ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফেনীর ২৮ পাম্পেই মিলছে না অকটেন
কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম আটক
ফের ৬ দিনের রিমান্ডে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী
পল্লবীতে যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যায় দুই ‘শুটার’ গ্রেপ্তার
লরি থেকে ২০০০ লিটার পেট্রল ও ডিজেল উধাও, জেলা-জরিমানা
নেত্রকোনায় মজুত করা ৩৫০০ লিটার পেট্রল জব্দ
গ্রেফতার এড়াতে লাফ দিয়ে ডোবায় আসামি, ৫ ঘণ্টা পর উদ্ধার
দেশ আজ ক্লান্ত, দেশ আজ ক্যান্সারে আক্রান্ত, দেশ আজ দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে দিশেহারা।
দেশ আজ ক্লান্ত।
দেশ আজ ক্যান্সারে আক্রান্ত।
দেশ আজ দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে দিশেহারা।
এই দখলদার ইউনুস শুধু অবৈধভাবে ক্ষমতায় বসেনি, দেশের প্রতিটি সেক্টরকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। প্রতিটি মানুষের জীবন, নিরাপত্তা, ভবিষ্যৎ সবকিছুর ওপর আঘাত করেছে এই দখলদার ইউনুস।
এই অমানবিক বাস্তবতা থেকে বের হতে হলে, ক্যান্সারে আক্রান্ত ধুকতে থাকা প্রিয় স্বদেশকে বাঁচাতে জননেত্রী শেখ হাসিনা ফিরে আসবে, আসতেই হবে। এটা আজ কোনো রাজনৈতিক দাবি না, এটা দেশপ্রেমিক মুক্তিকামী বাঙালি জাতির আকুল আবেদন।
আইনশৃঙ্খলা:
দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে রাস্তাঘাটে মানুষ নিরাপদ না, ঘরে মানুষ নিশ্চিন্ত মনে ঘুমাতে পারছে না। মব সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, হামলা সবকিছু এতোটাই নিয়মিতভাবে ঘটছে যে মানুষ দিশেহারা হয়ে গেছে। কবরের লাশ
পর্যন্ত এখন অনিরাপত্তায় ভোগে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও আজ অসহায়। মানুষ সন্তানকে বাইরে পাঠাতে ভয় পায়। ঘর থেকে বের হলে নিরাপদে, সুস্থভাবে বাসায় ফিরতে পারবে কিনা সেই নিশ্চয়তা নেই। এই অনিরাপদ বাংলাদেশে আবার নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে হলে অভিজ্ঞ নেতৃত্ব দরকার। জননেত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া এই অরাজকতা থামানোর কেউ নেই। দ্রব্যমূল্য: ইউনুসের দখলদার শাসনে চাল-ডাল-তেল-সবজির দাম আকাশচুম্বী। বাজারে গিয়ে মা হিসাব করে, আজ কী বাদ দেবে? সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে খাবার কমাতে হয়। কোনভাবে বাজার করে বাসায় ফিরলেও রান্না করে খাওয়ার উপায় নেই, গ্যাস নেই। রান্নাঘরের আগুন আজ রাষ্ট্রের ব্যর্থতার প্রমাণ। এই লাগামহীন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে শক্ত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা দরকার যেটা শেখ হাসিনার নেতৃত্ব
ছাড়া সম্ভব না। অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান: দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে কারখানা বন্ধ, ব্যবসা ধুঁকছে, বিনিয়োগ থেমে গেছে, তরুণদের হাতে কাজ নেই। শিক্ষিত যুবক ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছে না, পরিবার তার দিকে তাকিয়ে হতাশ। অর্থনীতি যখন ভেঙে পড়ে, তখন শুধু টাকা না মানুষের স্বপ্নও ভেঙে পড়ে। একসময় যে পুরো সংসারের হাল ধরেছিল, সে-ই এখন সংসারের বোঝা! এই অর্থনৈতিক ধ্বংস থামাতে হলে উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের পরীক্ষিত রূপকার জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ফিরতেই হবে। মানুষের নিরাপত্তা ও মানবিক অধিকার: ইউনুসের শাসনে মানুষ শুধু অনিরাপদ না, প্রতিটি পদে পদে মানুষ অপমানিত, নির্যাতিত, অসহায়। বিনা অপরাধে মামলা, গ্রেপ্তার, মাসের পর মাস কারাগারে বন্দিত্ব, প্রিয়জনের জানাজায় যাওয়ার অধিকার পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।
বাবা লাশ হয়ে সন্তানের কাছে আসে, সন্তান বাবার কবর পর্যন্ত যেতে পারে না, এই দৃশ্য কোনো সভ্য রাষ্ট্রের হতে পারে না। এই অমানবিকতা বন্ধ করতে হলে একজন মানবিক রাষ্ট্রনায়ক দরকার। বাংলাদেশকে আবার মানবিক রাষ্ট্রে পরিণত করতেই জননেত্রী শেখ হাসিনা ফিরে আসবেন। সীমান্ত ও জাতীয় নিরাপত্তা: দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে সীমান্তে গোলা পড়ছে, মানুষ আহত হচ্ছে, সমুদ্রে জেলেরা অপহৃত হচ্ছে, পরিবারগুলো মাসের পর মাস সন্তানের অপেক্ষায় বসে আছে। কিন্তু তাদের পাশে দাঁড়ানোর কেউ নেই। রাষ্ট্র যখন তার নাগরিককে রক্ষা করতে পারে না, তখন সে রাষ্ট্রের অস্তিত্বই প্রশ্নবিদ্ধ হয়। এই জাতীয় নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে হলে দৃঢ় ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন নেতৃত্ব দরকার জননেত্রী শেখ হাসিনার মতো।
