ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের জীবনে নরক সৃষ্টি করেছে: গাম্বিয়া
বিক্ষোভ ‘নিয়ন্ত্রণের’ দাবি ইরানের, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপেও রাজি
জাতিসংঘের আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার শুনানি শুরু
ইরানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার দাবি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
পরিবারসহ ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পালানোর গুঞ্জন, বিক্ষোভে নতুন মাত্রা
বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, ইসরায়েলে হাই অ্যালার্ট জারি
খামেনির দেশত্যাগের গুঞ্জন, যা জানাল ইরানি দূতাবাস
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হারের পেছনে গাজা ইস্যু, কমলা হ্যারিসের বিস্ফোরক তথ্য
ফিলিস্তিনের গাজায় হামলা করে নিরীহ মানুষ হত্যা করছে ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্রসহ সারা বিশ্বের মানুষ নিজ নিজ অবস্থান থেকে এর প্রতিবাদ করে আসছে। গাজায় বর্বরতার বিরুদ্ধে যখন যুক্তরাষ্ট্রেও প্রতিবাদের ঢেউ ঠিক তখনই অনুষ্ঠিত হয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। ওই নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে হেরে যান কমলা হ্যারিস। এ হারের পেছনে নিজ দলের নেতা জো বাইডেনকে দায়ী করেছেন হ্যারিস।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস তার আসন্ন বইয়ে লিখেছেন, তিনি মনে করেন সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গাজাবাসীদের প্রতি পর্যাপ্ত সহানুভূতি দেখাতে পারেননি। এটিই তার হারের অন্যতম একটি কারণ।
হ্যারিস লেখেন, আমি জো-এর কাছে অনুরোধ করেছিলাম- তিনি যখন এই ইস্যুতে প্রকাশ্যে কথা বলেন তখন তিনি ইউক্রেনীয়দের দুর্দশার
প্রতি যে সহানুভূতি দেখিয়েছেন, তেমনি নিরীহ গাজার বেসামরিক নাগরিকদের দুর্দশার প্রতিও একই সহানুভূতি যেন প্রকাশ করেন। হ্যারিসের বই ‘১০৭ দিন’-এর কিছু অংশ অ্যাক্সিওস প্রকাশ করেছে। তাতে তিনি লেখেন, কিন্তু তিনি (জো বাইডেন) তা পারেননি। তিনি যখন আবেগের সাথে বলতেন, ‘আমি একজন জায়নবাদী’ তখন নিরীহ ফিলিস্তিনিদের সম্পর্কে তার মন্তব্য অপর্যাপ্ত এবং জোরপূর্বক মনে হতো। উদ্ধৃতি অনুসারে, হ্যারিস মনে করেন ২০২৪ সালের নির্বাচনে তার হারের একটি কারণ ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্টের নেতানিয়াহুকে প্রদত্ত উন্মুক্ত সমর্থনের ধারণা। সেই সমর্থন কাজে লাগিয়ে গাজায় বর্বরতা শুরু হয়। হ্যারিস আরও লিখেছেন, ইসরায়েলের গাজা যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ তার রানিং মেট নির্বাচনে ভূমিকা রেখেছিল। তবে ঠিক কীভাবে তা ঘটেছে তা উল্লেখ করেননি। হ্যারিস
আধুনিক মার্কিন ইতিহাসে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রচারণা চালান। ওই সময় ব্যাপক সাড়া পেলেও তিনি রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে হেরে যান।
প্রতি যে সহানুভূতি দেখিয়েছেন, তেমনি নিরীহ গাজার বেসামরিক নাগরিকদের দুর্দশার প্রতিও একই সহানুভূতি যেন প্রকাশ করেন। হ্যারিসের বই ‘১০৭ দিন’-এর কিছু অংশ অ্যাক্সিওস প্রকাশ করেছে। তাতে তিনি লেখেন, কিন্তু তিনি (জো বাইডেন) তা পারেননি। তিনি যখন আবেগের সাথে বলতেন, ‘আমি একজন জায়নবাদী’ তখন নিরীহ ফিলিস্তিনিদের সম্পর্কে তার মন্তব্য অপর্যাপ্ত এবং জোরপূর্বক মনে হতো। উদ্ধৃতি অনুসারে, হ্যারিস মনে করেন ২০২৪ সালের নির্বাচনে তার হারের একটি কারণ ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্টের নেতানিয়াহুকে প্রদত্ত উন্মুক্ত সমর্থনের ধারণা। সেই সমর্থন কাজে লাগিয়ে গাজায় বর্বরতা শুরু হয়। হ্যারিস আরও লিখেছেন, ইসরায়েলের গাজা যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ তার রানিং মেট নির্বাচনে ভূমিকা রেখেছিল। তবে ঠিক কীভাবে তা ঘটেছে তা উল্লেখ করেননি। হ্যারিস
আধুনিক মার্কিন ইতিহাসে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রচারণা চালান। ওই সময় ব্যাপক সাড়া পেলেও তিনি রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে হেরে যান।



