ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মৃত্যু বেড়ে ৮
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কাঁচপুরে
অর্থপাচার মামলায় এনু-রুপনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা
‘নাই বাওয়া, হামার কিচ্ছু নাই, ঘর-বাড়ি সব হারাচি’
‘খালেদা জিয়া ১ টাকা রেখে পুরো বেতন এতিমখানায় দান করে দিতেন’, জানালেন প্রেস সচিব
আগস্টেই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ যুক্ত হবে জাতীয় গ্রিডে, জানালেন মন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী: দায়িত্বে পেয়েও পরিকল্পনার অনেক কিছুই বাস্তবায়ন করতে পারেননি আসিফ নজরুল
বর্তমান সরকার ‘জঙ্গি তোষণকারী’, আসন্ন নির্বাচন ‘সাজানো নাটক’: সজীব ওয়াজেদ জয়
বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ‘অনির্বাচিত’ এবং ‘ইসলামপন্থীদের দ্বারা পরিচালিত’ বলে অভিহিত করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। সম্প্রতি দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি অভিযোগ করেন, আসন্ন নির্বাচন একটি ‘প্রহসন’ এবং ‘সাজানো নাটক’, যার মাধ্যমে একটি দুর্বল ও পুতুল সরকার প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
সন্ত্রাসীদের মুক্তি ও সরকারের স্বরূপ
জয় তার বক্তব্যে অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই হলি আর্টিজান হামলার আসামিসহ দণ্ডপ্রাপ্ত জঙ্গিদের কারাগার থেকে মুক্তি দিয়েছে। তিনি বলেন, “এই সরকার মূলত ইসলামপন্থীদের দ্বারা গঠিত এবং তাদের কাছে দায়বদ্ধ। আল-কায়েদা ও তালেবান কমান্ডাররা এখন প্রকাশ্যে বাংলাদেশে সমাবেশ করছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।” তিনি আরও বলেন, ‘মব
জাস্টিস’-এর নামে বিচারক, পুলিশ ও গণমাধ্যমের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং প্রগতিশীল শক্তির কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে। নির্বাচনে কারচুপি ও পোস্টাল ভোট আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, “এটি কোনো নির্বাচন নয়, এটি একটি শো।” তিনি দাবি করেন, ব্যালট বাসিং ধরা পড়ার ভয়ে সরকার এবার পোস্টাল ভোটের ওপর নির্ভর করছে। তার অভিযোগ, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশ থেকে হাজার হাজার পোস্টাল ব্যালট আগেই জামায়াতের পক্ষে এবং গণভোটের ‘হ্যাঁ’ মার্কায় পূরণ করে রাখা হচ্ছে। বিদেশি পর্যবেক্ষক বা সাংবাদিকদের এই পোস্টাল ভোট যাচাইয়ের কোনো সুযোগ নেই। বিএনপি ও মার্কিন প্রভাব বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সমালোচনা করে জয় বলেন, বিএনপি এখন মার্কিন দূতাবাসের ‘পুতুল’ হিসেবে কাজ করছে।
তিনি বলেন, “তারেক রহমান মূলত এফবিআই-এর সাক্ষ্যের ভিত্তিতে দণ্ডিত হয়েছিলেন। আমেরিকা চাইলেই তাকে দুর্নীতির দায়ে গ্রেপ্তার করতে পারে। এই ভয়েই বিএনপি হঠাৎ করে তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে গণভোটের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।” জয়ের মতে, আমেরিকা বাংলাদেশে একটি দুর্বল কোয়ালিশন সরকার চায়, যাকে তারা সহজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। ভারতের নিরাপত্তা ঝুঁকি ভিডিও বার্তায় ভারতের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন জয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, “আওয়ামী লীগ বা প্রগতিশীল দলগুলো মাঠে না থাকায় জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রকৃত জনসমর্থনের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষমতাশালী হয়ে উঠবে। এটি ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তের নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।” তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগের ১৭ বছরের
