
স্থপতি হাসিব হক
আরও খবর

আওয়ামী লীগ কি খেলায় ফেরার মত যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছে?

রাজনীতিবিদশূন্য রাজনীতি এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ – পর্ব ১

জুলাই সনদ ও সংস্কার মানে সন্ত্রাস, হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাটের রাম রাজত্ব।

৭২ এর সংবিধান বাঙালির মুক্তিসনদ

গোপালগঞ্জে সেনাবাহিনীর বর্বরতা – ৭১ সালের পাকিস্তানি সেনা বর্বরতাকে হার মানায়।

মুজিবকে ছোট করে তাজউদ্দিনকে কি বড় করা যায়, নাকি সেটা সম্ভব?

টেলিগ্রাম লীগ: আশীর্বাদ নাকি সর্ববৃহৎ দায়ভার?
বিএসসি বনাম ডিপ্লোমা তর্ক

একটি অজনপ্রিয় কথা বলি।
আমি জানি আমার এঞ্জিনিয়ার ভাই-বন্ধুরা মনে কষ্ট পেতে পারেন, তাদের কাছে অগ্রিম ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, কারও দোষ ধরার আগে নিজেকে দোষমুক্ত হতে হয়, নইলে দোষ ধরাটা অন্যায়।
এঞ্জিনিয়ার (বিএসসি) এবং ডিপ্লোমা এঞ্জিনিয়ারদের মধ্যকার চলমান সংঘাতের ব্যাপারে আমার খুব বেশি জানা নেই। আমার স্বল্প জ্ঞানে যেটুকু জানি, ডিপ্লোমা এঞ্জিনিয়ারদের তৈরি করা হয় মূলত এঞ্জিনিয়ারিং প্রফেশনের ব্যবহারিক দিক সামাল দেয়ার জন্য। তাঁরা ফিল্ড, সাইট বা ফ্যাক্টরিতে যে কাজগুলো সামলাতে পারেন, সেগুলো শুধুমাত্র বিএসসি এঞ্জিনিয়ারদের পক্ষে একা সামাল দেয়া কঠিন, অসম্ভব হয়তো নয়।
তবে কাজ সহজ করলে কাজের গতি বাড়ে, উৎপাদন বা ফলাফল দ্রুত আসে; শিল্পোন্নত বিশ্ব এগিয়ে যায়
কাজ সহজ করে উৎপাদনে গতি আনার মাধ্যমেই। সেজন্যেই প্রফেশনাল ফিল্ডে বিএসসি এঞ্জিনিয়ার এবং ডিপ্লোমা এঞ্জিনিয়াররা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেন। তবে ব্যক্তিগত মত হচ্ছে, কারওই নিজের কাজের বাইরে কাজ করতে যাওয়া উচিত নয়, পারলেও না। ডিপ্লোমা এঞ্জিনিয়ারদের দক্ষতা প্রজেক্টকে মসৃণভাবে এগিয়ে নিয়ে যায়, কিন্তু তাঁদের স্ট্রাকচারাল ডিজাইন করতে যাওয়ার দরকার নেই বোধহয় (আমি শুধু সিভিল এঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে বলছি)। নিশ্চয়ই তাঁরা স্ট্রাকচারাল ডিজাইন করার সামর্থ্য অর্জন করেন, তবে পারলেই সেটা করতে যাওয়ার দরকার নেই। নিজের কাজের বাইরে অন্য কারও কাজ করতে গেলে তা পেশাগত বিশৃঙ্খলা তৈরি করে। যার কাজ তারই করা উচিত। তেমনিভাবে বিএসসি এঞ্জিনিয়াররা ডিপ্লোমা এঞ্জিনিয়ারদের জন্য বরাদ্দ কাজে ঢুকে যান কিনা
