ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সীমান্তের ১৮ ফাঁকফোকর দিয়ে ঢুকছে আগ্নেয়াস্ত্র
৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও আগামীর রণধ্বনি
প্রথা ভেঙে বিএনপি অফিসে এনএসআই প্রধান, তারেক রহমানের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক
সীমান্তের ১৮ ফাঁকফোকর দিয়ে ঢুকছে আগ্নেয়াস্ত্র
৩০ কার্যদিবসের মধ্যে হাদি হত্যার বিচার না হলে সরকার পতনের আন্দোলন: ইনকিলাব মঞ্চ
দেশকে অন্ধকার থেকে বাঁচান’: ২০২৬-এর নতুন বছরে ঐক্যের ডাক শেখ হাসিনার
এখনও ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ ভোট আওয়ামী লীগের’— নির্বাচনের সমীকরণ জানালেন সাধারণ জনতা
ফিনিক্স পাখির মতো ভস্ম থেকে জেগে ওঠার শপথ: ৭৮-এ মানবিকতাই আমাদের হাতিয়ার
লেখক: এম. এ. আহাদ চৌধুরী রায়হান
আজ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ১৯৪৮ সালের ৪ঠা জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে চারাগাছটি রোপণ করেছিলেন, তা আজ মহীরুহে পরিণত হয়েছে। কিন্তু এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে ভিন্ন, কঠিন এবং অগ্নিগর্ভ। মা, মাটি ও মানুষের প্রয়োজনে গড়ে ওঠা দক্ষিণ এশিয়ার এই প্রাচীনতম সংগঠনটি আজ ইতিহাসের এক চরম সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে, যখন অবৈধ দখলদার সরকারের স্টিমরোলার চলছে আমাদের ওপর, তখন ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কেক কাটার উৎসব নয়, বরং ৭৮ জন অসহায় মানুষের দুঃখ লাঘবের দায়িত্ব নিয়ে আমরা প্রমাণ করতে চাই—ছাত্রলীগ মানেই মানবিকতা, ছাত্রলীগ মানেই আর্তমানবতার সেবক।
দেশের প্রয়োজনে ও দেশমাতৃকার সেবায়
ছাত্রলীগের কর্মীরা আজ শত নির্যাতনের শিকার। নিজেদের জান-মালের নিরাপত্তা নেই, তবুও হাজারো কষ্ট বুকে চেপে তারা সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে যে, মানবিক শিক্ষার্থীরাই প্রকৃতপক্ষে ছাত্রলীগ করে। অতীতে আমাদের এই প্রাণের সংগঠনের সুনাম নষ্ট করার লক্ষে ‘রগ কাটা’ উপাধিপ্রাপ্ত জামাত-শিবিরেরা সুকৌশলে অনুপ্রবেশ করেছিল। তাদের সেই মুনাফেকি কর্মকাণ্ড এবং মুখোশ আজ দেশের সকল মানুষের কাছে পরিষ্কার। যারা আজ দেশ চালাচ্ছে, তাদের দোসররাই একসময় আমাদের ভেতর ঢুকে অরাজকতা সৃষ্টি করে ছাত্রলীগকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করেছিল। আজ শিক্ষা, শান্তি ও প্রগতির পতাকাবাহী সংগঠনের ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দেশের সর্বস্তরের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে জানাই আমাদের আহত হৃদয়ের রক্তক্ষরণ
থেকে উঠে আসা শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। আমরা জানি, দেশের মানুষ আজ কেউ শান্তিতে নেই। যে ক্যাম্পাসগুলো বিগত সময়ে শান্তির অভয়ারণ্য ছিল, আজ সেখানে অনাকাঙ্ক্ষিত অস্থিরতা। ক্যাম্পাসে নিজেদের আজ্ঞাবহ লোক বসানোর জন্য 'রাজাকারের বাচ্চারা' আজ বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা আমাদের পিতৃতুল্য শিক্ষকদের মানহানি করছে, এমনকি পৈশাচিক উল্লাসে ছাত্র হয়ে শিক্ষকের গায়ে হাত তোলার মতো জঘন্য পাপকাজ প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছে। বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নজিরবিহীন অবনতিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্বাভাবিক শিক্ষাব্যবস্থা আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। কিন্তু আমি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই—ইতিহাস সাক্ষী, ছাইচাপা দিলেই আগুন মরে যায় না। ইনশাআল্লাহ, বরাবরের ন্যায় এবারও দেশের মানুষের এই ক্রান্তিলগ্নে আলোর দিশারি হয়ে ছাত্রলীগ জেগে
উঠবে। পেছনের সকল সময়ের চাইতে শতগুণ শক্তি, সাহস আর বুকভরা ভালোবাসা নিয়ে শান্তিকামী দেশপ্রেমিক শিক্ষার্থীরাই এই অমানিশার অন্ধকার দূর করবে। আমাদের লক্ষ্য স্থির, উদ্দেশ্য সৎ। আমরা পুনরায় দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শান্তিপূর্ণ, পড়াশোনার উপযোগী ও শিক্ষার্থীবান্ধব করে গড়ে তুলব। এই আহত ও ক্ষতবিক্ষত দেশকে একটি শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে পুনর্গঠন করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ভিশন বাস্তবায়নে আমরা জীবনবাজি রেখে লড়ব। আজ যারা এই শান্তিপূর্ণ দেশকে অস্থিতিশীল করেছে, যারা আপনার ভাই, বন্ধু ও সহপাঠীকে কেবলমাত্র ছাত্রলীগ করার ‘অপরাধে’ নাগরিক অধিকার ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করেছে, যারা শিক্ষার্থীদের আবেগকে ব্যবহার করে নিজেদের অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করছে—তাদের বিরুদ্ধে দেশের সকল দেশপ্রেমিক শিক্ষার্থীদের
