ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জাতিসংঘের আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার শুনানি শুরু
ইরানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার দাবি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
পরিবারসহ ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পালানোর গুঞ্জন, বিক্ষোভে নতুন মাত্রা
বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, ইসরায়েলে হাই অ্যালার্ট জারি
খামেনির দেশত্যাগের গুঞ্জন, যা জানাল ইরানি দূতাবাস
টেকনাফে শিশু গুলিবিদ্ধ, সশস্ত্র গ্রুপের ৫০ সদস্য আটক
গৃহযুদ্ধে জর্জরিত মিয়ানমারে দ্বিতীয় পর্বের ভোট চলছে
বিজ্ঞাপন দেখে ক্ষেপে গেলেন ট্রাম্প, কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা বাতিলের ঘোষণা
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের উক্তি ব্যবহার করে বিজ্ঞাপন প্রচারের পর কানাডার সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য আলোচনা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি এই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতির বিরোধীতা করা হয়েছে।
দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিজ্ঞাপনটি কানাডার অন্টারিও প্রাদেশিক সরকারের অর্থায়নে তৈরি। যেখানে রোনাল্ড রিগ্যানকে বলতে শোনা যায়, ‘বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা প্রতিটি আমেরিকান শ্রমিকের ক্ষতি করে।’ উক্তিটি রিগ্যানের ১৯৮৭ সালে দেওয়া একটি ভাষণের অংশ।
বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প বিজ্ঞাপনটিকে ‘ভুয়া’ বলে অ্যাখ্যা দেন। লিখেন, ‘কানাডা প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন ব্যবহার করেছে। দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের শুল্ক সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করেছে।’ একই পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প লিখেন, ‘তাদের (কানাডা)
নিন্দনীয় আচরণের কারণে সমস্ত বাণিজ্য আলোচনা এখানেই শেষ।’ কানাডার কাঠ, ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম ও গাড়ির ওপর ওয়াশিংটন শুরুতে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল। এর প্রতিক্রিয়ায় অটোয়া পাল্টা শুল্ক আরোপ করে। গত আগষ্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প শুল্ক বাড়িয়ে ৩৫ শতাংশ করেন। অন্টারিওর প্রাদেশিক সরকারের প্রধান ডগ ফোর্ড। তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের আর্থিক নীতির অন্যতম সমালোচক। অক্টোবরের শুরুতে তিনি রোনাল্ড রিগ্যানের মন্তব্য সম্বলিত বিজ্ঞাপন প্রচার শুরু করেন। সে সময় ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘আমরা কখনই মার্কিন শুল্কের বিরুদ্ধে লড়াই থামাব না।’ কানাডার রপ্তানি পণ্যের অধিকাংশই যায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে। ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি কিংবা ডগ ফোর্ড কেউ মন্তব্য করেননি বলে জানিয়েছে বিবিসি। গার্ডিয়ান বলছে,
এর আগে ৩৫ শতাংশ শুল্ক নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছিলেন কার্নি। চলতি মাসের শুরুতে ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়েছিল। সেখানে শুল্ক নিয়ে উত্তেজনা কমানোর আলোচনা হয়। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে আলোচনার পর্যায়ে থাকা ‘যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা চুক্তি’ পুনর্মূল্যায়নেরও প্রস্তুতি চলছিল।
নিন্দনীয় আচরণের কারণে সমস্ত বাণিজ্য আলোচনা এখানেই শেষ।’ কানাডার কাঠ, ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম ও গাড়ির ওপর ওয়াশিংটন শুরুতে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল। এর প্রতিক্রিয়ায় অটোয়া পাল্টা শুল্ক আরোপ করে। গত আগষ্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প শুল্ক বাড়িয়ে ৩৫ শতাংশ করেন। অন্টারিওর প্রাদেশিক সরকারের প্রধান ডগ ফোর্ড। তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের আর্থিক নীতির অন্যতম সমালোচক। অক্টোবরের শুরুতে তিনি রোনাল্ড রিগ্যানের মন্তব্য সম্বলিত বিজ্ঞাপন প্রচার শুরু করেন। সে সময় ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘আমরা কখনই মার্কিন শুল্কের বিরুদ্ধে লড়াই থামাব না।’ কানাডার রপ্তানি পণ্যের অধিকাংশই যায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে। ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি কিংবা ডগ ফোর্ড কেউ মন্তব্য করেননি বলে জানিয়েছে বিবিসি। গার্ডিয়ান বলছে,
এর আগে ৩৫ শতাংশ শুল্ক নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছিলেন কার্নি। চলতি মাসের শুরুতে ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়েছিল। সেখানে শুল্ক নিয়ে উত্তেজনা কমানোর আলোচনা হয়। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে আলোচনার পর্যায়ে থাকা ‘যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা চুক্তি’ পুনর্মূল্যায়নেরও প্রস্তুতি চলছিল।