আমার জানা নেই অবশ্য। একটা অত্যন্ত চালু ব্যাপার হচ্ছে, বিএসসি সিভিল এঞ্জিনিয়াররা এবং ডিপ্লোমা এঞ্জিনিয়াররাও দালানকোঠা ডিজাইন করে ফেলেন। সিভিল এঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময় বিল্ডিং প্ল্যান করার একটা প্রাথমিক পড়াশোনা থাকে বটে, তবে আমার মনে হয় না সেটা পেশাগতভাবে বিল্ডিং ডিজাইন করে ফেলার জন্য। বিএসসি সিভিল এঞ্জিনিয়ারদের কাজ স্ট্রাকচারাল ডিজাইন করা, বিল্ডিং কতটা কার্যকরভাবে এবং সঠিক খরচে তৈরি হতে পারে সেটা নিশ্চিত করা। স্থপতির কাজে হাত দিয়ে বিল্ডিং ডিজাইন করে ফেলা কিন্তু স্ট্রাকচারাল এঞ্জিনিয়ারদের (সিভিল) কাজ নয়, ডিপ্লোমা এঞ্জিনিয়ারদের কাজ তো নয়ই। অথচ আমাদের দেশে সিভিল এঞ্জিনিয়াররা হরদম বিল্ডিং ডিজাইন করে যাচ্ছেন আবহমান কাল ধরেই। আমি নিশ্চিত, নিজের কাজের বাইরে অন্য কারও কাজ করে
ফেলাটাকে কেউই অন্যায় বলেও মনে করেন না একেবারেই। এদেশের মানুষজনের এসব ব্যাপারে ধারণা কম বলে তারা জানেন না বিল্ডিং ডিজাইন করা প্রকৌশলীর কাজ নয়, স্থপতি বা আর্কিটেক্টদের কাজ; সিভিল বা স্ট্রাকচারাল এঞ্জিনিয়াররা কিন্তু সহজে বলেনও না যে এটা আমার কাজ নয়, এই কাজের জন্য অমুকের কাছে যেতে হবে বা রেফার করে দিচ্ছি। এভাবেই এদেশে কোটি কোটি অসুন্দর দালানকোঠা তৈরি হয়েছে। আমরা স্থপতিরা কিন্তু স্ট্রাকচারাল ডিজাইন করতে যাই না কখনও, কখনও বলিও না যে আমিই করে দিচ্ছি। আমার পোস্টের উদ্দেশ্য এই জায়গাটা নিয়েই। আজকে ডিপ্লোমা এঞ্জিনিয়ারদের উপর চড়াও হয়ে, গালিগালাজ মারামারি খুনোখুনি করে নানান কথা বলা যায়, তারা নামের আগে প্রকৌশলী টাইটেল বসাতে
পারবে না এসব দাবি তোলাই যায়। কার পেশির জোর কত সেটার মহড়া দেখানোই যায়। তার আগে একটু সততা দেখিয়ে আবহমান কাল ধরে চলে আসা “এঞ্জিনিয়ার দিয়ে বিল্ডিং ডিজাইন” বিষয়টা থেকে নিজেরা বেরিয়ে আসবেন কি? নাকি ব্যাপারগুলো সব “আমার কুকুরের নাম টমি, তোমার কুকুর কেবলই কুকুর” জাতীয় হয়েই থাকবে সবসময়? ধৃষ্টতা দেখিয়ে পোস্ট করে কাউকে আঘাত করে থাকলে করজোড়ে ক্ষমাপ্রার্থী। আমার লেখায় কোথাও তথ্যগত বা উপলব্ধিগত কোনো ভুল থাকলেও ধরিয়ে দেয়ার অনুরোধ রইলো। পরিচিতি: স্থপতি
কাজ সহজ করে উৎপাদনে গতি আনার মাধ্যমেই। সেজন্যেই প্রফেশনাল ফিল্ডে বিএসসি এঞ্জিনিয়ার এবং ডিপ্লোমা এঞ্জিনিয়াররা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেন। তবে ব্যক্তিগত মত হচ্ছে, কারওই নিজের কাজের বাইরে কাজ করতে যাওয়া উচিত নয়, পারলেও না। ডিপ্লোমা এঞ্জিনিয়ারদের দক্ষতা প্রজেক্টকে মসৃণভাবে এগিয়ে নিয়ে যায়, কিন্তু তাঁদের স্ট্রাকচারাল ডিজাইন করতে যাওয়ার দরকার নেই বোধহয় (আমি শুধু সিভিল এঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে বলছি)। নিশ্চয়ই তাঁরা স্ট্রাকচারাল ডিজাইন করার সামর্থ্য অর্জন করেন, তবে পারলেই সেটা করতে যাওয়ার দরকার নেই। নিজের কাজের বাইরে অন্য কারও কাজ করতে গেলে তা পেশাগত বিশৃঙ্খলা তৈরি করে। যার কাজ তারই করা উচিত। তেমনিভাবে বিএসসি এঞ্জিনিয়াররা ডিপ্লোমা এঞ্জিনিয়ারদের জন্য বরাদ্দ কাজে ঢুকে যান কিনা
