ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রুহুল কুদ্দুস কাজলকে অ্যাটর্নি জেনারেল করে প্রজ্ঞাপন
ভারতের কাছে আবারও জ্বালানি সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ
জার্মানিতে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ রক্ষার দৃঢ় অঙ্গীকারে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালন
খাদ্য মূল্যস্ফীতির ‘লাল’ তালিকায় বাংলাদেশ, তীব্র ঝুঁকির দিকে যাচ্ছে দেশ
পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর থেকে ২০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করছে ভারত
জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি
মাইকে ঘোষণা দিয়ে ২ গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ইমামসহ নিহত ২
প্রতিহিংসার রাজনীতি ও ধর্মীয় মেরুকরণই কাল! চাকরিচ্যুত ৩ সহকারী কমিশনার
বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ চলাকালীন চাকরি হারালেন বিসিএস ৪৩তম ব্যাচের ৩ কর্মকর্তা।
চাকরিচ্যুতরা হলেন—কাজী আরিফুর রহমান, অনুপ কুমার বিশ্বাস ও নবমিতা সরকার।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বিধি-বিধানের উল্লেখ থাকলেও নেপথ্যে ‘রাজনৈতিক ও ধর্মীয়’ কারণের গুঞ্জন।
বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ৪৩তম ব্যাচের তিনজন সহকারী কমিশনারকে (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) চাকরিচ্যুত করেছে সরকার। বুধবার (১৯ নভেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব এহছানুল হক স্বাক্ষরিত পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। তবে সরকারি এই সিদ্ধান্তের পেছনে দাপ্তরিক কারণের চেয়ে ‘প্রতিহিংসার রাজনীতি ও ধর্মীয় মেরুকরণ’ প্রধান ভূমিকা রেখেছে বলে জোর আলোচনা চলছে।
চাকরিচ্যুত কর্মকর্তারা হলেন—ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার কাজী আরিফুর রহমান, বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার অনুপ কুমার বিশ্বাস এবং পিরোজপুর
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার নবমিতা সরকার। তারা প্রত্যেকেই সহকারী কমিশনার হিসেবে কর্মরত অবস্থায় বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে ছিলেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা, ১৯৮১-এর বিধি ৬(২)(এ) অনুযায়ী এই শিক্ষানবিশ কর্মকর্তাদের চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে। যদিও প্রশাসনিক আদেশে বিধি-বিধানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তবে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা—ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে সৃষ্ট মেরুকরণই কাল হয়েছে এই তিন কর্মকর্তার জন্য। বিশেষ করে প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার আগেই এভাবে তিনজনকে অপসারণের ঘটনায় প্রশাসনের ভেতরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি চাকরিকালীন তাদের কাছে কোনো প্রকার আর্থিক পাওনা থাকলে তা ‘দ্যা পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি
অ্যাক্ট, ১৯১৩’ অনুযায়ী আদায় করা হবে। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার নবমিতা সরকার। তারা প্রত্যেকেই সহকারী কমিশনার হিসেবে কর্মরত অবস্থায় বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে ছিলেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা, ১৯৮১-এর বিধি ৬(২)(এ) অনুযায়ী এই শিক্ষানবিশ কর্মকর্তাদের চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে। যদিও প্রশাসনিক আদেশে বিধি-বিধানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তবে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা—ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে সৃষ্ট মেরুকরণই কাল হয়েছে এই তিন কর্মকর্তার জন্য। বিশেষ করে প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার আগেই এভাবে তিনজনকে অপসারণের ঘটনায় প্রশাসনের ভেতরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি চাকরিকালীন তাদের কাছে কোনো প্রকার আর্থিক পাওনা থাকলে তা ‘দ্যা পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি
অ্যাক্ট, ১৯১৩’ অনুযায়ী আদায় করা হবে। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।



