ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে মাখামাখির ফল: বাংলাদেশি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার জাহাজকে হরমুজ পেরোনোর অনুমতি দেয়নি ইরান
হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নতুন নিয়ন্ত্রণ নীতি ঘিরে বৈশ্বিক উদ্বেগ
সমঝোতা না হলে ইরানকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প
লেবাননে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা
হরমুজ দিয়ে দিনে ১৫টির বেশি জাহাজ নয়
আগামী কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, জানালো ইরান
শেষ পর্যন্ত ইরানের দ্বারস্থ হলো সৌদি আরব
নেপোলিয়ন ও জোসেফিন: ক্ষমতার শীর্ষে থেকেও ভালোবাসায় ব্যর্থতার গল্প
বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী সেনাপতি ও শাসক নেপোলিয়ন বোনাপার্টের জীবনে এক অদ্ভুত প্রেমের কাহিনী লুকিয়ে রয়েছে। যুদ্ধের ময়দানে অসংখ্য বিজয়ের পরও তিনি যে নারীকে নিজের সাম্রাজ্য দিয়ে দিতে প্রস্তুত ছিলেন, সেই জোসেফিন বোনাপার্টের কাছে কখনোই তার ভালোবাসার প্রতিদান পাননি।
নেপোলিয়ন ও জোসেফিনের সম্পর্ক শুরু হয় ১৭৯৫ সালে যখন তিনি জোসেফিনের সঙ্গে পরিচিত হন। জোসেফিন ছিলেন এক বিধবা নারী, যিনি দুই সন্তানের মা। তার বয়সও ছিল নেপোলিয়নের চেয়ে বেশি। তবুও নেপোলিয়ন তাকে বিয়ে করেন এবং তাকে 'জোসেফিন' নামে অভিহিত করেন। তবে, তাদের সম্পর্কের শুরু থেকেই জোসেফিনের প্রতি নেপোলিয়নের ভালোবাসা ছিল গভীর। তিনি তাকে নিয়ে অসংখ্য চিঠি লিখতেন, যুদ্ধের সময় তার ছবি পকেটে
রাখতেন এবং সময়ে অসময়ে সেই ছবিতে চুমু খেতেন। তিনি চাইতেন, জোসেফিন তার জন্য বড় বড় চিঠি লিখুক, যাতে তিনি সেগুলো পড়ে সময় কাটাতে পারেন। কিন্তু, জোসেফিন কখনোই তার এই অনুরোধ পূরণ করেননি। এদিকে, নেপোলিয়ন যখন মিশরে ছিলেন, তখন জোসেফিনের সঙ্গে সেনাপতি হিপ্পোলাইট চার্লসের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই বিষয়টি নেপোলিয়নের কাছে অজানা ছিল না। তিনি নিজেও মিশরে অবস্থানকালে এক সেনা কর্মকর্তার স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেন, যার নাম ছিল পলিন ফোরেস। পলিনের স্বামীকে ফ্রান্সে পাঠিয়ে দিয়ে নেপোলিয়ন তাকে নিজের বাসভবনে নিয়ে আসেন। পলিনের স্বামী ফিরে আসলে তিনি জানতে পারেন যে, তার স্ত্রীর সঙ্গে নেপোলিয়নের সম্পর্ক রয়েছে। এতে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন এবং
দ্রুত তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। পলিন ফোরেস পরবর্তীতে 'লা জেনারেল' বা 'বোনাপার্টের ক্লিওপেট্রা' নামে পরিচিত হন। নেপোলিয়ন ও জোসেফিনের সম্পর্কের মধ্যে ভালোবাসা ছিল, তবে তা ছিল অসম্পূর্ণ। দুজনেই নিজেদের ক্ষমতা ও সামাজিক অবস্থানকে প্রাধান্য দিয়েছেন। তাদের সম্পর্কের শেষ পর্যন্ত নেপোলিয়ন তার প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ করেন কারণ তিনি একজন পুরুষ উত্তরাধিকারী চান। তবে, জোসেফিনের প্রতি তার ভালোবাসা কখনোই কমেনি। তার মৃত্যুর আগে তিনি স্বপ্নে জোসেফিনকে দেখেন এবং তার সঙ্গে পুনরায় মিলিত হওয়ার আশা প্রকাশ করেন। -ব্রিটানিকা, বিবিসি
রাখতেন এবং সময়ে অসময়ে সেই ছবিতে চুমু খেতেন। তিনি চাইতেন, জোসেফিন তার জন্য বড় বড় চিঠি লিখুক, যাতে তিনি সেগুলো পড়ে সময় কাটাতে পারেন। কিন্তু, জোসেফিন কখনোই তার এই অনুরোধ পূরণ করেননি। এদিকে, নেপোলিয়ন যখন মিশরে ছিলেন, তখন জোসেফিনের সঙ্গে সেনাপতি হিপ্পোলাইট চার্লসের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই বিষয়টি নেপোলিয়নের কাছে অজানা ছিল না। তিনি নিজেও মিশরে অবস্থানকালে এক সেনা কর্মকর্তার স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেন, যার নাম ছিল পলিন ফোরেস। পলিনের স্বামীকে ফ্রান্সে পাঠিয়ে দিয়ে নেপোলিয়ন তাকে নিজের বাসভবনে নিয়ে আসেন। পলিনের স্বামী ফিরে আসলে তিনি জানতে পারেন যে, তার স্ত্রীর সঙ্গে নেপোলিয়নের সম্পর্ক রয়েছে। এতে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন এবং
দ্রুত তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। পলিন ফোরেস পরবর্তীতে 'লা জেনারেল' বা 'বোনাপার্টের ক্লিওপেট্রা' নামে পরিচিত হন। নেপোলিয়ন ও জোসেফিনের সম্পর্কের মধ্যে ভালোবাসা ছিল, তবে তা ছিল অসম্পূর্ণ। দুজনেই নিজেদের ক্ষমতা ও সামাজিক অবস্থানকে প্রাধান্য দিয়েছেন। তাদের সম্পর্কের শেষ পর্যন্ত নেপোলিয়ন তার প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ করেন কারণ তিনি একজন পুরুষ উত্তরাধিকারী চান। তবে, জোসেফিনের প্রতি তার ভালোবাসা কখনোই কমেনি। তার মৃত্যুর আগে তিনি স্বপ্নে জোসেফিনকে দেখেন এবং তার সঙ্গে পুনরায় মিলিত হওয়ার আশা প্রকাশ করেন। -ব্রিটানিকা, বিবিসি