আমার জানা নেই অবশ্য। একটা অত্যন্ত চালু ব্যাপার হচ্ছে, বিএসসি সিভিল এঞ্জিনিয়াররা এবং ডিপ্লোমা এঞ্জিনিয়াররাও দালানকোঠা ডিজাইন করে ফেলেন। সিভিল এঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সময় বিল্ডিং প্ল্যান করার একটা প্রাথমিক পড়াশোনা থাকে বটে, তবে আমার মনে হয় না সেটা পেশাগতভাবে বিল্ডিং ডিজাইন করে ফেলার জন্য। বিএসসি সিভিল এঞ্জিনিয়ারদের কাজ স্ট্রাকচারাল ডিজাইন করা, বিল্ডিং কতটা কার্যকরভাবে এবং সঠিক খরচে তৈরি হতে পারে সেটা নিশ্চিত করা। স্থপতির কাজে হাত দিয়ে বিল্ডিং ডিজাইন করে ফেলা কিন্তু স্ট্রাকচারাল এঞ্জিনিয়ারদের (সিভিল) কাজ নয়, ডিপ্লোমা এঞ্জিনিয়ারদের কাজ তো নয়ই। অথচ আমাদের দেশে সিভিল এঞ্জিনিয়াররা হরদম বিল্ডিং ডিজাইন করে যাচ্ছেন আবহমান কাল ধরেই। আমি নিশ্চিত, নিজের কাজের বাইরে অন্য কারও কাজ করে
ফেলাটাকে কেউই অন্যায় বলেও মনে করেন না একেবারেই। এদেশের মানুষজনের এসব ব্যাপারে ধারণা কম বলে তারা জানেন না বিল্ডিং ডিজাইন করা প্রকৌশলীর কাজ নয়, স্থপতি বা আর্কিটেক্টদের কাজ; সিভিল বা স্ট্রাকচারাল এঞ্জিনিয়াররা কিন্তু সহজে বলেনও না যে এটা আমার কাজ নয়, এই কাজের জন্য অমুকের কাছে যেতে হবে বা রেফার করে দিচ্ছি। এভাবেই এদেশে কোটি কোটি অসুন্দর দালানকোঠা তৈরি হয়েছে। আমরা স্থপতিরা কিন্তু স্ট্রাকচারাল ডিজাইন করতে যাই না কখনও, কখনও বলিও না যে আমিই করে দিচ্ছি। আমার পোস্টের উদ্দেশ্য এই জায়গাটা নিয়েই। আজকে ডিপ্লোমা এঞ্জিনিয়ারদের উপর চড়াও হয়ে, গালিগালাজ মারামারি খুনোখুনি করে নানান কথা বলা যায়, তারা নামের আগে প্রকৌশলী টাইটেল বসাতে
পারবে না এসব দাবি তোলাই যায়। কার পেশির জোর কত সেটার মহড়া দেখানোই যায়। তার আগে একটু সততা দেখিয়ে আবহমান কাল ধরে চলে আসা “এঞ্জিনিয়ার দিয়ে বিল্ডিং ডিজাইন” বিষয়টা থেকে নিজেরা বেরিয়ে আসবেন কি? নাকি ব্যাপারগুলো সব “আমার কুকুরের নাম টমি, তোমার কুকুর কেবলই কুকুর” জাতীয় হয়েই থাকবে সবসময়? ধৃষ্টতা দেখিয়ে পোস্ট করে কাউকে আঘাত করে থাকলে করজোড়ে ক্ষমাপ্রার্থী। আমার লেখায় কোথাও তথ্যগত বা উপলব্ধিগত কোনো ভুল থাকলেও ধরিয়ে দেয়ার অনুরোধ রইলো। পরিচিতি: স্থপতি