ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কারা ফটকের পাঁচ মিনিট……
রঙ বদলের মানুষেরা!
হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া।
ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?
পিতার নামে শপথ নেওয়ার দিন আজ
মুজিব একটি জাতির নাম, হাসিনা সে জাতির অগ্রগতির কাণ্ডারি, বঙ্গবন্ধু ফিরেছিলেন, ফিরবেন দেশরত্নও
যমুনায় বসে গবেষণার বিলাসিতা ও সার্বভৌমত্ব বিক্রির নীল নকশা: কার স্বার্থে এই মহাপরিকল্পনা?
নৈতিকতা, মানবিকতা ও রাজপথ: আওয়ামী লীগের অবিনাশী চেতনার তিন স্তম্ভ
ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রমাণ করেছে, এটি কেবল কোনো রাজনৈতিক দল নয়, বরং এটি বাঙালির অস্তিত্ব ও চেতনার এক অবিনাশী বাতিঘর। ক্ষমতার পালাবদল ঘটে, সময়ের স্রোতে অনেক কিছু হারিয়ে যায়; কিন্তু যে আদর্শের শিকড় মাটির গভীরে প্রোথিত, তা কখনো উপড়ে ফেলা যায় না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সেই শিকড়সন্ধানী সংগঠন, যা কোনো সাময়িক ক্ষমতার মোহগ্রস্ত দল নয়। এর রাজনীতির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছে তিনটি অমোঘ ও শাশ্বত স্তম্ভের ওপর—নৈতিকতা, মানবিকতা এবং রাজপথ।
রাজনীতিতে নৈতিকতাই হলো মেরুদণ্ড। আওয়ামী লীগের রাজনীতির মূল চালিকাশক্তিও এই নৈতিক অবস্থান। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের শিখিয়ে গেছেন, রাজনীতি মানে ভোগের বিলাসী জীবন নয়, বরং ত্যাগের মহিমায় নিজেকে
বিলিয়ে দেওয়া। যারা ক্ষমতার লোভে আদর্শচ্যুত হয় না, জেল-জুলুম ও হুলিয়া যাদের সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত করতে পারে না, তারাই আওয়ামী লীগের প্রকৃত সৈনিক। অতীতে আমরা দেখেছি, ষড়যন্ত্রকারীরা বারবার এই দলকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছে, কিন্তু নৈতিকতার শক্তিতে বলীয়ান হয়ে দলটি ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো বারবার জেগে উঠেছে। এই নৈতিক বলই দলটির নেতাকর্মীদের ইস্পাতকঠিন দৃঢ়তা দান করেছে। রাজনীতির দ্বিতীয় এবং অপরিহার্য স্তম্ভ হলো মানবিকতা। আওয়ামী লীগ মানেই গণমানুষের দল, শোষিতের কণ্ঠস্বর। মানুষের কান্না মোছানো আর দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই এই দলের রাজনীতির পরম ধর্ম। বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, মহামারি কিংবা যেকোনো জাতীয় সংকটে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাই সবার আগে মানুষের দ্বারে পৌঁছে যান।
গণমানুষের ভাগ্য বদলে দেওয়ার যে মানবিক সংকল্প আওয়ামী লীগ লালন করে, তা-ই একে সাধারণ মানুষের হৃদস্পন্দনে পরিণত করেছে। ক্ষমতার দম্ভ নয়, সেবার বিনয়ই এই দলের নেতাকর্মীদের অলংকার। পরিশেষে, আওয়ামী লীগের প্রাণভোমরা হলো রাজপথ। এই দল কখনো ড্রয়িংরুমের আয়েশি রাজনীতিতে বিশ্বাসী ছিল না, আজও নেই। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে ষড়যন্ত্রের ছক আঁকা নয়, বরং উত্তাল রাজপথের মিছিলে বিশ্বাসী এই দল। ৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তী সকল স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন—আওয়ামী লীগের শক্তি সব সময় রাজপথ থেকেই উৎসারিত হয়েছে। গণমানুষের পদভারে প্রকম্পিত রাজপথই আমাদের ঠিকানা। এদেশের প্রতিটি বিজয় অর্জিত হয়েছে রাজপথের ঘাম ঝরানো সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে আমাদের এই
শপথ নিতে হবে যে, আমরা আমাদের মূল থেকে সরে যাব না। যতদিন নৈতিকতা থাকবে আমাদের লক্ষ্য, মানবিকতা থাকবে আমাদের ব্রত এবং রাজপথ থাকবে আমাদের ঠিকানা—ততদিন কোনো অপশক্তিই আওয়ামী লীগের জয়রথ রুখতে পারবে না। আদর্শের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ থেকে আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ব, ইনশাআল্লাহ। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। লেখক: এহতেশামুল হাসান ভূঁইয়া রুমি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ
বিলিয়ে দেওয়া। যারা ক্ষমতার লোভে আদর্শচ্যুত হয় না, জেল-জুলুম ও হুলিয়া যাদের সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত করতে পারে না, তারাই আওয়ামী লীগের প্রকৃত সৈনিক। অতীতে আমরা দেখেছি, ষড়যন্ত্রকারীরা বারবার এই দলকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছে, কিন্তু নৈতিকতার শক্তিতে বলীয়ান হয়ে দলটি ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো বারবার জেগে উঠেছে। এই নৈতিক বলই দলটির নেতাকর্মীদের ইস্পাতকঠিন দৃঢ়তা দান করেছে। রাজনীতির দ্বিতীয় এবং অপরিহার্য স্তম্ভ হলো মানবিকতা। আওয়ামী লীগ মানেই গণমানুষের দল, শোষিতের কণ্ঠস্বর। মানুষের কান্না মোছানো আর দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই এই দলের রাজনীতির পরম ধর্ম। বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, মহামারি কিংবা যেকোনো জাতীয় সংকটে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাই সবার আগে মানুষের দ্বারে পৌঁছে যান।
গণমানুষের ভাগ্য বদলে দেওয়ার যে মানবিক সংকল্প আওয়ামী লীগ লালন করে, তা-ই একে সাধারণ মানুষের হৃদস্পন্দনে পরিণত করেছে। ক্ষমতার দম্ভ নয়, সেবার বিনয়ই এই দলের নেতাকর্মীদের অলংকার। পরিশেষে, আওয়ামী লীগের প্রাণভোমরা হলো রাজপথ। এই দল কখনো ড্রয়িংরুমের আয়েশি রাজনীতিতে বিশ্বাসী ছিল না, আজও নেই। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে ষড়যন্ত্রের ছক আঁকা নয়, বরং উত্তাল রাজপথের মিছিলে বিশ্বাসী এই দল। ৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তী সকল স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন—আওয়ামী লীগের শক্তি সব সময় রাজপথ থেকেই উৎসারিত হয়েছে। গণমানুষের পদভারে প্রকম্পিত রাজপথই আমাদের ঠিকানা। এদেশের প্রতিটি বিজয় অর্জিত হয়েছে রাজপথের ঘাম ঝরানো সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে আমাদের এই
শপথ নিতে হবে যে, আমরা আমাদের মূল থেকে সরে যাব না। যতদিন নৈতিকতা থাকবে আমাদের লক্ষ্য, মানবিকতা থাকবে আমাদের ব্রত এবং রাজপথ থাকবে আমাদের ঠিকানা—ততদিন কোনো অপশক্তিই আওয়ামী লীগের জয়রথ রুখতে পারবে না। আদর্শের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ থেকে আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ব, ইনশাআল্লাহ। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। লেখক: এহতেশামুল হাসান ভূঁইয়া রুমি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ



