ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সুনামগঞ্জে ডিসির মদতে ফসলরক্ষা বাঁধের কোটি টাকার প্রকল্প হাতিয়ে নিল শিবির ক্যাডাররা
মার্কিন মদতে রাজনীতিতে শক্ত অবস্থায় জামায়াত: ইরানে হামলার পর ভোল বদলে যুক্তরাষ্ট্র-বিরোধী সমাবেশ-মিছিল
ইউনূস সরকারের ১৮ মাসে শিক্ষাঙ্গন ‘ক্ষত-বিক্ষত’: প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের অভিযোগ, ১৪ দফা দাবি উত্থাপন
ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে বিতর্কের মুখে সরলেন বনমন্ত্রী মিন্টু, নয়া দায়িত্বে মেলিতা
অতিরিক্ত মদ্যপানে মৃত্যু: পরিবারের কারসাজিতে ‘জুলাই শহীদ’, জুটল ৩০ লাখ আর মামলায় নিরীহদের হয়রানি
মার্কিন মদতে রাজনীতিতে শক্ত অবস্থায় জামায়াত: ইরানে হামলার পর ভোল বদলে যুক্তরাষ্ট্র-বিরোধী সমাবেশ-মিছিল
ঢাকায় আসছেন পল কাপুর: নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে ১৮ মাস পর গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন কর্মকর্তার সফর
নির্বাচনের নামে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চা হতে পারে না
নির্বাচনের নামে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চা হতে পারে না—এমন মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।
সংগঠনটি বলছে, নির্বাচন মানেই মানুষের মত প্রকাশের অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদার নিশ্চয়তা। অথচ বাস্তব চিত্রে দেখা যাচ্ছে, নির্বাচনী রাজনীতির নামে দেশের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয়, আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে, যা গণতন্ত্রের মূল চেতনার সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের অভিযোগ, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইশতেহারে সংখ্যালঘুদের অধিকার, নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টি প্রায় সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষিত। অথচ সংবিধানের রাষ্ট্রীয় নীতিমালায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় স্বাধীনতার যে অঙ্গীকার রয়েছে, তা রাজনৈতিক
দলগুলোর ঘোষণায় প্রতিফলিত হচ্ছে না। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি আরও জানায়, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির বক্তব্য ও অবস্থানে সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে ‘নির্বাচনের রাজনৈতিক বিষয়’ হিসেবে দেখার প্রবণতা উদ্বেগজনক। এতে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর প্রতি রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের দায়িত্ববোধ প্রশ্নের মুখে পড়ছে বলে মনে করছে তারা। সংগঠনটির দাবি, অতীতের মতো এবারও নির্বাচনকেন্দ্রিক সময়েই সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়ছে। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার বলি হয়ে তারা নির্যাতন, ভয়ভীতি ও সহিংসতার শিকার হচ্ছে, যার দায় শেষ পর্যন্ত কেউই নিচ্ছে না। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ স্পষ্ট করে বলেছে, ভোটের নামে কোনো জনগোষ্ঠীর ওপর আতঙ্ক চাপিয়ে দেওয়া গণতন্ত্র নয়; বরং এটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করে। রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত
নির্বাচনী ইশতেহারে সংখ্যালঘুদের অধিকার, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার বিষয়ে স্পষ্ট ও দৃশ্যমান অঙ্গীকার যুক্ত করা। সংগঠনটি সতর্ক করে জানিয়েছে, এসব বিষয় উপেক্ষিত থাকলে নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং দেশের সামাজিক স্থিতিশীলতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
দলগুলোর ঘোষণায় প্রতিফলিত হচ্ছে না। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি আরও জানায়, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির বক্তব্য ও অবস্থানে সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে ‘নির্বাচনের রাজনৈতিক বিষয়’ হিসেবে দেখার প্রবণতা উদ্বেগজনক। এতে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর প্রতি রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের দায়িত্ববোধ প্রশ্নের মুখে পড়ছে বলে মনে করছে তারা। সংগঠনটির দাবি, অতীতের মতো এবারও নির্বাচনকেন্দ্রিক সময়েই সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়ছে। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার বলি হয়ে তারা নির্যাতন, ভয়ভীতি ও সহিংসতার শিকার হচ্ছে, যার দায় শেষ পর্যন্ত কেউই নিচ্ছে না। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ স্পষ্ট করে বলেছে, ভোটের নামে কোনো জনগোষ্ঠীর ওপর আতঙ্ক চাপিয়ে দেওয়া গণতন্ত্র নয়; বরং এটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করে। রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত
নির্বাচনী ইশতেহারে সংখ্যালঘুদের অধিকার, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার বিষয়ে স্পষ্ট ও দৃশ্যমান অঙ্গীকার যুক্ত করা। সংগঠনটি সতর্ক করে জানিয়েছে, এসব বিষয় উপেক্ষিত থাকলে নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং দেশের সামাজিক স্থিতিশীলতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।



