ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা
শহীদ মিনারে রুমিন ফারহানাকে বাধা, মহাসড়ক অবরোধ
ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ
ভারতীয়দের ভিসা দেওয়া শুরু করল বাংলাদেশ
৫৫০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্ত চলমান থাকা স্বত্বেও নির্বাচনের ৩দিন আগে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবকে সেইফ এক্সিট দিলো ইউনূস; নেপথ্যে কোন স্বার্থ?
নিজের অর্থ সম্পদ বাড়িয়ে নিয়েছে কিন্তু দেশের অর্থনীতিকে করেছে পঙ্গু
‘জামায়াতের হাত থেকে বাঁচতে নাকে রুমাল দিয়ে বিএনপিকে ভোট দিয়েছে মানুষ’: সাংবাদিক নুরুল কবির
নারীমুক্তির মুখোশ পরা ইউনুসের আসল চেহারা
জুলাইয়ের রক্তাক্ত দাঙ্গার পর যখন ড. ইউনুস ক্ষমতায় বসেছেন, তখন তাঁর সমর্থকরা বলেছিলেন এবার নাকি নতুন বাংলাদেশ হবে। গণতন্ত্র ফিরবে, নারীর ক্ষমতায়ন হবে, সব কিছু হবে। কিন্তু বাস্তবতা কী? যে নির্বাচন তিনি আয়োজন করতে যাচ্ছেন, সেখানে নারী প্রার্থীর সংখ্যা মাত্র তিন শতাংশ। এই তিন শতাংশ সংখ্যাটা দেখলেই বোঝা যায়, নতুন বাংলাদেশের আসল রূপরেখা কী।
যে মানুষটা নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন নারীদের ক্ষুদ্রঋণ দিয়ে তাদের স্বাবলম্বী করার নামে, সেই মানুষটাই আজ ক্ষমতায় এসে নারীদের রাজনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার ব্যবস্থা করছেন। কী অদ্ভুত বিরোধিতা! একদিকে তিনি নারীর ক্ষমতায়নের কথা বলেন, অন্যদিকে তাঁর তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনে নারীরা প্রায় অনুপস্থিত। এটা কি শুধুই
কাকতালীয়? নাকি পরিকল্পিত? ইসলামপন্থী দলগুলোর কাছ থেকে যে সমর্থন নিয়ে ইউনুস ক্ষমতায় এসেছেন, তার মূল্য এখন পরিশোধ করতে হচ্ছে। জামায়াত, হেফাজত আর অন্যান্য মৌলবাদী গোষ্ঠীর কাছে নারীর রাজনীতি করা তো দূরের কথা, ঘরের বাইরে বের হওয়াটাই গুনাহ। তাই যখন এসব দলের কোনো একটিতেও নারী প্রার্থী নেই, তখন সেটা আশ্চর্যের কিছু নয়। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই পরিস্থিতি নিয়ে ইউনুসের কোনো মাথাব্যথা নেই। কারণ তাঁর ক্ষমতার ভিত্তিই তো এই শক্তিগুলোর উপর দাঁড়িয়ে। যে দেশে একসময় নারীরা মুক্তিযুদ্ধে অস্ত্র হাতে লড়েছেন, যে দেশে নারীরা ভাষা আন্দোলনে রাজপথে নেমেছেন, সেই দেশে আজ নারীদের ভোট দেওয়ার অধিকার আছে কিন্তু প্রার্থী হওয়ার অধিকার নেই। এটা কেমন গণতন্ত্র? ইউনুস
