
ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর

‘আদালতের প্রতি আস্থা নেই, জামিন চাইব না’- বীর মুক্তিযোদ্ধা লতিফ সিদ্দিকীর সদর্প উচ্চারণ

দারিদ্র্য নিয়ে পিপিআরসির তথ্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা

আগামীকাল শিক্ষকদের সমাবেশ বাধাগ্রস্থ করার সরকারি নীলনকশা : সত্যিকারের ফ্যাসিবাদের বহিঃপ্রকাশ

সহিংসতার ঘটনায় সেনাবাহিনীর বিবৃতি

হেনস্তার শিকার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেই মামলা, মবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে লাগবে ‘অভিযোগ’

মুক্তিযোদ্ধা, অধ্যাপক, সাংবাদিককে দল বেঁধে পে/টা/লো জামাত-বিএনপি জোট

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় বাবার জবানবন্দি: ঘটনার একদিন পরে দাফন ও গোসলের সময় মাথার পেছন থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছিলো
বাংলাদেশিসহ ১০৪ বিদেশিকে মালয়েশিয়ায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (কেএলআইএ) ১০৪ জন বিদেশিকে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মালয়েশিয়ান সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষা সংস্থা (একেপিএস)।১৯৫৯/৬৩ সালের ইমিগ্রেশন আইনের আওতায় প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের দেশে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।
একেপিএস’র এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২৯ আগস্ট) বিমানবন্দরে কঠোর পরিদর্শন ও স্ক্রিনিং প্রক্রিয়ায় ওই বিদেশিদের শনাক্ত করা হয়। অধিকাংশ যাত্রী বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান থেকে এসেছিলেন। তবে কতজন বাংলাদেশি রয়েছেন- তা বিবৃতিতে নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি।
শনিবার (৩০ আগস্ট) সিনার হারিয়ান পত্রিকার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নিষিদ্ধ যাত্রীদের মধ্যে কেউ মালয়েশিয়ায় আসার উদ্দেশ্য স্পষ্ট করতে পারেননি, কারো বৈধ রিটার্ন টিকিট ছিল না, আবার কেউ থাকার সঠিক ব্যবস্থা
দেখাতে ব্যর্থ হন। এমনকি অনেকের প্রদত্ত কারণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় প্রবেশাধিকার প্রত্যাখ্যান করা হয়। এদিকে একেপিএস জানিয়েছে, পূর্বে প্রবেশাধিকার প্রত্যাখ্যাত হওয়া আরও ২৮৮ জন যাত্রী এখনো কেএলআইএতে অবস্থান করছেন। তাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া চলছে। একেপিএস বলেছে, ‘মালয়েশিয়ার প্রবেশপথগুলোর নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা বজায় রাখতে সংস্থাটি দৃঢ় পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে। শুধুমাত্র নির্ধারিত শর্ত পূরণকারীদের দেশটিতে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে।’
দেখাতে ব্যর্থ হন। এমনকি অনেকের প্রদত্ত কারণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় প্রবেশাধিকার প্রত্যাখ্যান করা হয়। এদিকে একেপিএস জানিয়েছে, পূর্বে প্রবেশাধিকার প্রত্যাখ্যাত হওয়া আরও ২৮৮ জন যাত্রী এখনো কেএলআইএতে অবস্থান করছেন। তাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া চলছে। একেপিএস বলেছে, ‘মালয়েশিয়ার প্রবেশপথগুলোর নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা বজায় রাখতে সংস্থাটি দৃঢ় পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে। শুধুমাত্র নির্ধারিত শর্ত পূরণকারীদের দেশটিতে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে।’