ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষককে ছুরিকাঘাতে হত্যা
ছেলে ছাত্রলীগ নেতা, বিএনপি নেতাদের চাপে সম্পর্ক ছিন্ন করতে পরিবারের হলফনামা
কুষ্টিয়ায় জেলা প্রশাসকের বদলির প্রতিবাদে জামায়াত-সমর্থিত বিক্ষোভ: জাতীয় নির্বাচনে সহয়তাই জনপ্রিয়তার কারন!
চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির কর্মীদের বেদম পিটুনিতে জামায়াতের আমির আইসিইউতে, ভাই নিহত
টিকটকে পরিচয়, রাজশাহীতে প্রেমিকের খোঁজে এসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ময়মনসিংহের তরুণী
কুষ্টিয়া আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: সভাপতিসহ ৬ পদে আওয়ামীপন্থীরা জয়ী
গাইবান্ধায় নিজ বসতঘরে প্রাথমিক শিক্ষিকার হাত পা বাঁধা লাশ, মিলেছে ধর্ষণের আলামত
বিএনপির মামলায় কারাবরণ; চিকিৎসা বিলম্বে কেটে ফেলতে হলো পেকুয়ার নাজিমুদ্দিনের পা
বিএনপির দায়ের করা ২০১৮ সালের নির্বাচনকেন্দ্রিক একটি মামলায় কারাবরণ করতে গিয়ে চিকিৎসা অবহেলার চরম মূল্য দিতে হলো পেকুয়ার নাজিমুদ্দিন নাজুকে। উচ্চমাত্রার ডায়াবেটিসে আক্রান্ত এই নির্দোষ ব্যক্তি সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত নিজের পা হারালেন—যা রাষ্ট্রীয় নিষ্ঠুরতা ও প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির এক ভয়াবহ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গত ৫ আগস্টের পর পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গোদারপাড় এলাকার বাসিন্দা নাজিমুদ্দিন নাজু বিএনপির দায়ের করা একটি তথাকথিত মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আদালতে হাজির হলেও মানবিক বিবেচনায় তাকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। স্থানীয়দের ভাষায়, এটি ছিল সম্পূর্ণ অমানবিক ও অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত।
কারাগারে থাকার সময় নাজিমুদ্দিনের শারীরিক অবস্থার দ্রুত
অবনতি ঘটে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত থাকলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের অভাবে তার অবস্থা মারাত্মক রূপ নেয়। একপর্যায়ে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকেরা তার বাম পায়ে গ্যাংগ্রিন শনাক্ত করেন। জীবন রক্ষার শেষ উপায় হিসেবে চিকিৎসকদের বাধ্য হয়ে তার পা কেটে ফেলতে হয়। নাজিমুদ্দিনের পরিবার অভিযোগ করেছে, সময়মতো চিকিৎসা ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে এই ভয়াবহ পরিণতি এড়ানো সম্ভব ছিল। তাঁদের দাবি, রাজনৈতিক মামলায় কারাবন্দি করার পর তাকে পরিকল্পিতভাবে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা বলছেন, নাজিমুদ্দিনের ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা নয়। বরং দেশজুড়ে বিএনপির দায়ের করা মিথ্যা ও রাজনৈতিক মামলার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের
হয়রানি, নির্যাতন ও প্রতিশোধপরায়ণ রাজনীতিরই একটি নির্মম উদাহরণ এটি। এই ঘটনায় মানবাধিকারকর্মী ও সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছেন—একজন গুরুতর অসুস্থ বন্দির চিকিৎসা নিশ্চিত করা কি রাষ্ট্রের দায়িত্ব নয়? রাজনৈতিক বিদ্বেষের বলি হয়ে আর কত মানুষকে এমন অমানবিক পরিণতির শিকার হতে হবে?
অবনতি ঘটে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত থাকলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের অভাবে তার অবস্থা মারাত্মক রূপ নেয়। একপর্যায়ে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকেরা তার বাম পায়ে গ্যাংগ্রিন শনাক্ত করেন। জীবন রক্ষার শেষ উপায় হিসেবে চিকিৎসকদের বাধ্য হয়ে তার পা কেটে ফেলতে হয়। নাজিমুদ্দিনের পরিবার অভিযোগ করেছে, সময়মতো চিকিৎসা ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে এই ভয়াবহ পরিণতি এড়ানো সম্ভব ছিল। তাঁদের দাবি, রাজনৈতিক মামলায় কারাবন্দি করার পর তাকে পরিকল্পিতভাবে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা বলছেন, নাজিমুদ্দিনের ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা নয়। বরং দেশজুড়ে বিএনপির দায়ের করা মিথ্যা ও রাজনৈতিক মামলার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের
হয়রানি, নির্যাতন ও প্রতিশোধপরায়ণ রাজনীতিরই একটি নির্মম উদাহরণ এটি। এই ঘটনায় মানবাধিকারকর্মী ও সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছেন—একজন গুরুতর অসুস্থ বন্দির চিকিৎসা নিশ্চিত করা কি রাষ্ট্রের দায়িত্ব নয়? রাজনৈতিক বিদ্বেষের বলি হয়ে আর কত মানুষকে এমন অমানবিক পরিণতির শিকার হতে হবে?



