ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জাতিকে ভুল বুঝিয়ে আমেরিকার সঙ্গে দেশবিক্রির চুক্তি করেছেন ইউনূস
ঢালাও অভিযোগ, দুর্বল ভিত্তি : কার স্বার্থে এই মামলা?
কিচেন ক্যাবিনেটের আঠারো মাসের অন্দরমহলে
লোডশেডিং-ই কি এখন বিএনপি সরকারের সরকারি নীতি?
মব আতঙ্কে সরকারি বাসভবন ছাড়তে চাইছেন না ইউনূসসহ মবের হোতারা
খাম্বা তারেকের নেতৃত্বে আবারও সেই অন্ধকারযুগে ফিরছে বাংলাদেশ
জুলাইতে দাঙ্গাকারীদের চেয়ে বেশি সংখ্যক মৃত্যু হয়েছে পুলিশের!
পুলিশ হত্যা তদন্ত শুরু হলে পালানোর পরিকল্পনায় হান্নান মাসুদ
জুলাই আন্দোলনের সময় বিভিন্ন থানার অস্ত্রাগার লুট ও পুলিশ সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের বিচার কার্যক্রম শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে নতুন সরকার। এ ঘোষণার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তৎকালীন আন্দোলনের সমন্বয়ক ও বর্তমান জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতা হান্নান মাসুদ এ বিষয়ে মন্তব্য করে বলেছেন, পুলিশ হত্যার তদন্ত শুরু হলে আমরা “দেশত্যাগে বাধ্য” হতে হবো।
সম্প্রতি এক বক্তব্যে হান্নান মাসুদ দাবি করেন, জুলাইয়ের আন্দোলন ছিল গণআন্দোলন, যেখানে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল। তবে আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত সহিংসতার দায় আন্দোলনের নেতৃত্বের ওপর চাপানো হলে তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
নতুন সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জুলাই-আগস্ট সময়কালে সংঘটিত সহিংসতা, থানায় হামলা,
অস্ত্রাগার লুট এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের হত্যার ঘটনাগুলো পুনঃতদন্ত করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এসব ঘটনায় দায়ীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে একটি বিশেষ তদন্ত কাঠামো গঠনের প্রস্তুতি চলছে। সরকারি সূত্রের দাবি, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে বিবেচিত এসব ঘটনার বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা ও হত্যাকাণ্ডের বিচার না হলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় বলেও তারা উল্লেখ করেন। অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হলে আন্দোলনের প্রকৃতি, নেতৃত্বের ভূমিকা এবং সহিংসতার দায় নিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে আন্দোলনের সময় সংঘটিত ঘটনাগুলোর দায় নির্ধারণ দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় গুরুত্বপূর্ণ
প্রভাব ফেলতে পারে। এ বিষয়ে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরুর তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট মহলে ধারণা করা হচ্ছে, খুব শিগগিরই এ বিষয়ে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
অস্ত্রাগার লুট এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের হত্যার ঘটনাগুলো পুনঃতদন্ত করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এসব ঘটনায় দায়ীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে একটি বিশেষ তদন্ত কাঠামো গঠনের প্রস্তুতি চলছে। সরকারি সূত্রের দাবি, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে বিবেচিত এসব ঘটনার বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা ও হত্যাকাণ্ডের বিচার না হলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় বলেও তারা উল্লেখ করেন। অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হলে আন্দোলনের প্রকৃতি, নেতৃত্বের ভূমিকা এবং সহিংসতার দায় নিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে আন্দোলনের সময় সংঘটিত ঘটনাগুলোর দায় নির্ধারণ দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় গুরুত্বপূর্ণ
প্রভাব ফেলতে পারে। এ বিষয়ে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরুর তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট মহলে ধারণা করা হচ্ছে, খুব শিগগিরই এ বিষয়ে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।



