ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, নওগাঁ রণক্ষেত্র
জামায়াতের আমীরের ইতিহাস বিকৃতি, বিপজ্জনক রাজনীতির পুরোনো কৌশল
জামায়েতের দুই নীতি নারী এবং মুক্তিযুদ্ধ ভীতি
জামায়াতের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ভোটার স্থানান্তরের অভিযোগ: আসনভিত্তিক তথ্য চায় বিএনপি
বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের পর এনসিপির সংঘর্ষ: ভোটের আগেই ক্ষমতার লড়াইয়ে কি সংঘাত বাড়ছে?
নারী বিদ্বেষ থেকেই কি মনীষার সাথে একই মঞ্চে বসতে আপত্তি চরমোনাই পীর ফয়জুল করিমের?
শেরপুরের ঘটনায় নির্বাচনী ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে: জামায়াতের আমির
বিএনপি-এনসিপি সমঝোতায় বঞ্চিত হলো জুলাই এর নারী নেত্রীরা
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি গতকাল ৩০০ আসনের মধ্যে ২৩৭টিতে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে। বাকি ৬৩টি আসন জোটসঙ্গীদের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র জন্য কয়েকটি আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ঢাকা-৯ (নাহিদ), লক্ষ্মীপুর-১ (মাহফুজ) এবং ঢাকা-১০ (আসিফ)।
এই রাজনৈতিক সমঝোতায় ‘বলি’ দেওয়া হয়েছে কুমিল্লা-৪ (হাসনাত) এবং পঞ্চগড়-১ (সারজিস) এর আসন। একইসাথে আসন সমঝোতায় বিবেচনায় রাখা হয় নাই নাসির হোসেন পাটোয়ারি, হান্নান মাসুদ ও সরোয়ার তুষার-কে।
কিন্তু এই জোটের আলোচনায় সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো এনসিপির নারী সদস্যদের সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে হয়েছে এই সমঝোতায়। যে নারী নেত্রীরা দলটির পাবলিক ইমেজকে মৌলবাদী থেকে উদারপন্থী
মধ্যবর্তী অবস্থানে নিয়ে গেছেন, তাদের জন্য একটি আসনও বাগিয়ে নিতে পারেনি বা চেষ্টা করেনি নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টী। পরিবর্তে, জুলাই আন্দোলনের পুরুষ ছাত্র সমন্বয়কদের জন্য মাত্র তিনটি আসন নিশ্চিত করা হয়েছে। বঞ্চিত নারী নেত্রীদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন তাসনিম জারা, যিনি উচ্চশিক্ষিত প্রগতিশীল নারীর প্রতিনিধিত্ব করেন। এছাড়া সামান্থা শারমিন, যিনি পর্দানশীল ইসলামী ভাবধারার উচ্চশিক্ষিত নারীদের প্রতীক; তানুসভা, ডা. মিতু, নুসরাত তাবাসসুম সহ আরও অনেকে এই তালিকায় রয়েছেন। এনসিপির এই পদক্ষেপ দলটির পুরুষতান্ত্রিক চরিত্রকে স্পষ্ট করে তুলেছে। নারীদের শুধু ইমেজ গড়ার কাজে ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু ক্ষমতার ভাগাভাগিতে তাদের কোনো স্থান দেওয়া হয়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এনসিপির এই সিদ্ধান্ত জোটের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বকে প্রকাশ করেছে এবং
নারী রাজনীতির প্রতি দলটির প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিএনপি-এনসিপি জোটের এই আসন বণ্টন নির্বাচনী কৌশলের অংশ হলেও, এতে নারী প্রতিনিধিত্বের অভাব স্পষ্ট। রাজনৈতিক বোদ্ধারা বলছেন, এনসিপির পিছনে আসল দল হচ্ছে জামায়াতে ইসলাম। হতে পারে জামায়াতে ইসলাম উক্ত নারীদের জন্য আসন সমঝোতা করবে, কারন জামায়াতে ইসলামে নেরী নেতৃত্বের অভাব রয়েছে। এবং একইসাথে জামায়াত চাইবে কিছু নারীদের এমপি বানিয়ে, নিজেদের পুরুষতান্ত্রিক দুর্নাম ঘোচাতে।
মধ্যবর্তী অবস্থানে নিয়ে গেছেন, তাদের জন্য একটি আসনও বাগিয়ে নিতে পারেনি বা চেষ্টা করেনি নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টী। পরিবর্তে, জুলাই আন্দোলনের পুরুষ ছাত্র সমন্বয়কদের জন্য মাত্র তিনটি আসন নিশ্চিত করা হয়েছে। বঞ্চিত নারী নেত্রীদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন তাসনিম জারা, যিনি উচ্চশিক্ষিত প্রগতিশীল নারীর প্রতিনিধিত্ব করেন। এছাড়া সামান্থা শারমিন, যিনি পর্দানশীল ইসলামী ভাবধারার উচ্চশিক্ষিত নারীদের প্রতীক; তানুসভা, ডা. মিতু, নুসরাত তাবাসসুম সহ আরও অনেকে এই তালিকায় রয়েছেন। এনসিপির এই পদক্ষেপ দলটির পুরুষতান্ত্রিক চরিত্রকে স্পষ্ট করে তুলেছে। নারীদের শুধু ইমেজ গড়ার কাজে ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু ক্ষমতার ভাগাভাগিতে তাদের কোনো স্থান দেওয়া হয়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এনসিপির এই সিদ্ধান্ত জোটের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বকে প্রকাশ করেছে এবং
নারী রাজনীতির প্রতি দলটির প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিএনপি-এনসিপি জোটের এই আসন বণ্টন নির্বাচনী কৌশলের অংশ হলেও, এতে নারী প্রতিনিধিত্বের অভাব স্পষ্ট। রাজনৈতিক বোদ্ধারা বলছেন, এনসিপির পিছনে আসল দল হচ্ছে জামায়াতে ইসলাম। হতে পারে জামায়াতে ইসলাম উক্ত নারীদের জন্য আসন সমঝোতা করবে, কারন জামায়াতে ইসলামে নেরী নেতৃত্বের অভাব রয়েছে। এবং একইসাথে জামায়াত চাইবে কিছু নারীদের এমপি বানিয়ে, নিজেদের পুরুষতান্ত্রিক দুর্নাম ঘোচাতে।