স্ব স্ব অবস্থান থেকে গর্জে ওঠার আহ্বান জানাচ্ছি। আসুন, আমরা আমাদের মাতৃভূমিকে আবারও নিরাপদ করি। সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে আমাদের এই লড়াই থামবে না। Let's Make Bangladesh Safe Again. জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। এম. এ. আহাদ চৌধুরী রায়হান সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।
ছাত্রলীগের কর্মীরা আজ শত নির্যাতনের শিকার। নিজেদের জান-মালের নিরাপত্তা নেই, তবুও হাজারো কষ্ট বুকে চেপে তারা সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে যে, মানবিক শিক্ষার্থীরাই প্রকৃতপক্ষে ছাত্রলীগ করে। অতীতে আমাদের এই প্রাণের সংগঠনের সুনাম নষ্ট করার লক্ষে ‘রগ কাটা’ উপাধিপ্রাপ্ত জামাত-শিবিরেরা সুকৌশলে অনুপ্রবেশ করেছিল। তাদের সেই মুনাফেকি কর্মকাণ্ড এবং মুখোশ আজ দেশের সকল মানুষের কাছে পরিষ্কার। যারা আজ দেশ চালাচ্ছে, তাদের দোসররাই একসময় আমাদের ভেতর ঢুকে অরাজকতা সৃষ্টি করে ছাত্রলীগকে কলঙ্কিত করার চেষ্টা করেছিল। আজ শিক্ষা, শান্তি ও প্রগতির পতাকাবাহী সংগঠনের ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দেশের সর্বস্তরের শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে জানাই আমাদের আহত হৃদয়ের রক্তক্ষরণ
থেকে উঠে আসা শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। আমরা জানি, দেশের মানুষ আজ কেউ শান্তিতে নেই। যে ক্যাম্পাসগুলো বিগত সময়ে শান্তির অভয়ারণ্য ছিল, আজ সেখানে অনাকাঙ্ক্ষিত অস্থিরতা। ক্যাম্পাসে নিজেদের আজ্ঞাবহ লোক বসানোর জন্য 'রাজাকারের বাচ্চারা' আজ বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা আমাদের পিতৃতুল্য শিক্ষকদের মানহানি করছে, এমনকি পৈশাচিক উল্লাসে ছাত্র হয়ে শিক্ষকের গায়ে হাত তোলার মতো জঘন্য পাপকাজ প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছে। বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নজিরবিহীন অবনতিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্বাভাবিক শিক্ষাব্যবস্থা আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। কিন্তু আমি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই—ইতিহাস সাক্ষী, ছাইচাপা দিলেই আগুন মরে যায় না। ইনশাআল্লাহ, বরাবরের ন্যায় এবারও দেশের মানুষের এই ক্রান্তিলগ্নে আলোর দিশারি হয়ে ছাত্রলীগ জেগে
উঠবে। পেছনের সকল সময়ের চাইতে শতগুণ শক্তি, সাহস আর বুকভরা ভালোবাসা নিয়ে শান্তিকামী দেশপ্রেমিক শিক্ষার্থীরাই এই অমানিশার অন্ধকার দূর করবে। আমাদের লক্ষ্য স্থির, উদ্দেশ্য সৎ। আমরা পুনরায় দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শান্তিপূর্ণ, পড়াশোনার উপযোগী ও শিক্ষার্থীবান্ধব করে গড়ে তুলব। এই আহত ও ক্ষতবিক্ষত দেশকে একটি শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে পুনর্গঠন করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ভিশন বাস্তবায়নে আমরা জীবনবাজি রেখে লড়ব। আজ যারা এই শান্তিপূর্ণ দেশকে অস্থিতিশীল করেছে, যারা আপনার ভাই, বন্ধু ও সহপাঠীকে কেবলমাত্র ছাত্রলীগ করার ‘অপরাধে’ নাগরিক অধিকার ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করেছে, যারা শিক্ষার্থীদের আবেগকে ব্যবহার করে নিজেদের অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করছে—তাদের বিরুদ্ধে দেশের সকল দেশপ্রেমিক শিক্ষার্থীদের
স্ব স্ব অবস্থান থেকে গর্জে ওঠার আহ্বান জানাচ্ছি। আসুন, আমরা আমাদের মাতৃভূমিকে আবারও নিরাপদ করি। সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে আমাদের এই লড়াই থামবে না। Let's Make Bangladesh Safe Again. জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। এম. এ. আহাদ চৌধুরী রায়হান সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।



