ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার নিয়ে বিতর্ক: ছাত্রদল নেতার হাতে গরিবদের অনুদানের টাকা
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে গরিব মানুষের জন্য বরাদ্দ ঈদ উপহার বিতরণ নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, এই অর্থ সুবিধাবঞ্চিতদের পরিবর্তে রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে এ বিতর্কের সূত্রপাত।
ছাত্রদলের সিদ্ধেশ্বরী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখার নেতা মেহেদী হাসান তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে ঈদ উপহার হিসেবে অর্থ পেয়েছেন।
সাধারণত এই আর্থিক সহায়তা জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের মাধ্যমে গরিব ও অসহায় মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হয়। প্রতি ব্যক্তিকে ২ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত দেওয়া হয়ে থাকে, যা ‘প্রধানমন্ত্রীর উপহার’ হিসেবে পরিচিত।
এ বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাংবাদিক রাজীব আহমেদ। তিনি বলেন, “এই
টাকা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের হলেও এটি মূলত রাষ্ট্রীয় অর্থ, যা জনগণের করের টাকায় গঠিত। প্রতি বছর সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে এই বরাদ্দ দেওয়া হয় এবং জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে তা বিতরণ করা হয়।” তিনি আরও বলেন, “এই অর্থ গরিব মানুষের জন্য নির্ধারিত। কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের এই সুবিধা পাওয়ার কথা নয়। তবে কেউ যদি প্রকৃতপক্ষে গরিব হন, তাহলে তিনি সেই বিবেচনায় সহায়তা পেতে পারেন।”P এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, প্রকৃত সুবিধাভোগীদের পরিবর্তে রাজনৈতিক বিবেচনায় এই অর্থ বণ্টন করা হলে তা উদ্দেশ্য ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
টাকা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের হলেও এটি মূলত রাষ্ট্রীয় অর্থ, যা জনগণের করের টাকায় গঠিত। প্রতি বছর সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে এই বরাদ্দ দেওয়া হয় এবং জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে তা বিতরণ করা হয়।” তিনি আরও বলেন, “এই অর্থ গরিব মানুষের জন্য নির্ধারিত। কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের এই সুবিধা পাওয়ার কথা নয়। তবে কেউ যদি প্রকৃতপক্ষে গরিব হন, তাহলে তিনি সেই বিবেচনায় সহায়তা পেতে পারেন।”P এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, প্রকৃত সুবিধাভোগীদের পরিবর্তে রাজনৈতিক বিবেচনায় এই অর্থ বণ্টন করা হলে তা উদ্দেশ্য ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।



