ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যৌন নিপীড়ক এপস্টেইনের নতুন নথি প্রকাশ, আবার এল ট্রাম্প, গেটস, মাস্কদের নাম
ভ্রমণে কঠোর নীতিমালা, পর্যটন শিল্পে ধসের শঙ্কায় আমেরিকা
আইস সংস্কার ইস্যুতে সরকার শাটডাউনের হুমকি ডেমোক্র্যাটদের
ট্রাম্পের শুল্কনীতির প্রভাবে নভেম্বরে আমেরিকার বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে ৫৬.৮ বিলিয়ন ডলার
মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনায় বিনিয়োগকারীদের ঝোঁক সোনার দিকে, দাম ছাড়াল ৫,৫০০ ডলার
ভিসানীতিতে পরিবর্তন, যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয়দের জন্য বড় ধাক্কা
ক্রেতা দেখলেই মরার ভান ভেড়ার, দামে রেকর্ড
পরিবারসহ ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পালানোর গুঞ্জন, বিক্ষোভে নতুন মাত্রা
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিকে ঘিরে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে পালিয়ে যাওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। দাবি করা হয়, তিনি পরিবারসহ লেবাননে চলে গেছেন এবং এটি ছিল ক্ষমতাসীনদের দেশ ছাড়ার প্রস্তুতির অংশ। তবে সংশ্লিষ্ট ঘটনাপ্রবাহে দেখা যাচ্ছে, এই জল্পনার বাস্তব কোনো ভিত্তি নেই। খবর ইউরো নিউজের।
আব্বাস আরাঘচি সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্য সফরের অংশ হিসেবে লেবানন সফর করেন। এ সফরে স্ত্রী ও অল্পবয়সী সন্তানও তার সঙ্গে ছিলেন, যা পূর্বের সফরগুলোর তুলনায় ব্যতিক্রম বলে উল্লেখ করা হয়। এই বিষয়টি সামনে আসার পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের অনুমান ও গুজব ছড়াতে শুরু করে। সে সঙ্গে রাজপথের বিক্ষোভে নতুন মাত্রা যোগ হয়। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে উল্লাস
ও উদ্যম ছড়িয়ে পড়ে। কিছু পর্যবেক্ষক দাবি করেন, পরিবারসহ সফর করা ইরানের শীর্ষ কূটনীতিকের সম্ভাব্য দেশত্যাগের ইঙ্গিত হতে পারে। তবে তেহরান ও বৈরুতের মধ্যকার বর্তমান কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং লেবাননে তার সরকারি সফরের ধরন বিবেচনায় নিলে সরকার পতনের ক্ষেত্রে সেখানে স্থায়ীভাবে আশ্রয় নেওয়া আদৌ বাস্তবসম্মত কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সব জল্পনার অবসান ঘটে যখন সফর শেষে আরাঘচি ইরানে ফিরে আসেন। শনিবার তিনি তেহরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যিদ বদর হামাদ আল বুসাইদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন। এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে তিনি নিয়মিত দায়িত্বে ফেরার বিষয়টি স্পষ্ট করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে সরাসরি অংশগ্রহণের মাধ্যমে আব্বাস আরাঘচি কার্যত পরিবারসহ লেবাননে
পালিয়ে যাওয়ার দাবিকে ভিত্তিহীন বলে প্রমাণ করেন। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, চলমান আঞ্চলিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এ ধরনের গুজব ছড়ালেও বাস্তবতায় তার কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি।
ও উদ্যম ছড়িয়ে পড়ে। কিছু পর্যবেক্ষক দাবি করেন, পরিবারসহ সফর করা ইরানের শীর্ষ কূটনীতিকের সম্ভাব্য দেশত্যাগের ইঙ্গিত হতে পারে। তবে তেহরান ও বৈরুতের মধ্যকার বর্তমান কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং লেবাননে তার সরকারি সফরের ধরন বিবেচনায় নিলে সরকার পতনের ক্ষেত্রে সেখানে স্থায়ীভাবে আশ্রয় নেওয়া আদৌ বাস্তবসম্মত কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সব জল্পনার অবসান ঘটে যখন সফর শেষে আরাঘচি ইরানে ফিরে আসেন। শনিবার তিনি তেহরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যিদ বদর হামাদ আল বুসাইদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন। এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে তিনি নিয়মিত দায়িত্বে ফেরার বিষয়টি স্পষ্ট করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে সরাসরি অংশগ্রহণের মাধ্যমে আব্বাস আরাঘচি কার্যত পরিবারসহ লেবাননে
পালিয়ে যাওয়ার দাবিকে ভিত্তিহীন বলে প্রমাণ করেন। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, চলমান আঞ্চলিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এ ধরনের গুজব ছড়ালেও বাস্তবতায় তার কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি।