যে নির্বাচন দিতে যাচ্ছেন, সেটা আসলে কোনো নির্বাচন নয়, একটা প্রহসন মাত্র। এবং সবচেয়ে বড় প্রহসন হলো, এই পুরো ব্যবস্থায় নারীরা শুধুই ভোট ব্যাংক, সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তাদের নেই। বিদেশি অর্থায়ন আর সামরিক বাহিনীর প্রত্যক্ষ সমর্থনে যে অবৈধ ক্ষমতা দখল হয়েছে, তার পরিণতি এখন দেশের মানুষ ভোগ করছে। জুলাইয়ের সেই রক্তাক্ত দিনগুলোতে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে যে সরকার গঠিত হয়েছে, সেই সরকারের কাছে নারীর অধিকার কতটুকু গুরুত্ব পাবে, তা এখন স্পষ্ট। ইউনুসের এই তথাকথিত সংস্কার প্রক্রিয়ায় নারীদের জন্য কোনো জায়গা নেই। যে মানুষ সারাজীবন গরিব নারীদের কাছ থেকে সুদ আদায় করে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, সেই মানুষের কাছে নারীরা
শুধুই লাভের উৎস, সম্মান পাওয়ার যোগ্য মানুষ নয়। তাই এই নির্বাচনে নারীরা যে ব্রাত্য, সেটা অপ্রত্যাশিত কিছু নয়। বাংলাদেশকে এখন টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এমন এক দিকে যেখানে নারীর অধিকার, নারীর মর্যাদা, নারীর স্বাধীনতা সব কিছুই হুমকির মুখে। আফগানিস্তানে তালেবান যেভাবে নারীদের ঘরে বন্দী করে রেখেছে, ইয়েমেনে যেভাবে নারীরা সব ধরনের অধিকার থেকে বঞ্চিত, সিরিয়ায় যেভাবে নারীদের অবস্থা শোচনীয়, সেই পথেই হাঁটছে বাংলাদেশ। এবং এই যাত্রার নেতৃত্বে আছেন সেই মানুষ যিনি নিজেকে নারী উন্নয়নের প্রবক্তা বলে দাবি করেন। বাস্তবতা হলো, ইউনুসের কাছে ক্ষমতা ধরে রাখাটাই মুখ্য, নারীর অধিকার নয়। যে মৌলবাদী শক্তিগুলোর সাহায্যে তিনি ক্ষমতায় এসেছেন, তাদের তুষ্ট রাখতে হলে নারীদের অধিকার
বলি দিতেই হবে। এবং তিনি সেটাই করছেন। তিন শতাংশ নারী প্রার্থী এই সত্যেরই প্রমাণ। যে দেশে ভোটারদের প্রায় অর্ধেক নারী, সেই দেশে প্রার্থীদের মাত্র তিন শতাংশ নারী হওয়ার মানে কী? এর মানে হলো, এই নির্বাচন শুরু থেকেই একতরফা। নারীদের মতামত নেওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই, নারীদের নেতৃত্ব মেনে নেওয়ার কোনো মানসিকতা নেই। নারীরা শুধু ভোট দেবে, আর পুরুষরা শাসন করবে। এটাই ইউনুসের গণতন্ত্রের মডেল। এবং সবচেয়ে করুণ বিষয় হলো, যে নারীরা জুলাইয়ের আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন, যারা রাস্তায় নেমেছিলেন, যারা আহতদের সেবা করেছিলেন, তাদেরই আজ রাজনীতিতে কোনো জায়গা নেই। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে তারা পেয়েছে অবহেলা আর অবজ্ঞা। ইউনুসের কাছে তারা কেবলই সংখ্যা মাত্র, মানুষ
নয়। বাংলাদেশের ইতিহাস নারীর অবদানে সমৃদ্ধ। কিন্তু বর্তমান শাসকরা সেই ইতিহাস ভুলে গেছেন। তাদের কাছে নারীর মূল্য শুধু তখনই, যখন তাদের ভোটের দরকার। তার বাইরে নারীরা অপ্রয়োজনীয়। আর এই মানসিকতা নিয়েই চলছে দেশ। ইউনুস যে নির্বাচন দিতে যাচ্ছেন, সেটা হবে একটা সাজানো নাটক। আর এই নাটকে নারীদের কোনো ভূমিকা নেই। তারা দর্শক মাত্র। এবং এই দর্শক হয়ে থাকার মধ্যে দিয়েই নারীরা হারাবে তাদের সব অধিকার, সব মর্যাদা, সব স্বাধীনতা। আর এই হারিয়ে যাওয়ার দায় কার? যারা বিদেশি টাকা আর সামরিক সমর্থন নিয়ে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছে, তাদের। বাংলাদেশ এখন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। এই দেশ কি এগিয়ে যাবে নাকি পিছিয়ে যাবে, সেটা নির্ভর করছে
