ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাবেক প্রধান বিচারপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি পেছাল
৫৫ লাখ গ্রাহক ২৬৪ কোটি টাকার ফাঁদে: প্রিপেইড মিটার ভাড়া নিয়ে বিএনপির প্রচারণা ছিলো গুজব
রোহিঙ্গাদের হাতে ৮ হাজার একর বনভূমি উজাড়ের ফল: পাহাড় ধসে ৩ ঘণ্টায় ঝরল ৯টি প্রাণ
অ্যাটর্নি জেনারেলকে সহকারীর থাপ্পড়, সুপ্রিম কোর্টে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দ্বন্দ্ব চরমে
একই গ্রাহকের একই ব্যবহারে প্রি-পেইড মিটারে জুনে বিদ্যুৎ বিল দ্বিগুণ-তিন গুণ!
পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করবে সরকার
রাষ্ট্রপতি: গ্রামবাংলা আমাদের শিকড়, শক্তি ও সম্ভাবনার আধার
বরখাস্ত হচ্ছেন শেকৃবির ১৮ কর্মকর্তা-কর্মচারী
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) ১৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী সাময়িক বরখাস্ত হতে যাচ্ছেন। জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে অবস্থান এবং স্বৈরাচারী সরকারের অনুগতদের প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা ও আন্দোলন দমনে তাদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সাময়িক বরখাস্ত হতে যাচ্ছেন হুমায়ুন কবির (ডেপুটি রেজিস্ট্রার), মোশাররফ হোসেন (অতিরিক্ত পরিচালক বহিরাঙ্গন), মোস্তফা কামাল রিপন (সাবেক জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক), শহিদুল ইসলাম (ডেপুটি রেজিস্ট্রার), ইব্রাহিম খলিল (ডেপুটি রেজিস্ট্রার), ইলিয়াছুর রহমান ও শামসুল হক সাগর। কর্মচারীদের মধ্যে রয়েছেন পলাশ কান্তি, শ্যামল চন্দ্র, জামান সরকার, আরিফুল ইসলাম, আলামিন, রুবেল, লুৎফর রহমান, কামাল, জমিরউদ্দীন, সঞ্জিত সিংহ।
উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. বেলাল হোসেন বলেন, সাত সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটির সুপারিশে সাত
কর্মকর্তা ও ১১ জন কর্মচারীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হবে। তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণে অভিযুক্তদের দলীয় আনুগত্যের মাধ্যমে প্রশাসনের সহায়তায় আন্দোলন দমন এবং শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করার তথ্য উঠে আসে। উল্লেখ্য, একই সভায় ১২ জন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত আসে। একই সঙ্গে সাবেক উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও ট্রেজারারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে মন্ত্রণালয়ে তথ্য পাঠানো হয়েছে।
কর্মকর্তা ও ১১ জন কর্মচারীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হবে। তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণে অভিযুক্তদের দলীয় আনুগত্যের মাধ্যমে প্রশাসনের সহায়তায় আন্দোলন দমন এবং শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করার তথ্য উঠে আসে। উল্লেখ্য, একই সভায় ১২ জন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত আসে। একই সঙ্গে সাবেক উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও ট্রেজারারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে মন্ত্রণালয়ে তথ্য পাঠানো হয়েছে।



