ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আবারো কারাগারে মৃত্যুর মিছিল: বিনা বিচারে মারা গেলেন দুমকি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক
ড. ইউনূসকে ‘লোভী’ ও ‘অপদার্থ’ আখ্যা দিলেন রনি, বিদায়ের পেছনে আমেরিকার হাত থাকার দাবি
অন্তর্বর্তী সরকারের বড় সিদ্ধান্ত আসত ‘কিচেন কেবিনেট’ থেকে: বিস্ফোরক মন্তব্যে সাখাওয়াত হোসেন
আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে বাইরে রাখা যাবে না, হাবিবুর রহমান হাবিব
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলামের ইন্তেকাল: শেখ হাসিনার গভীর শোক
ড. ইউনূস অসম চুক্তি বাতিল না করে ভারতবিদ্বেষী সেন্টিমেন্ট কাজে লাগিয়েছেন: মাহবুব কামাল
‘ড. ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হবেন জানলে রাস্তায় নামতাম না’: আবদুন নূর তুষার
‘পুলিশ মারা হবে, ম্যাসাকার হবে—ড. ইউনূস আগেই জানতেন’, দায় এড়াতেই দেরিতে দেশে ফেরেন তিনি: শামীম হায়দার পাটোয়ারী
দেশে পুলিশ হত্যা, ম্যাসাকার ও মব জাস্টিস হবে—তা আগে থেকেই জানতেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
রাজনৈতিক দায় এড়াতেই ইচ্ছাকৃতভাবে তিনদিন পর দেশে ফিরেছেন তিনি।
চিকিৎসার কোনো কারণ ছিল না, দুদিন আগেই দেশে ফেলার সুযোগ ছিল তাঁর।
'কালের কণ্ঠ'-এর টকশো 'কালের সংলাপ'-এ জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিস্ফোরক মন্তব্য।
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশে সংঘটিত পুলিশ হত্যা, ম্যাসাকার এবং মব জাস্টিসের মতো ঘটনাগুলো সম্পর্কে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগে থেকেই জানতেন বলে বিস্ফোরক দাবি করেছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক দায় এড়াতেই ড. ইউনূস ইচ্ছাকৃতভাবে তিনদিন পর দেশে ফিরেছিলেন।
সম্প্রতি 'কালের কণ্ঠ'-এর আয়োজিত
টকশো 'কালের সংলাপ'-এ অংশ নিয়ে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভূমিকা নিয়ে কথা বলার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। ড. ইউনূসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, "উনি পলিটিক্যাল কাজ করছেন, কিন্তু পলিটিক্যাল দায়টা নিতে চাচ্ছেন না। উনি জানতেন এই তিনদিন বাংলাদেশে পুলিশ মারা হবে, ম্যাসাকার হবে, মব হবে। উনি চাইলে দুদিন আগে আসতে পারতেন, এমন কোনো চিকিৎসার ব্যাপার ছিল না। মূলত দায় এড়াতেই উনি তিনদিন পরে দেশে এসেছেন।" জাতীয় পার্টির এই জ্যেষ্ঠ নেতার দাবি, গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছিল, সেটি একটি পরিকল্পিত 'প্রোগ্রামের পার্ট' ছিল। ড. ইউনূস এই
পুরো প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত থাকলেও তিনি সচেতনভাবে নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা করেছেন। শামীম হায়দার পাটোয়ারী আরও বলেন, "পুরো আন্দোলনের গোড়া থেকেই ডক্টর ইউনূসের ইনভলভমেন্ট ছিল। কিন্তু তিনি বারবার সারপ্রাইজড হওয়ার ভান করেছেন। তিনি জানতেন যে এই অন্তর্বর্তী সময়ে দেশে কী ঘটতে যাচ্ছে, আর সে কারণেই তিনি দেশে ফিরতে কালক্ষেপণ করেছেন।" তাঁর এই মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে সরকার পরিবর্তনের ঠিক পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর যে নজিরবিহীন হামলা ও হত্যার ঘটনা ঘটেছিল, তার সাথে ড. ইউনূসের পূর্ব ধারণার বিষয়টি যুক্ত করে শামীম হায়দার পাটোয়ারীর এই দাবি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
টকশো 'কালের সংলাপ'-এ অংশ নিয়ে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভূমিকা নিয়ে কথা বলার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। ড. ইউনূসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, "উনি পলিটিক্যাল কাজ করছেন, কিন্তু পলিটিক্যাল দায়টা নিতে চাচ্ছেন না। উনি জানতেন এই তিনদিন বাংলাদেশে পুলিশ মারা হবে, ম্যাসাকার হবে, মব হবে। উনি চাইলে দুদিন আগে আসতে পারতেন, এমন কোনো চিকিৎসার ব্যাপার ছিল না। মূলত দায় এড়াতেই উনি তিনদিন পরে দেশে এসেছেন।" জাতীয় পার্টির এই জ্যেষ্ঠ নেতার দাবি, গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছিল, সেটি একটি পরিকল্পিত 'প্রোগ্রামের পার্ট' ছিল। ড. ইউনূস এই
পুরো প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত থাকলেও তিনি সচেতনভাবে নিজেকে দূরে রাখার চেষ্টা করেছেন। শামীম হায়দার পাটোয়ারী আরও বলেন, "পুরো আন্দোলনের গোড়া থেকেই ডক্টর ইউনূসের ইনভলভমেন্ট ছিল। কিন্তু তিনি বারবার সারপ্রাইজড হওয়ার ভান করেছেন। তিনি জানতেন যে এই অন্তর্বর্তী সময়ে দেশে কী ঘটতে যাচ্ছে, আর সে কারণেই তিনি দেশে ফিরতে কালক্ষেপণ করেছেন।" তাঁর এই মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে সরকার পরিবর্তনের ঠিক পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর যে নজিরবিহীন হামলা ও হত্যার ঘটনা ঘটেছিল, তার সাথে ড. ইউনূসের পূর্ব ধারণার বিষয়টি যুক্ত করে শামীম হায়দার পাটোয়ারীর এই দাবি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।



