ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপি নেতাদের দৃষ্টিতে ‘অপ্রয়োজনীয়’ রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রই এখন সংকটে সরকারের শেষ ভরসা
মৃত্যুঞ্জয়ী বঙ্গবন্ধু: ইতিহাসের আয়নায় আমাদের পরিচয়, আত্মমর্যাদা ও অস্তিত্বের প্রতীক
জাতির পিতার জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ সভাপতি-বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাণী
ডিজেলের পর এবার এলো ১৬ হাজার মেট্রিক টন ভারতীয় চাল, নামল মোংলায়
শিক্ষক রাজনীতি নাকি শিক্ষার্থীদের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার রাজনীতি
একটি বন্দিত্ব: বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের অনিবার্যতা
তেল সরবরাহে হরমুজ ঝুঁকি: ৩ লাখ টন ক্রুডের চালান নিয়ে তেহরানের দ্বারস্থ ঢাকা
নবগঠিত বিএনপি সরকারের সন্মতিতেই ‘কালের কন্ঠে” রাষ্ট্রপতি’র খোলামেলা সাক্ষাৎকার!
একান্ত সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিন চুপ্পু অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের (ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন) সময়কালে নিজের ওপর চাপ, অবরুদ্ধ অবস্থা, সাংবিধানিক বিধান লঙ্ঘন, বিদেশ সফরে বাধা, প্রেস উইং সদস্য প্রত্যাহারসহ, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির প্রতি ইউনুস সরকারের অসহযোগীতা, মানসিক নির্যাতন ও অপমানের কথা তুলে ধরেছেন। এতে তিনি দাবি করেছেন, দেড় বছর ধরে তাঁকে ‘প্রাসাদবন্দি’ করে রাখা হয়েছিল এবং সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টির চেষ্টা চলেছিল। এই সাক্ষাৎকার প্রকাশের পর সারাদেশে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।
নবগঠিত বিএনপি-নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রী পরিষদ সদস্য ও দলীয় নেতারা এ বিষয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন। সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়ায় সতর্ক ও সাংবিধানিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলে মনে হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কালের কণ্ঠে
প্রকাশিত রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকার সম্পর্কে বলেছেন, “দেশে প্রত্যেকের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা হবে। সবারই কথা বলার অধিকার আছে।” তিনি রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকারকে গণতান্ত্রিক অধিকারের অংশ হিসেবে দেখেছেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বাধা দেওয়া হবে না বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। অন্যদিকে, তথ্যমন্ত্রী বলেছেন, “আজ গণমাধ্যমে রাষ্ট্রপতির একটি সাক্ষাৎকার প্রচারিত হয়েছে, যেখানে তিনি অনেক প্রসঙ্গ টেনেছেন। বিএনপি প্রসঙ্গ এবং তাকে সহযোগিতা না করার বিষয়ও উঠে এসেছে।” তিনি আরও যোগ করেন যে, সরকার রাষ্ট্রপতির বক্তব্যকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রপতির এই খোলামেলা সাক্ষাৎকার নবনির্বাচিত বিএনপি সরকারের অনুমতি বা সমর্থন নিয়েই হয়েছে। সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেছেন যে, অন্তর্বর্তী
আমলে বিএনপি নেতারা তাঁকে সমর্থন দিয়েছিলেন এবং অসাংবিধানিক কোনো পদক্ষেপ রোধ করতে সহায়তা করেছিলেন। এদিকে, সাক্ষাৎকারের পরবর্তী অংশে (কালের কণ্ঠে প্রকাশিত) রাষ্ট্রপতি বলেছেন, তাঁর মেয়াদ ২০২৮ সাল পর্যন্ত রয়েছে এবং নতুন সরকার চাইলে তিনি পদ ছেড়ে দিতে প্রস্তুত। তিনি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে ‘ভালো’ বলে মূল্যায়ন করেছেন এবং জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের প্রশংসা করেছেন। বিএনপি নেতৃত্বের অন্যান্য অংশ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না এলেও, দলের অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, এই সাক্ষাৎকার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রতি সরকারের অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করবে। দেশের রাজনৈতিক মহলে এ নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
প্রকাশিত রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকার সম্পর্কে বলেছেন, “দেশে প্রত্যেকের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা হবে। সবারই কথা বলার অধিকার আছে।” তিনি রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকারকে গণতান্ত্রিক অধিকারের অংশ হিসেবে দেখেছেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে কোনো বাধা দেওয়া হবে না বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। অন্যদিকে, তথ্যমন্ত্রী বলেছেন, “আজ গণমাধ্যমে রাষ্ট্রপতির একটি সাক্ষাৎকার প্রচারিত হয়েছে, যেখানে তিনি অনেক প্রসঙ্গ টেনেছেন। বিএনপি প্রসঙ্গ এবং তাকে সহযোগিতা না করার বিষয়ও উঠে এসেছে।” তিনি আরও যোগ করেন যে, সরকার রাষ্ট্রপতির বক্তব্যকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রপতির এই খোলামেলা সাক্ষাৎকার নবনির্বাচিত বিএনপি সরকারের অনুমতি বা সমর্থন নিয়েই হয়েছে। সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেছেন যে, অন্তর্বর্তী
আমলে বিএনপি নেতারা তাঁকে সমর্থন দিয়েছিলেন এবং অসাংবিধানিক কোনো পদক্ষেপ রোধ করতে সহায়তা করেছিলেন। এদিকে, সাক্ষাৎকারের পরবর্তী অংশে (কালের কণ্ঠে প্রকাশিত) রাষ্ট্রপতি বলেছেন, তাঁর মেয়াদ ২০২৮ সাল পর্যন্ত রয়েছে এবং নতুন সরকার চাইলে তিনি পদ ছেড়ে দিতে প্রস্তুত। তিনি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে ‘ভালো’ বলে মূল্যায়ন করেছেন এবং জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের প্রশংসা করেছেন। বিএনপি নেতৃত্বের অন্যান্য অংশ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না এলেও, দলের অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, এই সাক্ষাৎকার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রতি সরকারের অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করবে। দেশের রাজনৈতিক মহলে এ নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।



