ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের বিরুদ্ধে আয়কর ফাঁকি ও অর্থ পাচারের অভিযোগ
জুলাই বিক্ষোভে নির্মমভাবে পুলিশ হত্যা: দাবি আদায়ের নামে রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে পঙ্গু করার জঙ্গি পরিকল্পনা?
গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে সরলো জামায়াতপন্থী লে. জেনারেলসহ শীর্ষ ৬ কর্মকর্তা
গণভোটে অতিরিক্ত দেখানো ৯ লাখ ‘হ্যাঁ’ ভোট বাদ দিল নির্বাচন কমিশন
পুলিশে শিগগিরই বিশাল নিয়োগ: ১০ হাজার কনস্টেবল, শূন্যপদে ১৮০ সার্জেন্ট
অনলাইন পোর্টাল ও আইপি টিভি নীতিমালার আওতায় আনা হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী
২১শে ফেব্রুয়ারিতে ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী দলকে বাধা এবং রাজাকারের নামে স্লোগান ইতিহাসকে বদলে দেবার চক্রান্ত!
বঙ্গোপসাগরে নিরাপত্তা জোরদার: বাংলাদেশ নিয়ে উদ্বেগের জেরে পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা উপকূলে নজরদারি বাড়াচ্ছে ভারত
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কিছু সামুদ্রিক কর্মকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে ভারত সরকার বঙ্গোপসাগরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে ভারতীয় কোস্ট গার্ড পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশা উপকূল বরাবর তাদের নজরদারি বাড়াচ্ছে, যা দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে নতুন উত্তেজনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ভারতীয় কোস্ট গার্ড সূত্রে খবর, ওড়িশার গোপালপুর এবং ধামরা-র মতো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে টহল উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে সন্দেহজনক গতিবিধি আরও দ্রুত এবং নিখুঁতভাবে শনাক্ত করার জন্য নতুন ড্রোন ইউনিট স্থাপন করা হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে সমুদ্রপথে যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ বা অবৈধ কার্যকলাপ কঠোরভাবে দমন করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
নয়াদিল্লির এই পদক্ষেপের পেছনে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কিছু সীমান্ত ও সামুদ্রিক কার্যকলাপকে মূল
কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি, তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, সমুদ্রসীমায় বাংলাদেশি নৌযান বা ট্রলারের সন্দেহজনক গতিবিধি এবং কিছু ক্ষেত্রে নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনা ভারতের উপকূলীয় নিরাপত্তায় উদ্বেগ তৈরি করেছে। ভারত স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইছে যে, দেশের উপকূল নিরাপত্তায় কোনো ধরনের আপস করা হবে না। এই নজরদারি বৃদ্ধিকে একটি বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেও দেখছেন অনেকে। একটি মহলের দাবি, ভারত শুধু সামুদ্রিক নজরদারিতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং ধীরে ধীরে বাংলাদেশের চারদিকে তার সামরিক ও কৌশলগত উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। যদিও ভারত সরকার এটিকে রুটিন নিরাপত্তা মহড়া হিসেবেই ব্যাখ্যা করছে, তবে এই পদক্ষেপ প্রতিবেশী দেশের ওপর কৌশলগত চাপ তৈরির একটি প্রচেষ্টা হতে
পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, বঙ্গোপসাগরে ভারতের এই বাড়তি তৎপরতা উপকূলীয় সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রতিবেশী বাংলাদেশের প্রতি একটি কড়া বার্তা বলে মনে করা হচ্ছে। আগামী দিনে এই অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর থাকবে আন্তর্জাতিক মহলের।
কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি, তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, সমুদ্রসীমায় বাংলাদেশি নৌযান বা ট্রলারের সন্দেহজনক গতিবিধি এবং কিছু ক্ষেত্রে নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনা ভারতের উপকূলীয় নিরাপত্তায় উদ্বেগ তৈরি করেছে। ভারত স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইছে যে, দেশের উপকূল নিরাপত্তায় কোনো ধরনের আপস করা হবে না। এই নজরদারি বৃদ্ধিকে একটি বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেও দেখছেন অনেকে। একটি মহলের দাবি, ভারত শুধু সামুদ্রিক নজরদারিতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং ধীরে ধীরে বাংলাদেশের চারদিকে তার সামরিক ও কৌশলগত উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। যদিও ভারত সরকার এটিকে রুটিন নিরাপত্তা মহড়া হিসেবেই ব্যাখ্যা করছে, তবে এই পদক্ষেপ প্রতিবেশী দেশের ওপর কৌশলগত চাপ তৈরির একটি প্রচেষ্টা হতে
পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, বঙ্গোপসাগরে ভারতের এই বাড়তি তৎপরতা উপকূলীয় সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রতিবেশী বাংলাদেশের প্রতি একটি কড়া বার্তা বলে মনে করা হচ্ছে। আগামী দিনে এই অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর থাকবে আন্তর্জাতিক মহলের।