এই নির্বাচনের উপর। এবং যে নির্বাচনে নারীদের কোনো প্রতিনিধিত্ব নেই, সেই নির্বাচন কখনোই দেশকে এগিয়ে নিতে পারে না। কারণ যে দেশ তার অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে অবহেলা করে, সেই দেশ কখনোই উন্নতি করতে পারে না। ইউনুসের এই প্রহসন শেষ হবে কবে, সেটা সময়ই বলবে। কিন্তু এর মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের নারীরা যে ক্ষতির মুখে পড়বে, সেটা পূরণ হতে হয়তো আরও কয়েক দশক লেগে যাবে।
কাকতালীয়? নাকি পরিকল্পিত? ইসলামপন্থী দলগুলোর কাছ থেকে যে সমর্থন নিয়ে ইউনুস ক্ষমতায় এসেছেন, তার মূল্য এখন পরিশোধ করতে হচ্ছে। জামায়াত, হেফাজত আর অন্যান্য মৌলবাদী গোষ্ঠীর কাছে নারীর রাজনীতি করা তো দূরের কথা, ঘরের বাইরে বের হওয়াটাই গুনাহ। তাই যখন এসব দলের কোনো একটিতেও নারী প্রার্থী নেই, তখন সেটা আশ্চর্যের কিছু নয়। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই পরিস্থিতি নিয়ে ইউনুসের কোনো মাথাব্যথা নেই। কারণ তাঁর ক্ষমতার ভিত্তিই তো এই শক্তিগুলোর উপর দাঁড়িয়ে। যে দেশে একসময় নারীরা মুক্তিযুদ্ধে অস্ত্র হাতে লড়েছেন, যে দেশে নারীরা ভাষা আন্দোলনে রাজপথে নেমেছেন, সেই দেশে আজ নারীদের ভোট দেওয়ার অধিকার আছে কিন্তু প্রার্থী হওয়ার অধিকার নেই। এটা কেমন গণতন্ত্র? ইউনুস
যে নির্বাচন দিতে যাচ্ছেন, সেটা আসলে কোনো নির্বাচন নয়, একটা প্রহসন মাত্র। এবং সবচেয়ে বড় প্রহসন হলো, এই পুরো ব্যবস্থায় নারীরা শুধুই ভোট ব্যাংক, সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তাদের নেই। বিদেশি অর্থায়ন আর সামরিক বাহিনীর প্রত্যক্ষ সমর্থনে যে অবৈধ ক্ষমতা দখল হয়েছে, তার পরিণতি এখন দেশের মানুষ ভোগ করছে। জুলাইয়ের সেই রক্তাক্ত দিনগুলোতে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে যে সরকার গঠিত হয়েছে, সেই সরকারের কাছে নারীর অধিকার কতটুকু গুরুত্ব পাবে, তা এখন স্পষ্ট। ইউনুসের এই তথাকথিত সংস্কার প্রক্রিয়ায় নারীদের জন্য কোনো জায়গা নেই। যে মানুষ সারাজীবন গরিব নারীদের কাছ থেকে সুদ আদায় করে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, সেই মানুষের কাছে নারীরা
