে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল এবং বিডিআরকে বিলুপ্ত করে বিজিবি গঠনের মাধ্যমে বাহিনীর চেইন অব কমান্ড ফিরিয়ে এনেছে। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানা ট্রাজেডি কেবল একটি বিদ্রোহ

বা হত্যাকাণ্ড ছিল না, বরং এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্ব এবং সদ্য বিকশিত গণতন্ত্রের ওপর এক ভয়াবহ আঘাত। দীর্ঘ দেড় দশক ধরে একটি বিশেষ মহল এই ঘটনার দায় আওয়ামী লীগ সরকারের ওপর চাপানোর চেষ্টা করলেও, প্রকৃত বিশ্লেষণ বলছে ভিন্ন কথা। এই বিদ্রোহ ছিল সদ্য ক্ষমতাসীন শেখ হাসিনা সরকারকে উৎখাত করার এবং সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার এক সুগভীর ষড়যন্ত্র। সাংবাদিক ও কলামিস্ট রুদ্র মুহম্মদ জাফর তার এক বিশ্লেষণে এই ঘটনাকে ‘সরকার উৎখাতের নীল নকশা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। ষড়যন্ত্রের টাইমিং এবং রাজনৈতিক বাস্তবতা বিশ্লেষণে বলা হয়, ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে ভূমিধস বিজয় নিয়ে ক্ষমতায় আসা সরকারের বয়স তখন মাত্র ৫০ দিন। সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা

থাকা একটি সরকার কেন দেড় মাসের মাথায় এমন আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নেবে? রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সূত্র মতে, কোনো সরকার তার মেয়াদের শুরুতে অস্থিতিশীলতা চায় না। পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল সরকারের পায়ের নিচ থেকে মাটি সরিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা। এটি ছিল মূলত ১/১১-এর পরাজিত অপশক্তি এবং দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীদের কাজ, যাদের উদ্দেশ্য ছিল সেনা কর্মকর্তাদের হত্যার মাধ্যমে সেনাবাহিনীর মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করে নির্বাচিত সরকারকে বিপদে ফেলা। সামরিক অভিযান বনাম শেখ হাসিনার প্রজ্ঞা বিদ্রোহ দমনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেন তাৎক্ষণিক সামরিক অভিযানের নির্দেশ দেননি—এমন প্রশ্নের জবাবে বিশ্লেষণে বলা হয়, পিলখানা কোনো উন্মুক্ত যুদ্ধক্ষেত্র ছিল না। এটি জনবসতিপূর্ণ এলাকার কেন্দ্রে অবস্থিত। তাৎক্ষণিক ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন’-এ গেলে বিদ্রোহীরা পাল্টা আক্রমণ করত, যাতে

ধানমন্ডি ও আজিমপুর এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতো এবং হাজার হাজার সাধারণ মানুষ ও জিম্মি সেনা সদস্যদের প্রাণহানি ঘটত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় এবং অসীম ধৈর্যের সঙ্গে আলোচনার পথ বেছে নিয়ে রক্তপাত কমিয়ে এনেছিলেন। গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা ও চেইন অব কমান্ড বিডিআর বিদ্রোহ কেবল ঢাকায় সীমাবদ্ধ ছিল না, তা দেশের ৬৪ জেলায় ছড়িয়ে পড়েছিল। ঢাকায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে বিডিআরের যুদ্ধ শুরু হলে তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ত, যা একটি পূর্ণাঙ্গ গৃহযুদ্ধে রূপ নিত। এর ফলে সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে এই ‘চেইন রিঅ্যাকশন’ থামিয়ে দিয়ে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ও স্বচ্ছ বিচার ষড়যন্ত্রকারীরা সবসময় নিজেকে নিরাপদ দূরত্বে

রাখে। কিন্তু বিদ্রোহ চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাসভবনে চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে অবস্থান করছিলেন। সরকার যদি জড়িত থাকত, তবে প্রধানমন্ত্রী নিজেকে এমন ‘ফায়ারিং জোন’-এ রাখতেন না। এছাড়া, ঘটনার পরপরই সরকার এফবিআই, স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড এবং জাতিসংঘের সহায়তা চেয়েছিল, যা প্রমাণ করে সরকার সত্য উদঘাটনে কতটা আন্তরিক ছিল। পিলখানা ট্রাজেডি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায়। কিন্তু সেই চরম সংকটময় মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে রাষ্ট্রনায়কোচিত প্রজ্ঞা, ধৈর্য এবং সাহসের পরিচয় দিয়েছেন, তা বাংলাদেশকে এক নিশ্চিত ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেছে। যারা আজ সরকারকে দোষারোপ করছেন, তারা মূলত আবেগের বশবর্তী হয়ে প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের আড়াল করতে চাইছেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে

ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
১৩ লাখ টাকা দিলে পরীক্ষা ও পাস করা ছাড়াই জাতীয় জাদুঘরে চাকরির নিশ্চয়তা! খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশ থেকে এখন বিশ্বের তীব্র খাদ্য সংকটের শীর্ষ ১০ দেশের একটি বাংলাদেশ টিটিপির নিশানায় বাংলাদেশ: সারাদেশে ‘রেড অ্যালার্ট সংসদসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর সম্ভাব্য সমন্বিত হামলার সতর্কতা জারি করেছে পুলিশ ফ্লোরিডায় দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ড: জামিল লিমনের লাশ উদ্ধার, নাহিদা বৃষ্টির মৃত্যু নিশ্চিত বহুমুখী সংকটে শিল্পখাত, টিকে থাকার লড়াইয়ে ধুঁকছে সিমেন্টসহ উৎপাদন খাত ইউএন টর্চার এক্সপার্ট এখনো জুলাই’২০২৪-এ আটকেঃ অ্যালিস এডওয়ার্ডস অ্যাকটিভিস্টদের মতামত প্রকাশে বাধা দিলেন ইসলামাবাদে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার: ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সফর খুলনায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ২ চকরিয়ায় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বন ও নদীখেকোদের মহোৎসব: অসহায় বনবিভাগ নড়াইলে প্রাচীর তুলে ২৫ হিন্দু পরিবারের রাস্তা অবরুদ্ধ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে উত্তেজনা: টিটিপির সঙ্গে যোগসূত্রের অভিযোগে একাধিক কর্মী আটক, অনেকে পালিয়েছে বিদেশে উগ্রবাদী হামলার শঙ্কা: সতর্কবার্তার বিষয়টি স্বীকার করল সিটিটিসি গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর অনস্ক্রিন চুম্বন দৃশ্য, ৩০ বছরের ‘কিসিং নীতি’ ভাঙা নিয়ে মুখ খুললেন কাজল গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা, নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ পুলিশ সদরের যুদ্ধবিরতি বাড়লেও থামেনি হিজবুল্লাহ-ইসরায়েলের পাল্টাপাল্টি হামলা যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার কে এই হিশাম ম্যালেরিয়ার জীবাণুতে জিনগত পরিবর্তন চালের দামের ওপর বাড়তি ভাড়ার প্রভাব