ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক ৫ পেশাজীবী সংগঠনের
নির্বাচনের নামে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চা হতে পারে না
যে জাতি তার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করতে ভুলে যায়, সেই জাতি নিজের জন্মকেই অস্বীকার করে
ফাঁস হওয়া নথিতে ৬৪ ডিসির রাজনৈতিক পরিচয়: ‘নিরপেক্ষ’ প্রশাসনে দলীয়করণের ছায়া
পরিচয় ফাঁসের আতঙ্ক: পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানে বিমুখ সরকারি চাকরিজীবী কর্মকর্তারা
আসন্ন নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা ভোট বর্জনের ডাক দিয়ে ৭০৭ আইনজীবীর বিবৃতি
নোবেল বিজয়ী থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘু নির্যাতনের পৃষ্ঠপোষক : জঙ্গি মদদে ক্ষমতা, সংখ্যালঘু রক্তে টিকে থাকা
নোবেল বিজয়ী থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘু নির্যাতনের পৃষ্ঠপোষক : জঙ্গি মদদে ক্ষমতা, সংখ্যালঘু রক্তে টিকে থাকা
সতেরো মাস হয়ে গেলো। সতেরো মাস ধরে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা জানে না কোন দিন তাদের ঘরবাড়ি আগুনে পুড়বে, কোন দিন তাদের উপাসনালয়ে হামলা হবে। নির্মল রোজারিও বলছেন দুই হাজারের বেশি ঘটনা ঘটেছে আগস্টের পাঁচ তারিখের পর থেকে। দুই হাজার। এই সংখ্যাটা কি কোনো স্বাভাবিক দেশের পরিসংখ্যান হতে পারে? নাকি এটা একটা পরিকল্পিত নৈরাজ্যের প্রমাণ?
মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার অবৈধ সরকার বসে আছে ক্ষমতার চেয়ারে, যে চেয়ার তারা পেয়েছে বিদেশি মদদপুষ্ট দাঙ্গার মাধ্যমে। ২০২৪ এর জুলাই মাসে রাস্তায় যে রক্ত ঢালা হয়েছিল, সেই রক্তের দায় এখন তারা মেটাচ্ছে আরও
রক্ত ঢেলে। পার্থক্য শুধু এটুকুই যে এবার রক্ত ঝরছে নিরীহ সংখ্যালঘুদের। খ্রীষ্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ সবাই এখন নিজের দেশে পরবাসী। ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ চার্চেসের সামনে হামলা হলো। পুলিশ ছিল সেখানে, নিরাপত্তার জন্য। কিন্তু হামলাকারীরা জানতো যে তাদের কিছু হবে না। কারণ এই সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা আছে ইসলামিক জঙ্গিদের সাথে। জঙ্গিরা জানে এই সরকার ক্ষমতায় এসেছে তাদের সহায়তায়ই। তাই তারা এখন দাবি আদায় করছে, আর সেই দাবি হচ্ছে সংখ্যালঘু নিধন। রোজারিও বলছেন, তেজগাঁও চার্চে হামলা হয়েছে, রমনা ক্যাথেড্রাল চার্চে হামলা হয়েছে। মোহাম্মদপুরে মিশনারি স্কুলে হামলা হয়েছে। এই যে ধারাবাহিক সন্ত্রাস, এর পেছনে কি আছে? একটা সুপরিকল্পিত এজেন্ডা। খ্রীষ্টানদের যে সমাজসেবা, যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যে
চিকিৎসাকেন্দ্র, সেগুলো দেখলেই চরমপন্থীদের গা জ্বলে। কারণ সেখানে মানবিকতা আছে, সেবা আছে, উদারতা আছে। আর ইউনূসের সরকার সেই চরমপন্থীদের হাতেই দেশের ভাগ্য তুলে দিয়েছে। যে সরকার ক্যুর মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে, তার কাছে জবাবদিহিতা থাকে না। ইউনূসের সরকারের কোনো জনসমর্থন নেই, কোনো নির্বাচনী ম্যান্ডেট নেই। তাদের আছে শুধু সামরিক বাহিনীর বন্দুক আর জঙ্গিদের মদদ। এই দুটো জিনিসের ভরসায় তারা চালাচ্ছে দেশ, আর দেশটা ডুবছে অরাজকতায়। দুই হাজার হামলা হয়েছে, কয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে? কোনো বিচার হয়েছে? একটাও না। কারণ যারা হামলা করছে, তারাই তো এই সরকারের আসল শক্তি। সুদী মহাজন ইউনূস একসময় দরিদ্র মানুষকে টাকা ধার দিয়ে নোবেল পেয়েছিলেন। এখন দেশ চালাচ্ছেন বিদেশি
