ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যাদের কাছে একুশ বিপজ্জনক : যে সংগঠন বায়ান্নেও ছিল না, একাত্তরেও ছিল না
বৈষম্যবিরোধীরা আবারো আগুন-ভাঙচুরে ফিরেছে—তারাকান্দায় আওয়ামী লীগ অফিসে সন্ত্রাসের রাজনীতি শুরু করেছে।
আবার শুরু হলো বিএনপির অন্যতম রাজনৈতিক কর্মসূচি – চাঁদাবাজি!
ঘরের নিয়ন্ত্রণ হারানো
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: কারান্তরীণ অবস্থাতেই সম্পাদক প্রার্থী ব্যারিস্টার সুমন
ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচন বৈধতা পেতে শর্ত, ইউনুসের দেশবিরোধী চুক্তি বাস্তবায়ন
আবার শুরু হলো বিএনপির অন্যতম রাজনৈতিক কর্মসূচি-চাঁদাবাজি!
‘নির্বাহী আদেশে মামলা তুলে নেওয়া সবচেয়ে বড় অন্যায়’, ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন সাংবাদিক মাসুদ কামাল
দেশকে আমেরিকার ‘করদ রাজ্যে’ পরিণত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও কলামিস্ট মাসুদ কামাল। একই সঙ্গে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলো নির্বাহী আদেশে তুলে নেওয়ার তীব্র সমালোচনা করে তা পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছেন।
সম্প্রতি ‘মানচিত্র’ নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলের ‘কথোপকথন’ আয়োজনে অংশ নিয়ে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি এবং আগামী নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মঞ্জুরুল আলম পান্না।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানের সমালোচনা করে মাসুদ কামাল বলেন, ‘দেশটাকে আমেরিকার কাছে করদ রাজ্যে পরিণত করার জন্য যা যা করার তাই করছি। আমি তো মনে করি এদের সবার
বিরুদ্ধে এই সমস্ত অপরাধে মামলা হওয়া উচিত। এবং সবচেয়ে আগে মামলা হওয়া উচিত ড. মোহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে।’ ড. ইউনূসকে ‘মূল লোক’ আখ্যায়িত করে এই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক বলেন, নির্বাহী আদেশে মামলা তুলে নেওয়ার চেয়ে বড় অন্যায় আর পৃথিবীতে থাকতে পারে না। তিনি দাবি করেন, যেসব মামলা নির্বাহী আদেশে উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে, সেগুলো পুনরায় চালু করে আদালতের মাধ্যমে বিচার হওয়া উচিত। তিনি যদি নির্দোষ হন, তবে আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতের মাধ্যমেই তিনি মুক্তি পেতেন। শ্বেতপত্র নয়, সরাসরি আইনি ব্যবস্থার দাবি অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরের দুর্নীতির বিষয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের বিষয়ে জানতে চাইলে মাসুদ কামাল বলেন, বাংলাদেশে শ্বেতপত্র প্রকাশ করে অতীতে কোনো সুফল বা বিচার হতে দেখা যায়নি।
তাই শ্বেতপত্রের বদলে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং ফৌজদারি আদালতের মাধ্যমে সরাসরি আইনি ব্যবস্থার দাবি জানান। তিনি পরামর্শ দেন, সরকার চাইলে গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে জনগণের কাছ থেকে দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ আহ্বান করতে পারে। উপদেষ্টাদের দেওয়া হচ্ছে ‘সেইফ এক্সিট’ সরকারের যেসব উপদেষ্টার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের বিচার না করে পদত্যাগের সুযোগ দেওয়া প্রসঙ্গেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মাসুদ কামাল। সঞ্চালকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে তাঁদের চলে যেতে দেওয়া মূলত অপরাধীদের ‘সেইফ এক্সিট’ বা নিরাপদ প্রস্থান দেওয়ারই শামিল। ব্যবস্থা না নিলে দেশের মানুষ বুঝবে যে তাঁদের নিরাপদে পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। বিএনপির অবস্থান