আজ এই দেশ আর পরীক্ষা চায় না, নাটক চায় না, অবৈধ দখলদারিত্ব চায় না। এই দেশ চায় শান্তি। এই দেশ চায় নিরাপত্তা। এই দেশ চায় কাজ। এই দেশ চায় ভাত। এই দেশ চায় নিরাপদ ভবিষ্যৎ। আর সেই ভবিষ্যৎ ফিরিয়ে আনতে, মানুষের দুর্দশার অবসান ঘটাতে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে শেখ হাসিনা ফিরে আসবে। তাকে আসতেই হবে। "শেখ হাসিন আসবে, বাংলাদেশ হাসবে" এটা এখন কোন স্লোগান নয়, এটা দখলদার ইউনুসের দুঃশাসনে জর্জরিত অসহায় একটি জাতির কান্না।
পর্যন্ত এখন অনিরাপত্তায় ভোগে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও আজ অসহায়। মানুষ সন্তানকে বাইরে পাঠাতে ভয় পায়। ঘর থেকে বের হলে নিরাপদে, সুস্থভাবে বাসায় ফিরতে পারবে কিনা সেই নিশ্চয়তা নেই। এই অনিরাপদ বাংলাদেশে আবার নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে হলে অভিজ্ঞ নেতৃত্ব দরকার। জননেত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া এই অরাজকতা থামানোর কেউ নেই। দ্রব্যমূল্য: ইউনুসের দখলদার শাসনে চাল-ডাল-তেল-সবজির দাম আকাশচুম্বী। বাজারে গিয়ে মা হিসাব করে, আজ কী বাদ দেবে? সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে খাবার কমাতে হয়। কোনভাবে বাজার করে বাসায় ফিরলেও রান্না করে খাওয়ার উপায় নেই, গ্যাস নেই। রান্নাঘরের আগুন আজ রাষ্ট্রের ব্যর্থতার প্রমাণ। এই লাগামহীন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে শক্ত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা দরকার যেটা শেখ হাসিনার নেতৃত্ব
ছাড়া সম্ভব না। অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান: দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে কারখানা বন্ধ, ব্যবসা ধুঁকছে, বিনিয়োগ থেমে গেছে, তরুণদের হাতে কাজ নেই। শিক্ষিত যুবক ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছে না, পরিবার তার দিকে তাকিয়ে হতাশ। অর্থনীতি যখন ভেঙে পড়ে, তখন শুধু টাকা না মানুষের স্বপ্নও ভেঙে পড়ে। একসময় যে পুরো সংসারের হাল ধরেছিল, সে-ই এখন সংসারের বোঝা! এই অর্থনৈতিক ধ্বংস থামাতে হলে উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের পরীক্ষিত রূপকার জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ফিরতেই হবে। মানুষের নিরাপত্তা ও মানবিক অধিকার: ইউনুসের শাসনে মানুষ শুধু অনিরাপদ না, প্রতিটি পদে পদে মানুষ অপমানিত, নির্যাতিত, অসহায়। বিনা অপরাধে মামলা, গ্রেপ্তার, মাসের পর মাস কারাগারে বন্দিত্ব, প্রিয়জনের জানাজায় যাওয়ার অধিকার পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।
বাবা লাশ হয়ে সন্তানের কাছে আসে, সন্তান বাবার কবর পর্যন্ত যেতে পারে না, এই দৃশ্য কোনো সভ্য রাষ্ট্রের হতে পারে না। এই অমানবিকতা বন্ধ করতে হলে একজন মানবিক রাষ্ট্রনায়ক দরকার। বাংলাদেশকে আবার মানবিক রাষ্ট্রে পরিণত করতেই জননেত্রী শেখ হাসিনা ফিরে আসবেন। সীমান্ত ও জাতীয় নিরাপত্তা: দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে সীমান্তে গোলা পড়ছে, মানুষ আহত হচ্ছে, সমুদ্রে জেলেরা অপহৃত হচ্ছে, পরিবারগুলো মাসের পর মাস সন্তানের অপেক্ষায় বসে আছে। কিন্তু তাদের পাশে দাঁড়ানোর কেউ নেই। রাষ্ট্র যখন তার নাগরিককে রক্ষা করতে পারে না, তখন সে রাষ্ট্রের অস্তিত্বই প্রশ্নবিদ্ধ হয়। এই জাতীয় নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে হলে দৃঢ় ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন নেতৃত্ব দরকার জননেত্রী শেখ হাসিনার মতো।
আজ এই দেশ আর পরীক্ষা চায় না, নাটক চায় না, অবৈধ দখলদারিত্ব চায় না। এই দেশ চায় শান্তি। এই দেশ চায় নিরাপত্তা। এই দেশ চায় কাজ। এই দেশ চায় ভাত। এই দেশ চায় নিরাপদ ভবিষ্যৎ। আর সেই ভবিষ্যৎ ফিরিয়ে আনতে, মানুষের দুর্দশার অবসান ঘটাতে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে শেখ হাসিনা ফিরে আসবে। তাকে আসতেই হবে। "শেখ হাসিন আসবে, বাংলাদেশ হাসবে" এটা এখন কোন স্লোগান নয়, এটা দখলদার ইউনুসের দুঃশাসনে জর্জরিত অসহায় একটি জাতির কান্না।