প্রভুদের টাকায়। সেই টাকার বিনিময়ে তিনি দেশকে তুলে দিয়েছেন চরমপন্থীদের হাতে। যে দেশে একসময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ছিল, যে দেশে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান একসাথে বাস করতো, সেই দেশ এখন পরিণত হয়েছে সংখ্যালঘু নির্যাতনের এক ভয়ংকর জায়গায়। রোজারিও বলছেন খ্রীষ্টানরা ধর্মান্তরকরণ করে না, তারা শিক্ষা দেয়, সেবা করে, এনজিও চালায়। কিন্তু চরমপন্থীদের কাছে এসব অজুহাত মাত্র। তারা চায় সংখ্যালঘুশূন্য বাংলাদেশ, আর ইউনূস সরকার সেই স্বপ্ন পূরণ করতে দিচ্ছে তাদের। প্রতিদিন কোনো না কোনো পরিবার উদ্বাস্তু হচ্ছে, কোনো না কোনো মন্দির-গির্জা আক্রান্ত হচ্ছে। আর সরকার বসে বসে দেখছে। বরং উৎসাহ দিচ্ছে। এই যে অবৈধ শাসন, এই যে বিদেশি অর্থায়ন, এই যে জঙ্গি মদদ, এই যে সামরিক
সমর্থন, এগুলো মিলে একটা ভয়াবহ মিশ্রণ তৈরি হয়েছে। আর সেই বিষাক্ত মিশ্রণ এখন গিলে খাচ্ছে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে।
রক্ত ঢেলে। পার্থক্য শুধু এটুকুই যে এবার রক্ত ঝরছে নিরীহ সংখ্যালঘুদের। খ্রীষ্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ সবাই এখন নিজের দেশে পরবাসী। ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ চার্চেসের সামনে হামলা হলো। পুলিশ ছিল সেখানে, নিরাপত্তার জন্য। কিন্তু হামলাকারীরা জানতো যে তাদের কিছু হবে না। কারণ এই সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা আছে ইসলামিক জঙ্গিদের সাথে। জঙ্গিরা জানে এই সরকার ক্ষমতায় এসেছে তাদের সহায়তায়ই। তাই তারা এখন দাবি আদায় করছে, আর সেই দাবি হচ্ছে সংখ্যালঘু নিধন। রোজারিও বলছেন, তেজগাঁও চার্চে হামলা হয়েছে, রমনা ক্যাথেড্রাল চার্চে হামলা হয়েছে। মোহাম্মদপুরে মিশনারি স্কুলে হামলা হয়েছে। এই যে ধারাবাহিক সন্ত্রাস, এর পেছনে কি আছে? একটা সুপরিকল্পিত এজেন্ডা। খ্রীষ্টানদের যে সমাজসেবা, যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যে
চিকিৎসাকেন্দ্র, সেগুলো দেখলেই চরমপন্থীদের গা জ্বলে। কারণ সেখানে মানবিকতা আছে, সেবা আছে, উদারতা আছে। আর ইউনূসের সরকার সেই চরমপন্থীদের হাতেই দেশের ভাগ্য তুলে দিয়েছে। যে সরকার ক্যুর মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে, তার কাছে জবাবদিহিতা থাকে না। ইউনূসের সরকারের কোনো জনসমর্থন নেই, কোনো নির্বাচনী ম্যান্ডেট নেই। তাদের আছে শুধু সামরিক বাহিনীর বন্দুক আর জঙ্গিদের মদদ। এই দুটো জিনিসের ভরসায় তারা চালাচ্ছে দেশ, আর দেশটা ডুবছে অরাজকতায়। দুই হাজার হামলা হয়েছে, কয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে? কোনো বিচার হয়েছে? একটাও না। কারণ যারা হামলা করছে, তারাই তো এই সরকারের আসল শক্তি। সুদী মহাজন ইউনূস একসময় দরিদ্র মানুষকে টাকা ধার দিয়ে নোবেল পেয়েছিলেন। এখন দেশ চালাচ্ছেন বিদেশি
প্রভুদের টাকায়। সেই টাকার বিনিময়ে তিনি দেশকে তুলে দিয়েছেন চরমপন্থীদের হাতে। যে দেশে একসময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ছিল, যে দেশে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান একসাথে বাস করতো, সেই দেশ এখন পরিণত হয়েছে সংখ্যালঘু নির্যাতনের এক ভয়ংকর জায়গায়। রোজারিও বলছেন খ্রীষ্টানরা ধর্মান্তরকরণ করে না, তারা শিক্ষা দেয়, সেবা করে, এনজিও চালায়। কিন্তু চরমপন্থীদের কাছে এসব অজুহাত মাত্র। তারা চায় সংখ্যালঘুশূন্য বাংলাদেশ, আর ইউনূস সরকার সেই স্বপ্ন পূরণ করতে দিচ্ছে তাদের। প্রতিদিন কোনো না কোনো পরিবার উদ্বাস্তু হচ্ছে, কোনো না কোনো মন্দির-গির্জা আক্রান্ত হচ্ছে। আর সরকার বসে বসে দেখছে। বরং উৎসাহ দিচ্ছে। এই যে অবৈধ শাসন, এই যে বিদেশি অর্থায়ন, এই যে জঙ্গি মদদ, এই যে সামরিক
সমর্থন, এগুলো মিলে একটা ভয়াবহ মিশ্রণ তৈরি হয়েছে। আর সেই বিষাক্ত মিশ্রণ এখন গিলে খাচ্ছে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে।



