ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চবিতে পোস্টার হাতে ছাত্রলীগ নেতার অবস্থান
এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের টাকায় এনজিও অভিযোগ সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নওফেলের
এনসিপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে যা বললেন রুমিন ফারহানা
রাশেদ প্রধান লিমিট ক্রস করে বক্তব্য দিচ্ছে: রাশেদ খাঁন
বরিশাল নগরের প্রাণকেন্দ্রে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল
জামায়াত জোট জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধানের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ; পিএস জনি আটক
বিএনপির উদ্দেশে যা বললেন রুমিন ফারহানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুটি ইউনিয়ন) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে যাচাই-বাছাইয়ে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে যাচাই-বাছাই শেষে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান তার মনোনয়নপত্রটি বৈধ ঘোষণা করেন।
রুমিন ফারহানা ছাড়াও এই আসনে দাখিল করা ১১ প্রার্থীর সবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সাংবাদিকদের বলেন, মনোনয়ন না দেওয়ায় দলের প্রতি কোনো কষ্ট বা ক্ষোভ নেই। দলের যখন দুঃসময় ছিল তখন বেগম খালেদা জিয়া নেতৃত্বে ছিলেন। তিনি আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন সেটা অনেক সময় দেখা গেছে আমার বয়স এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার চেয়ে অনেক বড়।
সেই দায়িত্ব আমি অক্ষরে অক্ষরে পালন করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন যখন ২০১৮ সালের সংসদে, ২০১৯ সাল থেকে আমি জয়েন করি এবং সেখানে আমার ভূমিকা কী ছিল। দল যখন ২০২২ সালের ডিসেম্বরে আমাকে পদত্যাগ করতে বলে, আমি এক মুহূর্তও চিন্তা করিনি। যখন বলেছে, আমি সেই মুহূর্তেই পদত্যাগ করেছি। এরপরও দল যদি মনে করে নতুন নেতৃত্ব- তাকে আমি স্বাগত জানাই। দল যদি মনে করে যে, আমার সেবার আর প্রয়োজন নেই- ঠিক আছে। আমি আমার রাজনীতি চালিয়ে যাব। তিনি আরও বলেন, কিছু কিছু জায়গায় আমার কর্মীদেরকে বলা হচ্ছে যে তাদের ওপরে হয়তো মামলা দেয়া হবে। আমি বলেছি এরকম
কিছু হলে নিশ্চই প্রশাসনকে আমি সেটা জানাব। যদি এমন কিছু হয় যেটা আমার নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে এবং নেতাকর্মীদের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করবে, তাৎক্ষণিক আমি ব্যবস্থা নেব। উল্লেখ্য, জোটগত সমঝোতার অংশ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনটি জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহ-সভাপতি জুনায়েদ আল হাবিবকে ছেড়ে দেয় বিএনপি।
সেই দায়িত্ব আমি অক্ষরে অক্ষরে পালন করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন যখন ২০১৮ সালের সংসদে, ২০১৯ সাল থেকে আমি জয়েন করি এবং সেখানে আমার ভূমিকা কী ছিল। দল যখন ২০২২ সালের ডিসেম্বরে আমাকে পদত্যাগ করতে বলে, আমি এক মুহূর্তও চিন্তা করিনি। যখন বলেছে, আমি সেই মুহূর্তেই পদত্যাগ করেছি। এরপরও দল যদি মনে করে নতুন নেতৃত্ব- তাকে আমি স্বাগত জানাই। দল যদি মনে করে যে, আমার সেবার আর প্রয়োজন নেই- ঠিক আছে। আমি আমার রাজনীতি চালিয়ে যাব। তিনি আরও বলেন, কিছু কিছু জায়গায় আমার কর্মীদেরকে বলা হচ্ছে যে তাদের ওপরে হয়তো মামলা দেয়া হবে। আমি বলেছি এরকম
কিছু হলে নিশ্চই প্রশাসনকে আমি সেটা জানাব। যদি এমন কিছু হয় যেটা আমার নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে এবং নেতাকর্মীদের নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করবে, তাৎক্ষণিক আমি ব্যবস্থা নেব। উল্লেখ্য, জোটগত সমঝোতার অংশ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনটি জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহ-সভাপতি জুনায়েদ আল হাবিবকে ছেড়ে দেয় বিএনপি।