শুধুই লাভের উৎস, সম্মান পাওয়ার যোগ্য মানুষ নয়। তাই এই নির্বাচনে নারীরা যে ব্রাত্য, সেটা অপ্রত্যাশিত কিছু নয়। বাংলাদেশকে এখন টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এমন এক দিকে যেখানে নারীর অধিকার, নারীর মর্যাদা, নারীর স্বাধীনতা সব কিছুই হুমকির মুখে। আফগানিস্তানে তালেবান যেভাবে নারীদের ঘরে বন্দী করে রেখেছে, ইয়েমেনে যেভাবে নারীরা সব ধরনের অধিকার থেকে বঞ্চিত, সিরিয়ায় যেভাবে নারীদের অবস্থা শোচনীয়, সেই পথেই হাঁটছে বাংলাদেশ। এবং এই যাত্রার নেতৃত্বে আছেন সেই মানুষ যিনি নিজেকে নারী উন্নয়নের প্রবক্তা বলে দাবি করেন। বাস্তবতা হলো, ইউনুসের কাছে ক্ষমতা ধরে রাখাটাই মুখ্য, নারীর অধিকার নয়। যে মৌলবাদী শক্তিগুলোর সাহায্যে তিনি ক্ষমতায় এসেছেন, তাদের তুষ্ট রাখতে হলে নারীদের অধিকার
বলি দিতেই হবে। এবং তিনি সেটাই করছেন। তিন শতাংশ নারী প্রার্থী এই সত্যেরই প্রমাণ। যে দেশে ভোটারদের প্রায় অর্ধেক নারী, সেই দেশে প্রার্থীদের মাত্র তিন শতাংশ নারী হওয়ার মানে কী? এর মানে হলো, এই নির্বাচন শুরু থেকেই একতরফা। নারীদের মতামত নেওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই, নারীদের নেতৃত্ব মেনে নেওয়ার কোনো মানসিকতা নেই। নারীরা শুধু ভোট দেবে, আর পুরুষরা শাসন করবে। এটাই ইউনুসের গণতন্ত্রের মডেল। এবং সবচেয়ে করুণ বিষয় হলো, যে নারীরা জুলাইয়ের আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন, যারা রাস্তায় নেমেছিলেন, যারা আহতদের সেবা করেছিলেন, তাদেরই আজ রাজনীতিতে কোনো জায়গা নেই। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে তারা পেয়েছে অবহেলা আর অবজ্ঞা। ইউনুসের কাছে তারা কেবলই সংখ্যা মাত্র, মানুষ
নয়। বাংলাদেশের ইতিহাস নারীর অবদানে সমৃদ্ধ। কিন্তু বর্তমান শাসকরা সেই ইতিহাস ভুলে গেছেন। তাদের কাছে নারীর মূল্য শুধু তখনই, যখন তাদের ভোটের দরকার। তার বাইরে নারীরা অপ্রয়োজনীয়। আর এই মানসিকতা নিয়েই চলছে দেশ। ইউনুস যে নির্বাচন দিতে যাচ্ছেন, সেটা হবে একটা সাজানো নাটক। আর এই নাটকে নারীদের কোনো ভূমিকা নেই। তারা দর্শক মাত্র। এবং এই দর্শক হয়ে থাকার মধ্যে দিয়েই নারীরা হারাবে তাদের সব অধিকার, সব মর্যাদা, সব স্বাধীনতা। আর এই হারিয়ে যাওয়ার দায় কার? যারা বিদেশি টাকা আর সামরিক সমর্থন নিয়ে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছে, তাদের। বাংলাদেশ এখন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। এই দেশ কি এগিয়ে যাবে নাকি পিছিয়ে যাবে, সেটা নির্ভর করছে
এই নির্বাচনের উপর। এবং যে নির্বাচনে নারীদের কোনো প্রতিনিধিত্ব নেই, সেই নির্বাচন কখনোই দেশকে এগিয়ে নিতে পারে না। কারণ যে দেশ তার অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে অবহেলা করে, সেই দেশ কখনোই উন্নতি করতে পারে না। ইউনুসের এই প্রহসন শেষ হবে কবে, সেটা সময়ই বলবে। কিন্তু এর মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের নারীরা যে ক্ষতির মুখে পড়বে, সেটা পূরণ হতে হয়তো আরও কয়েক দশক লেগে যাবে।



