ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আদালত দখলের রাজনীতি! এজলাসে ভাঙচুর
অফিসিয়ালি বিএনপির চাঁদাবাজি যুগের সূচনা চাঁদাবাজির নতুন নাম “সমঝোতা”
ইউনূস-জাহাঙ্গীরের জোর করে দেয়া সেই ইউনিফর্ম পরতে চায় না পুলিশ
ইউনূস আমলের ভয়াবহ দুর্নীতি-চাঁদাবাজির হিসাব সামনে আনল ডিসিসিআই
রাষ্ট্রপতির বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিলেন ইউনূস
সংসদের বৈধতার প্রশ্ন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা
মুক্তিযুদ্ধকে ‘জনযুদ্ধ’ বলে ছোট করতে চাইলে তারা মীর জাফর: ভাইরাল ভিডিওতে তরুণের মন্তব্য
বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলির নির্দেশ দেননি শেখ হাসিনা’—জয়ের দাবির পক্ষে জোরালো যুক্তি বার্গম্যানের
বিশেষ প্রতিবেদক : জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালীন ফাঁস হওয়া একটি অডিও কথোপকথন নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে যে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হয়েছিল, তার বিপরীতে এবার জোরালো যুক্তি উঠে এসেছে। আল-জাজিরা ও বিবিসির মতো সংবাদমাধ্যমগুলো সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যকে ‘প্রেক্ষাপট’ ছাড়া উপস্থাপন করায় জনমনে যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছিল, তা স্পষ্ট করেছেন বিশিষ্ট ব্রিটিশ সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডেভিড বার্গম্যান। তিনি স্বীকার করেছেন, শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের যুক্তি মোটেও অযৌক্তিক নয় এবং শেখ হাসিনা প্রকৃতপক্ষে শান্তিপূর্ণ শিক্ষার্থীদের ওপর নয়, বরং সন্ত্রাসীদের দমনেই কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
সম্প্রতি আল-জাজিরায় দেওয়া সাক্ষাৎকারে সজীব ওয়াজেদ জয় দাবি করেছিলেন, তার মা কখনোই সাধারণ বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলির নির্দেশ
দেননি। জয়ের এই দাবির সত্যতা বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ডেভিড বার্গম্যান দৈনিক প্রথম আলোতে লেখা এক উপসম্পাদকীয়তে উল্লেখ করেন, ফাঁস হওয়া ফোনালাপটি যদি পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপটসহ বিচার করা হয়, তবে এটি স্পষ্ট যে শেখ হাসিনা ‘প্রাণঘাতী অস্ত্র’ ব্যবহারের যে কথা বলেছিলেন, তা ছিল মূলত অগ্নিসংযোগকারী ও রাষ্ট্রীয় সম্পত্তিতে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে নয়। বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, ওই ফোনালাপের মূল বিষয়বস্তু ছিল দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও ভবনে হামলা। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছিলেন যে, ‘সন্ত্রাসীরা’ মোহাম্মদপুর থানার দিকে এগোচ্ছে এবং জাতীয় সচিবালয় ও আবাহনী ক্লাবের মতো জায়গায় হামলা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রের জানমাল রক্ষার্থে
এবং সন্ত্রাসীদের সহিংসতা দমনেই শেখ হাসিনা কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বলপ্রয়োগের অনুমতির কথা বলার ঠিক আগেই শেখ হাসিনা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছিলেন যে, তিনি এতদিন ‘ছাত্রদের নিরাপত্তার কথা ভেবে’ নিজেকে সংযত রেখেছিলেন। বার্গম্যানের মতে, শেখ হাসিনার এই বক্তব্য প্রমাণ করে যে তিনি সচেতনভাবেই ‘ছাত্র’ এবং ‘সন্ত্রাসী’—এই দুই শ্রেণির মধ্যে পার্থক্য করেছিলেন এবং শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা তার অগ্রাধিকার ছিল। ডেভিড বার্গম্যান তার লেখায় আরও উল্লেখ করেছেন, বিবিসি ও আল-জাজিরার তথ্যচিত্রগুলোতে শেখ হাসিনার মন্তব্যকে যথাযথ প্রেক্ষাপট ছাড়া উপস্থাপন করা হয়েছে, যা বিভ্রান্তিকর। সেখানে এমনভাবে বিষয়টি দেখানো হয়েছে যেন তিনি ঢালাওভাবে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলির নির্দেশ দিচ্ছেন, যা সত্যের অপলাপ। সজীব ওয়াজেদ জয় সঠিকভাবেই