শাসনামলেই কেবল ভারতের সীমান্ত নিরাপদ ছিল এবং বাংলাদেশ সন্ত্রাসমুক্ত ছিল। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান বক্তব্যের শেষে সজীব ওয়াজেদ জয় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান যেন তারা এখনই এই নির্বাচনকে ‘অবাধ ও সুষ্ঠু নয়’ বলে ঘোষণা করে। তিনি বলেন, “আগামী ৫-১০ বছরের জন্য বাংলাদেশে উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদকে একটি বড় শক্তিতে পরিণত হওয়া থেকে আটকানোর এটিই শেষ সুযোগ। যদি এখনই পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে সংখ্যালঘুরা দেশ ছাড়তে বাধ্য হবে এবং বাংলাদেশ একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।” এই প্রতিবেদনটি সজীব ওয়াজেদ জয়ের ভিডিও বার্তার বক্তব্যের সারসংক্ষেপ।
জাস্টিস’-এর নামে বিচারক, পুলিশ ও গণমাধ্যমের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং প্রগতিশীল শক্তির কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে। নির্বাচনে কারচুপি ও পোস্টাল ভোট আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, “এটি কোনো নির্বাচন নয়, এটি একটি শো।” তিনি দাবি করেন, ব্যালট বাসিং ধরা পড়ার ভয়ে সরকার এবার পোস্টাল ভোটের ওপর নির্ভর করছে। তার অভিযোগ, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশ থেকে হাজার হাজার পোস্টাল ব্যালট আগেই জামায়াতের পক্ষে এবং গণভোটের ‘হ্যাঁ’ মার্কায় পূরণ করে রাখা হচ্ছে। বিদেশি পর্যবেক্ষক বা সাংবাদিকদের এই পোস্টাল ভোট যাচাইয়ের কোনো সুযোগ নেই। বিএনপি ও মার্কিন প্রভাব বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সমালোচনা করে জয় বলেন, বিএনপি এখন মার্কিন দূতাবাসের ‘পুতুল’ হিসেবে কাজ করছে।
তিনি বলেন, “তারেক রহমান মূলত এফবিআই-এর সাক্ষ্যের ভিত্তিতে দণ্ডিত হয়েছিলেন। আমেরিকা চাইলেই তাকে দুর্নীতির দায়ে গ্রেপ্তার করতে পারে। এই ভয়েই বিএনপি হঠাৎ করে তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে গণভোটের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।” জয়ের মতে, আমেরিকা বাংলাদেশে একটি দুর্বল কোয়ালিশন সরকার চায়, যাকে তারা সহজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। ভারতের নিরাপত্তা ঝুঁকি ভিডিও বার্তায় ভারতের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন জয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, “আওয়ামী লীগ বা প্রগতিশীল দলগুলো মাঠে না থাকায় জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রকৃত জনসমর্থনের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষমতাশালী হয়ে উঠবে। এটি ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তের নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।” তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগের ১৭ বছরের
শাসনামলেই কেবল ভারতের সীমান্ত নিরাপদ ছিল এবং বাংলাদেশ সন্ত্রাসমুক্ত ছিল। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান বক্তব্যের শেষে সজীব ওয়াজেদ জয় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান যেন তারা এখনই এই নির্বাচনকে ‘অবাধ ও সুষ্ঠু নয়’ বলে ঘোষণা করে। তিনি বলেন, “আগামী ৫-১০ বছরের জন্য বাংলাদেশে উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদকে একটি বড় শক্তিতে পরিণত হওয়া থেকে আটকানোর এটিই শেষ সুযোগ। যদি এখনই পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে সংখ্যালঘুরা দেশ ছাড়তে বাধ্য হবে এবং বাংলাদেশ একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।” এই প্রতিবেদনটি সজীব ওয়াজেদ জয়ের ভিডিও বার্তার বক্তব্যের সারসংক্ষেপ।



