ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আগামী কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, জানালো ইরান
শেষ পর্যন্ত ইরানের দ্বারস্থ হলো সৌদি আরব
হরমুজ প্রণালি বন্ধ করল ইরান
৪০ দিন পর খুলল আল-আকসা, মুসল্লিদের ঢল
দেশ রক্ষায় কোটি ইরানি জীবন দিতে প্রস্তুত: প্রেসিডেন্ট
আজ রাতেই ইরানি সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাবে: ট্রাম্প
সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেলের পাইপলাইনে হামলা ইরানের
ফিলিস্তিনি বন্দিদের জোর করে নির্বাসনে পাঠাবে ইসরাইল
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় থেমেছে দখলদার ইসরাইলের আগ্রাসন। যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে গাজায় বন্দি থাকা ইসরাইলি জিম্মিদের সোমবার মুক্তি দিয়েছে হামাস। এদিন বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেয় ইসরাইল।
তবে কাতার ভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি পরিবারের কাছে এই মুক্তির আনন্দ পরিণত হয়েছে বিষাদে। খুব কাছে থেকেও প্রিয়জনকে পাবার আশা ফুরাচ্ছে। তারা জানতে পেরেছে তাদের প্রিয়জনদের তৃতীয় কোনো এক দেশে নির্বাসনে পাঠানো হবে।
ফিলিস্তিনি বন্দিদের মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার (১৩ অক্টোবর) মুক্তি পাওয়া কমপক্ষে ১৫৪ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে ইসরাইল জোরপূর্বক নির্বাসনে পাঠাবে। নির্বাসনে পাঠানো এসব বন্দি ইসরাইল থেকে মুক্তি পাওয়া ফিলিস্তিনিদের বড় একটি অংশের অন্তর্ভুক্ত।
আল জাজিরা জানিয়েছে, মোট প্রায় ২৫০
জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে ইসরাইলি কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি গাজা উপত্যকা থেকে আটক করা প্রায় ১,৭০০ ফিলিস্তিনিকেও ধরা হচ্ছে। যারা গত দুই বছর ধরে ইসরাইলের যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে আটক হন। তবে এখনো নিশ্চিত নয়, মুক্তি পাওয়া ফিলিস্তিনিদের কোথায় পাঠানো হবে। গত জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত এক বন্দি বিনিময়ের সময়, মুক্তি পাওয়া বহু বন্দিকে তিউনিসিয়া, আলজেরিয়া এবং তুরস্কসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক দেশে নির্বাসিত করা হয়েছিল। জাতিসংঘের মতে, এদের অনেককেই ‘জবরদস্তিমূলকভাবে অদৃশ্য’ করা হয়েছিল। এদিকে সোমবার হামাস এবং অন্যান্য ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলো গাজায় যুদ্ধবিরতির চুক্তির আওতায় ২০ জন ইসরাইলি বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, হামাসের হাতে থাকা জীবিত সব জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হবে এবং বিনিময়ে ইসরাইলও
দুই হাজার ফিলিস্তিনি বন্দিকে ছেড়ে দেবে।
জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে ইসরাইলি কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি গাজা উপত্যকা থেকে আটক করা প্রায় ১,৭০০ ফিলিস্তিনিকেও ধরা হচ্ছে। যারা গত দুই বছর ধরে ইসরাইলের যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে আটক হন। তবে এখনো নিশ্চিত নয়, মুক্তি পাওয়া ফিলিস্তিনিদের কোথায় পাঠানো হবে। গত জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত এক বন্দি বিনিময়ের সময়, মুক্তি পাওয়া বহু বন্দিকে তিউনিসিয়া, আলজেরিয়া এবং তুরস্কসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক দেশে নির্বাসিত করা হয়েছিল। জাতিসংঘের মতে, এদের অনেককেই ‘জবরদস্তিমূলকভাবে অদৃশ্য’ করা হয়েছিল। এদিকে সোমবার হামাস এবং অন্যান্য ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলো গাজায় যুদ্ধবিরতির চুক্তির আওতায় ২০ জন ইসরাইলি বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, হামাসের হাতে থাকা জীবিত সব জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হবে এবং বিনিময়ে ইসরাইলও
দুই হাজার ফিলিস্তিনি বন্দিকে ছেড়ে দেবে।



