ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সেনাবাহিনী ও পুলিশের স্কটে ফিরছেন সাজেকে আটকে পড়া ৪২১ পর্যটক
টেকনাফে রোহিঙ্গা ১০০ পরিবারকে নেয়া হলো নিরাপদ স্থানে
কৃষকের কষ্টের ধানে মিলারের চড়া মুনাফা
ঝরল ৩২টি প্রাণ: পাহাড়ধস ও ভাঙা বেড়িবাঁধে বাঁশখালীর এক লাখ মানুষের নির্ঘুম রাত
২৯৭ জনের প্রকল্পে কাজ করেন ৫০ জন, বাকিরা ভুয়া! সরকারি প্রকল্পে ব্যাপক হরিলুট
দুর্নীতি ও ব্যর্থতায় জর্জরিত পাকিস্তানি সিটি প্রকল্পকে অনুসরণের পরিকল্পনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
তীব্র জ্বালানি সংকটে আরও কয়েকশ কারখানা বন্ধের পথে
প্রশাসনে আসছে বড় পরিবর্তন!
জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) পদবি পরিবর্তনের সুপারিশ করেছে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, জেলা প্রশাসকের (ডিসি) পদবি হবে "জেলা কমিশনার" এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) পদবি হবে "উপজেলা কমিশনার"।
এছাড়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) পদটি পরিবর্তন করে "অতিরিক্ত জেলা কমিশনার (ভূমি ব্যবস্থাপনা)"করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দেন জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী। পরে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং প্রতিবেদনটির নির্বাহী সারসংক্ষেপ প্রকাশ করে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, জেলা কমিশনারকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে নালিশি (সিআর) মামলার অভিযোগ গ্রহণের ক্ষমতা দেওয়া যেতে পারে।তিনি
চাইলে তদন্তের জন্য উপজেলার কোনো কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিতে পারবেন বা সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মাধ্যমে সালিশের ব্যবস্থা করতে পারবেন। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগ গ্রহণযোগ্য হলে, জেলা কমিশনার থানাকে মামলা নিতে নির্দেশ দিতে পারবেন। পরে মামলাটি যথাযথভাবে আদালতে পাঠানো হবে। এতে সাধারণ মানুষ সহজে মামলা করার সুযোগ পাবেন এবং আদালতের মামলার চাপ কমবে। তবে এ ধরনের ব্যবস্থায় একবার সালিশ বা তদন্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হলে, অভিযোগকারী পুনরায় আদালতে যেতে পারবেন না। ডিসিদের মামলা গ্রহণের ক্ষমতা দেওয়া হবে কিনা, সে বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংস্কার কমিশন।
চাইলে তদন্তের জন্য উপজেলার কোনো কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিতে পারবেন বা সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মাধ্যমে সালিশের ব্যবস্থা করতে পারবেন। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগ গ্রহণযোগ্য হলে, জেলা কমিশনার থানাকে মামলা নিতে নির্দেশ দিতে পারবেন। পরে মামলাটি যথাযথভাবে আদালতে পাঠানো হবে। এতে সাধারণ মানুষ সহজে মামলা করার সুযোগ পাবেন এবং আদালতের মামলার চাপ কমবে। তবে এ ধরনের ব্যবস্থায় একবার সালিশ বা তদন্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হলে, অভিযোগকারী পুনরায় আদালতে যেতে পারবেন না। ডিসিদের মামলা গ্রহণের ক্ষমতা দেওয়া হবে কিনা, সে বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংস্কার কমিশন।