চিহ্নিত করেছেন যে, ওই অডিও ক্লিপগুলো খণ্ডিতভাবে প্রচার করে অর্থ বিকৃত করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, একজন রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে জনগণের জানমাল ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করা শেখ হাসিনার সাংবিধানিক দায়িত্ব ছিল। সশস্ত্র সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অগ্নিসংযোগের মুখে তিনি যে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছিলেন, তা ছিল পরিস্থিতির ভয়াবহতা মোকাবিলার কৌশল। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ডেভিড বার্গম্যানের এই পর্যবেক্ষণ সজীব ওয়াজেদ জয়ের দাবিকেই সত্য প্রমাণ করে—শেখ হাসিনা কখনোই শিক্ষার্থীদের প্রতি সহিংস ছিলেন না, বরং তার কঠোরতা ছিল কেবল সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে।
দেননি। জয়ের এই দাবির সত্যতা বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ডেভিড বার্গম্যান দৈনিক প্রথম আলোতে লেখা এক উপসম্পাদকীয়তে উল্লেখ করেন, ফাঁস হওয়া ফোনালাপটি যদি পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপটসহ বিচার করা হয়, তবে এটি স্পষ্ট যে শেখ হাসিনা ‘প্রাণঘাতী অস্ত্র’ ব্যবহারের যে কথা বলেছিলেন, তা ছিল মূলত অগ্নিসংযোগকারী ও রাষ্ট্রীয় সম্পত্তিতে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে নয়। বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, ওই ফোনালাপের মূল বিষয়বস্তু ছিল দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও ভবনে হামলা। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছিলেন যে, ‘সন্ত্রাসীরা’ মোহাম্মদপুর থানার দিকে এগোচ্ছে এবং জাতীয় সচিবালয় ও আবাহনী ক্লাবের মতো জায়গায় হামলা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রের জানমাল রক্ষার্থে
এবং সন্ত্রাসীদের সহিংসতা দমনেই শেখ হাসিনা কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বলপ্রয়োগের অনুমতির কথা বলার ঠিক আগেই শেখ হাসিনা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছিলেন যে, তিনি এতদিন ‘ছাত্রদের নিরাপত্তার কথা ভেবে’ নিজেকে সংযত রেখেছিলেন। বার্গম্যানের মতে, শেখ হাসিনার এই বক্তব্য প্রমাণ করে যে তিনি সচেতনভাবেই ‘ছাত্র’ এবং ‘সন্ত্রাসী’—এই দুই শ্রেণির মধ্যে পার্থক্য করেছিলেন এবং শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা তার অগ্রাধিকার ছিল। ডেভিড বার্গম্যান তার লেখায় আরও উল্লেখ করেছেন, বিবিসি ও আল-জাজিরার তথ্যচিত্রগুলোতে শেখ হাসিনার মন্তব্যকে যথাযথ প্রেক্ষাপট ছাড়া উপস্থাপন করা হয়েছে, যা বিভ্রান্তিকর। সেখানে এমনভাবে বিষয়টি দেখানো হয়েছে যেন তিনি ঢালাওভাবে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলির নির্দেশ দিচ্ছেন, যা সত্যের অপলাপ। সজীব ওয়াজেদ জয় সঠিকভাবেই
চিহ্নিত করেছেন যে, ওই অডিও ক্লিপগুলো খণ্ডিতভাবে প্রচার করে অর্থ বিকৃত করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, একজন রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে জনগণের জানমাল ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করা শেখ হাসিনার সাংবিধানিক দায়িত্ব ছিল। সশস্ত্র সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অগ্নিসংযোগের মুখে তিনি যে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছিলেন, তা ছিল পরিস্থিতির ভয়াবহতা মোকাবিলার কৌশল। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ডেভিড বার্গম্যানের এই পর্যবেক্ষণ সজীব ওয়াজেদ জয়ের দাবিকেই সত্য প্রমাণ করে—শেখ হাসিনা কখনোই শিক্ষার্থীদের প্রতি সহিংস ছিলেন না, বরং তার কঠোরতা ছিল কেবল সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে।



