ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সেনাবাহিনী ও পুলিশের স্কটে ফিরছেন সাজেকে আটকে পড়া ৪২১ পর্যটক
টেকনাফে রোহিঙ্গা ১০০ পরিবারকে নেয়া হলো নিরাপদ স্থানে
কৃষকের কষ্টের ধানে মিলারের চড়া মুনাফা
ঝরল ৩২টি প্রাণ: পাহাড়ধস ও ভাঙা বেড়িবাঁধে বাঁশখালীর এক লাখ মানুষের নির্ঘুম রাত
২৯৭ জনের প্রকল্পে কাজ করেন ৫০ জন, বাকিরা ভুয়া! সরকারি প্রকল্পে ব্যাপক হরিলুট
দুর্নীতি ও ব্যর্থতায় জর্জরিত পাকিস্তানি সিটি প্রকল্পকে অনুসরণের পরিকল্পনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
তীব্র জ্বালানি সংকটে আরও কয়েকশ কারখানা বন্ধের পথে
নিজেকে ইঞ্জিনিয়ারদের গৌরব দাবি করলেন ম্যাক্সগ্রুপের আলমগীর
দুদকের মামলায় গ্রেফতার ম্যাক্সগ্রুপের চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ আলমগীর নিজেকে ইঞ্জিনিয়ারদের গৌরব বলে দাবি করেছেন। বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে তার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন শুনানির সময় তিনি এ কথা বলেন।
আইনজীবীদের শুনানি শেষে আদালত তাকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, তিনি কিছু বলতে চান কি না।
এ সময় গোলাম মোহাম্মদ আলমগীর বলেন, আমি একজন সিআইপি। আমার প্রতিষ্ঠান আছে দেশে। আমি এই কিছু টাকা মানি লন্ডারিং কেনো করবো। আমি প্রতিমাসে ১০ হাজার লোককে ১৩ হাজার কোটি টাকা বেতন দেই। বছরে ৩০০ কোটি টাকা সরকারের কোষাগারে ট্যাক্স দেই। আমি ইঞ্জিনিয়ারদের গৌরব। আমার মতো লোককে যদি হেনস্থা করা হয়, সেটা অর্থনীতির জন্য ক্ষতি।
পরে আদালত তার
রিমান্ড ও জামিন আবেদন বাতিল করে একদিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন। এর আগে বুধবার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনসহ তাকে আদালতে তোলা হয়। কিন্তু আসামিপক্ষের আইনজীবীর কাছে রিমান্ড বাতিল আবেদন ও জামিন আবেদনের যথাযথ নথি না থাকায় বৃহস্পতিবার শুনানির দিন ঠিক করেন আদালত এবং তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিমানবন্দর থেকে ম্যাক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোহাম্মদ আলমগীরকে গোয়েন্দা পুলিশের সহায়তায় গ্রেফতার করা হয়। ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোহাম্মদ আলমগীরের বিরুদ্ধে গত ৪ ফেব্রুয়ারি মামলা দায়ের করে দুদক। সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন মঙ্গলবার তার বিরুদ্ধে মামলার তথ্য দেন। এজাহারে দুদক বলেছে, আলমগীরের নামে এবং পারিবারিক ব্যয়সহ ৮১ কোটি ৩৯ লাখ ৫৭
হাজার ৯৭৫ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য রয়েছে। বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে ৫৩ কোটি ৫৩ লাখ ৩৭ হাজার ৬৭ টাকা। সেই হিসেবে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন প্রায় ২৭ কোটি ৮৬ লাখ ২০ হাজার ৯০৮ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন তিনি। গোলাম মোহাম্মদ আলমগীরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে বিদেশে টাকা পাচারের একটি অভিযোগ ২০২৩ সালে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।
রিমান্ড ও জামিন আবেদন বাতিল করে একদিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন। এর আগে বুধবার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনসহ তাকে আদালতে তোলা হয়। কিন্তু আসামিপক্ষের আইনজীবীর কাছে রিমান্ড বাতিল আবেদন ও জামিন আবেদনের যথাযথ নথি না থাকায় বৃহস্পতিবার শুনানির দিন ঠিক করেন আদালত এবং তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিমানবন্দর থেকে ম্যাক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোহাম্মদ আলমগীরকে গোয়েন্দা পুলিশের সহায়তায় গ্রেফতার করা হয়। ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোহাম্মদ আলমগীরের বিরুদ্ধে গত ৪ ফেব্রুয়ারি মামলা দায়ের করে দুদক। সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন মঙ্গলবার তার বিরুদ্ধে মামলার তথ্য দেন। এজাহারে দুদক বলেছে, আলমগীরের নামে এবং পারিবারিক ব্যয়সহ ৮১ কোটি ৩৯ লাখ ৫৭
হাজার ৯৭৫ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য রয়েছে। বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে ৫৩ কোটি ৫৩ লাখ ৩৭ হাজার ৬৭ টাকা। সেই হিসেবে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন প্রায় ২৭ কোটি ৮৬ লাখ ২০ হাজার ৯০৮ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন তিনি। গোলাম মোহাম্মদ আলমগীরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে বিদেশে টাকা পাচারের একটি অভিযোগ ২০২৩ সালে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।



