ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ডাবল সুপার ওভারের অবিশ্বাস্য রোমাঞ্চে আফগানিস্তানকে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে মুখ খুললেন গাঙ্গুলী
ধর্ষণ মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন ক্রিকেটার তোফায়েল
বিশ্বকাপ খেলতে নেমেই দ.আফ্রিকার রেকর্ড
বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস্তান ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রস্তাব
যৌন হয়রানির অভিযোগ করায় এক বছর নিষিদ্ধ শুটার কলি
পাক ভারত ম্যাচ আয়োজনে মরিয়া আইসিসি, নিলো নতুন পদক্ষেপ
বাংলাদেশি সব সাংবাদিকের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করল আইসিসি
ভারতে গিয়ে খেলতে না চাওয়ায় এরই মধ্যে টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশকে। পরিবর্তে আইসিসি অন্তর্ভুক্ত করে নিয়েছে স্কটল্যান্ডকে।
এবার নতুন খবর হচ্ছে, আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ কাভার করতে বাংলাদেশ থেকে অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডের জন্য যে সব সাংবাদিক আবেদন করেছিলেন আইসিসিতে, সবার আবেদনই বাতিল করে দেওয়া হয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। অর্থাৎ এবার বাংলাদেশ থেকে কোনো সাংবাদিকই যেতে পারছেন না টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কাভার করার জন্য।
পূর্বতন সূচি অনুসারে গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের ৩টি ম্যাচ ছিল কলকাতায় এবং একটি ম্যাচ ছিল মুম্বাইয়ে। বাংলাদেশের ম্যাচসহ পুরো বিশ্বকাপ কাভার করার জন্য আইসিসি নির্ধারিত ফর্ম ও বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে আবেদন করেছিলেন বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের সাংবাদিকরা।
বাংলাদেশ খেলতে যাক কিংবা না যাক, বিশ্বকাপ কাভার করার জন্য উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সাংবাদিকের ভারত এবং শ্রীলঙ্কায় যাওয়ার প্রস্তুতি ছিল। ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ সর্বপ্রথম বিশ্বকাপ খেলার সময় থেকে শুরু প্রতিটি আসরেই (ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টি) উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি সাংবাদিকের উপস্থিতি ছিল। শুধু তাই নয়, ১৯৯৯ বিশ্বকাপের আগেও, যখন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের উপস্থিতি ছিল না, তখনও অনেকগুলো বিশ্বকাপ আসর কাভার করার অভিজ্ঞতা ছিল বাংলাদেশের সাংবাদিকদের। ক্রিকেটপ্রেমী হিসেবে এদেশের মানুষের তুমুল আগ্রহ বিশ্বকাপ নিয়ে। এ কারণে প্রায় প্রতিটি মিডিয়া হাউসই বিশ্বকাপ কাভার করার জন্য সাংবাদিক প্রেরণ করে। আইসিসির এমন সিদ্ধান্তে তীব্র প্রতিবাদ এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দেশের ক্রীড়া সাংবাদিকরা। সেইসঙ্গে দেশের সর্বমহল থেকে প্রতিবাদ জানানোরও আহব্বান
জানিয়েছেন তারা।
বাংলাদেশ খেলতে যাক কিংবা না যাক, বিশ্বকাপ কাভার করার জন্য উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সাংবাদিকের ভারত এবং শ্রীলঙ্কায় যাওয়ার প্রস্তুতি ছিল। ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ সর্বপ্রথম বিশ্বকাপ খেলার সময় থেকে শুরু প্রতিটি আসরেই (ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টি) উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি সাংবাদিকের উপস্থিতি ছিল। শুধু তাই নয়, ১৯৯৯ বিশ্বকাপের আগেও, যখন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের উপস্থিতি ছিল না, তখনও অনেকগুলো বিশ্বকাপ আসর কাভার করার অভিজ্ঞতা ছিল বাংলাদেশের সাংবাদিকদের। ক্রিকেটপ্রেমী হিসেবে এদেশের মানুষের তুমুল আগ্রহ বিশ্বকাপ নিয়ে। এ কারণে প্রায় প্রতিটি মিডিয়া হাউসই বিশ্বকাপ কাভার করার জন্য সাংবাদিক প্রেরণ করে। আইসিসির এমন সিদ্ধান্তে তীব্র প্রতিবাদ এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দেশের ক্রীড়া সাংবাদিকরা। সেইসঙ্গে দেশের সর্বমহল থেকে প্রতিবাদ জানানোরও আহব্বান
জানিয়েছেন তারা।



