ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৭৯ জনের বিশাল লটবহর নিয়ে ইউনূসের আজারবাইজান সফরে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থব্যয়
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প সম্পর্কে অসত্য তথ্য দিচ্ছেন
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: বিচার চাইতে গিয়ে উল্টো প্রাণ বাঁচাতে পালাচ্ছেন নিহত উক্যছাইং-এর পিতা
২৪-২৫ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের ৪৫ হাজার কোটি টাকা থেকে ইউনূস-নুরজাহান জুটির ব্যয় মাত্র ১৭%
একটি সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল, কবে থেকে মিলছে ঈদের ছুটি
অস্ট্রেলিয়ায় উগ্রবাদে জড়িত সন্দেহে বুলবুলপুত্রের বিরুদ্ধে তদন্ত: ইহুদি-খ্রিস্টান বিদ্বেষ প্রসারে আজহারির সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগ
‘হ্যাঁ’ ভোট প্রচারে ১৪২ কোটি টাকার অবৈধ ব্যয়: ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে আইনি নোটিশ
বকেয়া বেতনের দাবি : সিলেটে চা শ্রমিকদের ৩ ঘন্টা সড়ক অবরোধ
সিলেটে ৩ ঘন্টা সড়ক অবরোধের পর আন্দোলন প্রত্যাহার করেছেন চা শ্রমিকরা। প্রশাসনের আশ্বাসে তারা অবরোধ তুলে নেন। বকেয়া বেতন, বোনাস ও রেশন পরিশোধ, বসত বাড়ি নির্মাণ ও মেরামত, চিকিৎসা সেবা চালু ও ঔষধ প্রদান, চা বাগানের গাছ কাটা ও বিক্রি বন্ধসহ বেশ কযেকটি দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন চা শ্রমিকরা।
আজ রোববার (৪ মে) বেলা সাড়ে ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত বিমানবন্দর-আম্বরখানা সড়কের মালনীছড়া এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন তারা।
অবরোধ চলাকালে শ্রমিকরা বলেন, বেতন ও রেশন না পাওয়ায় খেয়ে না খেয়ে দিন পার করছেন তারা। বুরজান চা-কোম্পানির অধীনে থাকা আড়াই হাজার শ্রমিকের বেতন-রেশন ও বোনাস বকেয়া পড়েছে। তাদের ছেলে-মেয়েরা তিন বেলা খাবার খেতে পারছে না।
পড়াশোনায় সমস্যা হচ্ছে। মলিকপক্ষ বেতন দিচ্ছে-দিচ্ছে বলে যাচ্ছে। কবে তাদের বেতন দেবে তার ঠিক নেই। অবরোধের ফলে বন্ধ হয়ে যায় আম্বরখানা-বিমানবন্দর সড়কে যান চলাচল। আটকা পড়ে শত শত গাড়ি, সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজটের। খবর পেয়ে বিমানবন্দর থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে চেষ্টা চালায়। পরে বিকেল ৩টায় স্থানীয় প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন চা শ্রমিকরা। ১০ জনের একটি প্রতিনিধি দল স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে গিয়ে লিখিতভাবে তাদের দাবি জানান। এসময় ইউএনও আশ্বাস দিলে চা শ্রমিকরা তাদের দাবি পূরণে এক সপ্তাহের সময় বেধে দিয়ে আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন।
পড়াশোনায় সমস্যা হচ্ছে। মলিকপক্ষ বেতন দিচ্ছে-দিচ্ছে বলে যাচ্ছে। কবে তাদের বেতন দেবে তার ঠিক নেই। অবরোধের ফলে বন্ধ হয়ে যায় আম্বরখানা-বিমানবন্দর সড়কে যান চলাচল। আটকা পড়ে শত শত গাড়ি, সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজটের। খবর পেয়ে বিমানবন্দর থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে চেষ্টা চালায়। পরে বিকেল ৩টায় স্থানীয় প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন চা শ্রমিকরা। ১০ জনের একটি প্রতিনিধি দল স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে গিয়ে লিখিতভাবে তাদের দাবি জানান। এসময় ইউএনও আশ্বাস দিলে চা শ্রমিকরা তাদের দাবি পূরণে এক সপ্তাহের সময় বেধে দিয়ে আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন।



