ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
১৬ কোটি টাকা নিয়ে ভুয়া কাগজ! প্রেস সচিবের ভাইয়ের ধোঁকায় এখন নিঃস্ব ডা. শাহরিয়ার
নৌকা প্রতীক ছাড়া নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শেখ হাসিনা।
‘দায়মুক্তি’ শীর্ষক
নাইকোকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছিলেন শেখ হাসিনা, ক্ষতিপূরণ মিললো ৪২ মিলিয়ন ডলার
আওয়ামী লীগ ছাড়া ভোট হবে না, আমরাও কেন্দ্রে যাবো না” –নাগরিক কন্ঠ
ইউনুস রেজিমের বিচার, যেখানে আইন অপরাধীর দালাল আর রাষ্ট্র জনগণের সঙ্গে প্রতারণায় ব্যস্ত
পাকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট: বাংলাদেশ কি নিজেই নিজেকে ‘হাই-রিস্ক স্টেট’ বানাচ্ছে?
বাংলাদেশে আল-কায়েদা নেটওয়ার্ক বড় হচ্ছে, জঙ্গি আবদুল্লাহ মায়মুন আতঙ্কে সাধারণ মানুষ
সম্প্রতি আবদুল্লাহ মায়মুন জেল থেকে জামিন পেয়েছেন। বিভিন্ন সূত্র জানাচ্ছে, ২০১৪–২০১৫ সালের সময়ে মায়মুন আল-কায়েদার কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। তিনি ‘হানীন ইলদারম’ নামে লেখালেখি করতেন এবং আল-কায়েদার অনলাইন ফোরাম ‘দাওয়াহ ইলাল্লাহ’-এর সদস্য ছিলেন।
পরে, আল-কায়েদার দায়িত্বশীল সদস্যরা শারকিয়া নামে একটি গঠন তৈরি করলে, মায়মুন সেখানে যোগ দেন।
এ সময় তিনি পাহাড়ে অবস্থিত একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্রে অংশগ্রহণের ভিডিও তোলা হয়েছিল বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, ড. ইউনুস এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন, “বাংলাদেশে কোনো জঙ্গি নেই।” সম্ভবত তার বক্তব্যের অর্থ, বর্তমানে দেশের কারাগার বা রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হেফাজতে কোনো সক্রিয় জঙ্গি নেই। সূত্র বলছে, প্রাক্তন সদস্যরা বর্তমানে সাধারণ মুসলমান হিসেবে সমাজে ফিরে এসেছেন।
তবে কিছু রাজনৈতিক সমালোচক এবং অনলাইনে
প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে জনমনে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা বলছেন, প্রাক্তন আল-কায়েদা সদস্যদের মুক্তি জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক বাড়াচ্ছে। একাংশের অভিযোগ, প্রাক্তন সদস্যদের কিছু অংশ সরকারি কার্যক্রম বা রাজনৈতিক সংযোগে যুক্ত হয়েছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জনগণ সচেতন থাকলেও কাজ হবে না সরকার এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আল কায়দাসহ অন্যান্য জঙ্গিদের নিয়ন্ত্রন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও না করতে বিস্তার ঘটতে পারে। ২০০১ সালে বাংলাদেশে ৩ হাজার আল-কায়েদার সশস্ত্র যোদ্ধা ছিল। ২০০৯ সাল থেকে ২০২২ সালের দেশের ২৩ সাল পর্যন্ত আল কাদের অধিকাংশ জঙ্গি জেলে ছিল তাদের কার্যক্রম পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে ছিল। ২০২৪ জুলাই আন্দোলনের পর রাজনীতিক পথ পরিবর্তনের সাথে সাথে জঙ্গিরা জেল থেকে মুক্ত হয়
গত ১৫ মাসের পাকিস্তান এবং তুরস্কের সহযোগিতায় আল-কায়েদার কয়েক হাজার নতুন সদস্য তৈরি হয়েছে, যারা দেশের বিভিন্ন স্থানে ট্রেনিং ট্রেনিং দিয়ে সশস্ত্র যোদ্ধা হিসেবে পরিণত করেছে। তাদের হাতে আছে ভারী অস্ত্রশস্ত্র মিয়ানমারের আশা সদস্য রোহিঙ্গা আসা সহ কুকীচীন এবং ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী উলফা সংগঠনের সাথে তাদের সমন্বয় আছে। এখনই আল-কায়েদার নিয়ন্ত্রণ করার উদ্যোগ নেওয়া না হলে কঠিন আকার ধারণ করতে পারে।
প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে জনমনে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা বলছেন, প্রাক্তন আল-কায়েদা সদস্যদের মুক্তি জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক বাড়াচ্ছে। একাংশের অভিযোগ, প্রাক্তন সদস্যদের কিছু অংশ সরকারি কার্যক্রম বা রাজনৈতিক সংযোগে যুক্ত হয়েছে। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জনগণ সচেতন থাকলেও কাজ হবে না সরকার এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আল কায়দাসহ অন্যান্য জঙ্গিদের নিয়ন্ত্রন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও না করতে বিস্তার ঘটতে পারে। ২০০১ সালে বাংলাদেশে ৩ হাজার আল-কায়েদার সশস্ত্র যোদ্ধা ছিল। ২০০৯ সাল থেকে ২০২২ সালের দেশের ২৩ সাল পর্যন্ত আল কাদের অধিকাংশ জঙ্গি জেলে ছিল তাদের কার্যক্রম পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে ছিল। ২০২৪ জুলাই আন্দোলনের পর রাজনীতিক পথ পরিবর্তনের সাথে সাথে জঙ্গিরা জেল থেকে মুক্ত হয়
গত ১৫ মাসের পাকিস্তান এবং তুরস্কের সহযোগিতায় আল-কায়েদার কয়েক হাজার নতুন সদস্য তৈরি হয়েছে, যারা দেশের বিভিন্ন স্থানে ট্রেনিং ট্রেনিং দিয়ে সশস্ত্র যোদ্ধা হিসেবে পরিণত করেছে। তাদের হাতে আছে ভারী অস্ত্রশস্ত্র মিয়ানমারের আশা সদস্য রোহিঙ্গা আসা সহ কুকীচীন এবং ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী উলফা সংগঠনের সাথে তাদের সমন্বয় আছে। এখনই আল-কায়েদার নিয়ন্ত্রণ করার উদ্যোগ নেওয়া না হলে কঠিন আকার ধারণ করতে পারে।



