ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফেনীর ২৮ পাম্পেই মিলছে না অকটেন
কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম আটক
ফের ৬ দিনের রিমান্ডে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী
পল্লবীতে যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যায় দুই ‘শুটার’ গ্রেপ্তার
লরি থেকে ২০০০ লিটার পেট্রল ও ডিজেল উধাও, জেলা-জরিমানা
নেত্রকোনায় মজুত করা ৩৫০০ লিটার পেট্রল জব্দ
গ্রেফতার এড়াতে লাফ দিয়ে ডোবায় আসামি, ৫ ঘণ্টা পর উদ্ধার
বিএনপির মামলায় কারাবরণ; চিকিৎসা বিলম্বে কেটে ফেলতে হলো পেকুয়ার নাজিমুদ্দিনের পা
বিএনপির দায়ের করা ২০১৮ সালের নির্বাচনকেন্দ্রিক একটি মামলায় কারাবরণ করতে গিয়ে চিকিৎসা অবহেলার চরম মূল্য দিতে হলো পেকুয়ার নাজিমুদ্দিন নাজুকে। উচ্চমাত্রার ডায়াবেটিসে আক্রান্ত এই নির্দোষ ব্যক্তি সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত নিজের পা হারালেন—যা রাষ্ট্রীয় নিষ্ঠুরতা ও প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির এক ভয়াবহ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গত ৫ আগস্টের পর পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গোদারপাড় এলাকার বাসিন্দা নাজিমুদ্দিন নাজু বিএনপির দায়ের করা একটি তথাকথিত মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আদালতে হাজির হলেও মানবিক বিবেচনায় তাকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। স্থানীয়দের ভাষায়, এটি ছিল সম্পূর্ণ অমানবিক ও অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত।
কারাগারে থাকার সময় নাজিমুদ্দিনের শারীরিক অবস্থার দ্রুত
অবনতি ঘটে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত থাকলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের অভাবে তার অবস্থা মারাত্মক রূপ নেয়। একপর্যায়ে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকেরা তার বাম পায়ে গ্যাংগ্রিন শনাক্ত করেন। জীবন রক্ষার শেষ উপায় হিসেবে চিকিৎসকদের বাধ্য হয়ে তার পা কেটে ফেলতে হয়। নাজিমুদ্দিনের পরিবার অভিযোগ করেছে, সময়মতো চিকিৎসা ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে এই ভয়াবহ পরিণতি এড়ানো সম্ভব ছিল। তাঁদের দাবি, রাজনৈতিক মামলায় কারাবন্দি করার পর তাকে পরিকল্পিতভাবে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা বলছেন, নাজিমুদ্দিনের ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা নয়। বরং দেশজুড়ে বিএনপির দায়ের করা মিথ্যা ও রাজনৈতিক মামলার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের
হয়রানি, নির্যাতন ও প্রতিশোধপরায়ণ রাজনীতিরই একটি নির্মম উদাহরণ এটি। এই ঘটনায় মানবাধিকারকর্মী ও সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছেন—একজন গুরুতর অসুস্থ বন্দির চিকিৎসা নিশ্চিত করা কি রাষ্ট্রের দায়িত্ব নয়? রাজনৈতিক বিদ্বেষের বলি হয়ে আর কত মানুষকে এমন অমানবিক পরিণতির শিকার হতে হবে?
অবনতি ঘটে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত থাকলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের অভাবে তার অবস্থা মারাত্মক রূপ নেয়। একপর্যায়ে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকেরা তার বাম পায়ে গ্যাংগ্রিন শনাক্ত করেন। জীবন রক্ষার শেষ উপায় হিসেবে চিকিৎসকদের বাধ্য হয়ে তার পা কেটে ফেলতে হয়। নাজিমুদ্দিনের পরিবার অভিযোগ করেছে, সময়মতো চিকিৎসা ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে এই ভয়াবহ পরিণতি এড়ানো সম্ভব ছিল। তাঁদের দাবি, রাজনৈতিক মামলায় কারাবন্দি করার পর তাকে পরিকল্পিতভাবে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা বলছেন, নাজিমুদ্দিনের ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনা নয়। বরং দেশজুড়ে বিএনপির দায়ের করা মিথ্যা ও রাজনৈতিক মামলার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের
হয়রানি, নির্যাতন ও প্রতিশোধপরায়ণ রাজনীতিরই একটি নির্মম উদাহরণ এটি। এই ঘটনায় মানবাধিকারকর্মী ও সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছেন—একজন গুরুতর অসুস্থ বন্দির চিকিৎসা নিশ্চিত করা কি রাষ্ট্রের দায়িত্ব নয়? রাজনৈতিক বিদ্বেষের বলি হয়ে আর কত মানুষকে এমন অমানবিক পরিণতির শিকার হতে হবে?



