ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ক্ষমতা ছাড়ার আগে ব্যাপক লুটপাট, ৬ মাসে সরকারের ঋণ ৬০ হাজার কোটি
ইউনূস-আমেরিকার পরিকল্পনায় ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে জামায়াত
যখন বাংলাদেশের আদালত নিজেই হয়ে ওঠে পুরুষতন্ত্রের নির্লজ্জ হাতিয়ার
ইউনূসকে সমর্থন দেওয়া জাতিসংঘই বলছে, দেশে বাকস্বাধীনতা নেই
শিক্ষা-স্বাস্থ্য-কৃষি-বিদ্যুৎ খাত ও মেগা প্রকল্পে বরাদ্দ কমিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
ভোটার দর্শক, রাজনীতি নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন নয়, ক্ষমতা ভাগাভাগির নগ্ন নাটক চলছে
শিক্ষার ছদ্মবেশে প্রভাব বিস্তারের নতুন অধ্যায়, ঢাকায় পাকিস্তানের আগ্রাসী একাডেমিক তৎপরতা
‘দেশ ধ্বংস করে ফেলছে এই স্টুপিড জেনারেশন’—জুলাই থেকে চলমান অরাজকতায় অতিষ্ঠ জনতা, ভাইরাল নারীর ক্ষোভ
জুলাই আন্দোলন থেকে শুরু করে গত প্রায় এক বছর ধরে রাজপথে শিক্ষার্থীদের টানা কর্মসূচির নামে চলা জ্বালাও-পোড়াও এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংসের ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে সাধারণ মানুষ। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে এক নারীকে শিক্ষার্থীদের এই দীর্ঘমেয়াদি অরাজকতার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। তিনি বর্তমান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ‘স্টুপিড জেনারেশন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এবং দাবি করেছেন, এদের থামানো না গেলে দেশ সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যাবে।
জুলাই মাস থেকে শুরু হওয়া আন্দোলনের রেশ ধরে গত এক বছরে দেশের শিক্ষাঙ্গন থেকে শুরু করে রাজপথ—কোথাও স্থিতিশীলতা ফিরে আসেনি। মেট্রোরেল, সরকারি স্থাপনা এবং যানবাহনে অগ্নিসংযোগের মতো ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের যে নজির শিক্ষার্থীরা স্থাপন করেছে,
তা দেশের অর্থনীতিকে খাদের কিনারে নিয়ে গেছে। এরই প্রেক্ষিতে ভাইরাল ভিডিওতে ওই নারী ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, “একটা স্টুপিড জেনারেশন তৈরি হইছে। ওদেরকে পানিশমেন্ট দেওয়া উচিত। দেশ শেষ হয়ে যাবে, দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে।” ভিডিওতে ওই নারী শিক্ষার্থীদের তথাকথিত ‘দেশপ্রেম’ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। দীর্ঘ এক বছর ধরে চলা এই অস্থিরতাকে তিনি ‘কারো ইন্ধন’ হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, “ওদের অ্যাক্টিভিটিসে তো মনে হয় না যে ওরা দেশের জন্য কিছু করছে। ওরা কারো না কারো ইন্ধনে কাজ করছে বা কোথাও কোনো বেনিফিট পাচ্ছে, সেই জন্য করছে। এটা তো ঠিক না।” বিশ্লেষকদের মতে, জুলাই থেকে চলমান এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। শিক্ষার্থীদের
আন্দোলনের নামে বারবার রাস্তা অবরোধ, মব জাস্টিস এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদে আগুন দেওয়ার ঘটনাগুলো এখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওই নারীর বক্তব্যে উঠে এসেছে সেই রূঢ় বাস্তবতা—যেখানে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এই জেনারেশন নিজেরা না বুঝেই দেশকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। সাধারণ নাগরিকদের একাংশ মনে করছেন, দাবি আদায়ের নামে বছরের পর বছর ধরে শিক্ষা ও অর্থনীতিকে জিম্মি করে রাখার সংস্কৃতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভিডিওতে ওই নারীর দাবি অনুযায়ী, এই ধ্বংসাত্মক প্রবণতা রুখতে এবং দেশের অস্তিত্ব রক্ষায় কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যথায়, তার ভাষায়, “দেশ শেষ হয়ে যাবে।”
তা দেশের অর্থনীতিকে খাদের কিনারে নিয়ে গেছে। এরই প্রেক্ষিতে ভাইরাল ভিডিওতে ওই নারী ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, “একটা স্টুপিড জেনারেশন তৈরি হইছে। ওদেরকে পানিশমেন্ট দেওয়া উচিত। দেশ শেষ হয়ে যাবে, দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে।” ভিডিওতে ওই নারী শিক্ষার্থীদের তথাকথিত ‘দেশপ্রেম’ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। দীর্ঘ এক বছর ধরে চলা এই অস্থিরতাকে তিনি ‘কারো ইন্ধন’ হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, “ওদের অ্যাক্টিভিটিসে তো মনে হয় না যে ওরা দেশের জন্য কিছু করছে। ওরা কারো না কারো ইন্ধনে কাজ করছে বা কোথাও কোনো বেনিফিট পাচ্ছে, সেই জন্য করছে। এটা তো ঠিক না।” বিশ্লেষকদের মতে, জুলাই থেকে চলমান এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। শিক্ষার্থীদের
আন্দোলনের নামে বারবার রাস্তা অবরোধ, মব জাস্টিস এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদে আগুন দেওয়ার ঘটনাগুলো এখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওই নারীর বক্তব্যে উঠে এসেছে সেই রূঢ় বাস্তবতা—যেখানে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এই জেনারেশন নিজেরা না বুঝেই দেশকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। সাধারণ নাগরিকদের একাংশ মনে করছেন, দাবি আদায়ের নামে বছরের পর বছর ধরে শিক্ষা ও অর্থনীতিকে জিম্মি করে রাখার সংস্কৃতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভিডিওতে ওই নারীর দাবি অনুযায়ী, এই ধ্বংসাত্মক প্রবণতা রুখতে এবং দেশের অস্তিত্ব রক্ষায় কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যথায়, তার ভাষায়, “দেশ শেষ হয়ে যাবে।”