পর্যবেক্ষণ ও দ্রুত নির্বাচনের তাগিদ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দুর্নীতিবিরোধী কঠোর অবস্থান এবং দলীয় মন্ত্রী-এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি না নেওয়ার ঘোষণাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেন মাসুদ কামাল। তবে তিনি বলেন, এটি কেবল কথায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, কাজে প্রমাণ করতে হবে। ভবিষ্যতে দলটির নেতারা সরকারি গাড়ি বা প্লট নেন কি না, দেশের মানুষ তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করবে। আগামী নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে সরকারের সমালোচনা করে মাসুদ কামাল অভিযোগ করেন, কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই দীর্ঘ সময় ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টা চলছে। নির্বাচন দ্রুত হওয়া উচিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার সংস্কারের নামে শুধু কালক্ষেপণ করছে। এই কালক্ষেপণকে তিনি ‘গোল্লাছুট খেলা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
বিরুদ্ধে এই সমস্ত অপরাধে মামলা হওয়া উচিত। এবং সবচেয়ে আগে মামলা হওয়া উচিত ড. মোহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে।’ ড. ইউনূসকে ‘মূল লোক’ আখ্যায়িত করে এই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক বলেন, নির্বাহী আদেশে মামলা তুলে নেওয়ার চেয়ে বড় অন্যায় আর পৃথিবীতে থাকতে পারে না। তিনি দাবি করেন, যেসব মামলা নির্বাহী আদেশে উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে, সেগুলো পুনরায় চালু করে আদালতের মাধ্যমে বিচার হওয়া উচিত। তিনি যদি নির্দোষ হন, তবে আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতের মাধ্যমেই তিনি মুক্তি পেতেন। শ্বেতপত্র নয়, সরাসরি আইনি ব্যবস্থার দাবি অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরের দুর্নীতির বিষয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের বিষয়ে জানতে চাইলে মাসুদ কামাল বলেন, বাংলাদেশে শ্বেতপত্র প্রকাশ করে অতীতে কোনো সুফল বা বিচার হতে দেখা যায়নি।
তাই শ্বেতপত্রের বদলে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং ফৌজদারি আদালতের মাধ্যমে সরাসরি আইনি ব্যবস্থার দাবি জানান। তিনি পরামর্শ দেন, সরকার চাইলে গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে জনগণের কাছ থেকে দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ আহ্বান করতে পারে। উপদেষ্টাদের দেওয়া হচ্ছে ‘সেইফ এক্সিট’ সরকারের যেসব উপদেষ্টার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের বিচার না করে পদত্যাগের সুযোগ দেওয়া প্রসঙ্গেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মাসুদ কামাল। সঞ্চালকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে তাঁদের চলে যেতে দেওয়া মূলত অপরাধীদের ‘সেইফ এক্সিট’ বা নিরাপদ প্রস্থান দেওয়ারই শামিল। ব্যবস্থা না নিলে দেশের মানুষ বুঝবে যে তাঁদের নিরাপদে পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। বিএনপির অবস্থান
পর্যবেক্ষণ ও দ্রুত নির্বাচনের তাগিদ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দুর্নীতিবিরোধী কঠোর অবস্থান এবং দলীয় মন্ত্রী-এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি না নেওয়ার ঘোষণাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেন মাসুদ কামাল। তবে তিনি বলেন, এটি কেবল কথায় সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, কাজে প্রমাণ করতে হবে। ভবিষ্যতে দলটির নেতারা সরকারি গাড়ি বা প্লট নেন কি না, দেশের মানুষ তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করবে। আগামী নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে সরকারের সমালোচনা করে মাসুদ কামাল অভিযোগ করেন, কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই দীর্ঘ সময় ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টা চলছে। নির্বাচন দ্রুত হওয়া উচিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার সংস্কারের নামে শুধু কালক্ষেপণ করছে। এই কালক্ষেপণকে তিনি ‘গোল্লাছুট খেলা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।



