ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মেয়াদ শেষ চসিকের: সরতে নারাজ মেয়র শাহাদাত, দাবি ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকার
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে চিফ প্রসিকিউটর তাজুলকে
সংবিধান রক্ষায় অবিচল রাষ্ট্রপতি: ড. ইউনূসের চরম স্বেচ্ছাচারিতা ও অসাংবিধানিক ষড়যন্ত্র ফাঁস
ড. ইউনূসের বিদায় ‘নাটক’, ১৮ মাসে ৪ লাখ কোটি টাকা ঋণ
গণভবনের মতো বঙ্গভবনেও লুটপাটের পরিকল্পনা ছিল ইউনূস গংয়ের!
রাষ্ট্রপতিকে না জানিয়ে আমেরিকার সঙ্গে দেশবিরোধী চুক্তি করেছিলেন ইউনূস
দেড় বছরে দেশ থেকে কী কী নিয়ে গেলেন ইউনূস
‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন, আজ নিজেই মিথ্যা মামলায় বন্দী’: ব্যারিস্টার সুমনের নিঃশর্ত মুক্তি চাইলেন স্ত্রী
দেশের স্বার্থে একের পর এক জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট মামলা করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন আজ নিজেই ‘মিথ্যা মামলায়’ কারাগারে বন্দী বলে মন্তব্য করেছেন তাঁর স্ত্রী আইনজীবী সাম্মি আক্তার। স্বামীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করে তিনি বলেছেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলাই কি তাঁর অপরাধ?’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের অফিশিয়াল পেজ থেকে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন অ্যাডভোকেট সাম্মি আক্তার। স্ট্যাটাসে তিনি ব্যারিস্টার সুমনের করা একাধিক আলোচিত আইনি পদক্ষেপের বিবরণ তুলে ধরে দেশের প্রতি তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দেন।
সাম্মি আক্তার তাঁর পোস্টে আক্ষেপ করে লেখেন, ‘আমার স্বামী ব্যারিস্টার সুমন, যিনি নিজেই
বাদী হয়ে দেশের স্বার্থে একের পর এক মামলা করেছেন, আজ তিনিই মিথ্যা মামলায় কারাগারে বন্দী! হায়রে বাংলাদেশ… কী নির্মম তোমার উপহার!’ তিনি আরও লেখেন, ব্যারিস্টার সুমন ক্ষমতাবানদের রোষানলে পড়েও থেমে যাননি। দেশের স্বার্থে, জনগণের টাকায় লুটপাট বন্ধের জন্য হাইকোর্টে রিট করেছেন, দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ দিয়েছেন এবং বিচার চেয়েছেন। উল্লেখযোগ্য আইনি পদক্ষেপ স্ট্যাটাসে ব্যারিস্টার সুমনের করা যেসব গুরুত্বপূর্ণ আইনি পদক্ষেপের কথা তুলে ধরা হয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: এস আলমের অর্থ পাচার: এস আলম গ্রুপের বিদেশে অবৈধভাবে টাকা পাচার বিষয়ে রিট, যার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত দুদককে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সালাম মুর্শেদীর বাড়ি দখল: বাফুফের সাবেক সহসভাপতি সালাম মুর্শেদীর গুলশানে অবৈধভাবে বাড়ি দখলের বিরুদ্ধে রিট, যার
রায়ে কয়েক শ কোটি টাকা মূল্যের ওই বাড়ি রাষ্ট্র ফেরত পায়। বেনজীর ও বাফুফের দুর্নীতি: সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদকে অভিযোগ এবং বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগের দুর্নীতির বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট। রূপপুর বালিশকাণ্ড ও নুসরাত হত্যা: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বালিশকাণ্ডের তদন্ত চেয়ে রিট (যার ফলে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা চাকরি হারান) এবং নুসরাত হত্যা মামলায় জড়িত ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের সাজার জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা। অন্যান্য: ওয়াসার এমডির বিরুদ্ধে রিট, আবদুস সোবহান গোলাপের অবৈধ সম্পদের বিষয়ে রিট, বোরাক টাওয়ারের (হোটেল শেরাটন) কর ফাঁকির বিরুদ্ধে রিট করে সিটি করপোরেশনকে বিপুল অঙ্কের সম্পত্তি বুঝিয়ে দেওয়া, প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক
বিক্রি বন্ধের নির্দেশনাসহ জনস্বার্থে করা অসংখ্য মামলার কথা উল্লেখ করেন তিনি। ‘এটি রাষ্ট্রের বিবেকের প্রশ্ন’ স্ট্যাটাসের শেষাংশে সাম্মি আক্তার বলেন, ‘এমন অসংখ্য মামলা, অসংখ্য লড়াই— সবই দেশের জন্য, মানুষের জন্য। আজ সেই মানুষটিই কেন কারাগারে?’ স্বামীর বিচারপ্রক্রিয়াকে ‘রাষ্ট্রের বিবেকের প্রশ্ন’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি এটি শুধু একজন মানুষের বিচার নয়— এটি ন্যায়বিচারের প্রশ্ন। আমরা ব্যারিস্টার সুমনের সম্মানজনক মুক্তি চাই। আমরা ন্যায়বিচার চাই, ইনসাফ চাই। পরিশেষে ব্যারিস্টার সুমনের নিঃশর্ত মুক্তি চাই।’ উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন অসঙ্গতি তুলে ধরে জনপ্রিয় হওয়া ব্যারিস্টার সুমন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-চার আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের
পতন হওয়ার পর গত বছরের অক্টোবরের শেষ দিকে রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ছাত্র আন্দোলন চলাকালে মিরপুরে হামলা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর থেকেই তিনি কারাগারে বন্দী রয়েছেন।
বাদী হয়ে দেশের স্বার্থে একের পর এক মামলা করেছেন, আজ তিনিই মিথ্যা মামলায় কারাগারে বন্দী! হায়রে বাংলাদেশ… কী নির্মম তোমার উপহার!’ তিনি আরও লেখেন, ব্যারিস্টার সুমন ক্ষমতাবানদের রোষানলে পড়েও থেমে যাননি। দেশের স্বার্থে, জনগণের টাকায় লুটপাট বন্ধের জন্য হাইকোর্টে রিট করেছেন, দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ দিয়েছেন এবং বিচার চেয়েছেন। উল্লেখযোগ্য আইনি পদক্ষেপ স্ট্যাটাসে ব্যারিস্টার সুমনের করা যেসব গুরুত্বপূর্ণ আইনি পদক্ষেপের কথা তুলে ধরা হয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: এস আলমের অর্থ পাচার: এস আলম গ্রুপের বিদেশে অবৈধভাবে টাকা পাচার বিষয়ে রিট, যার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত দুদককে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সালাম মুর্শেদীর বাড়ি দখল: বাফুফের সাবেক সহসভাপতি সালাম মুর্শেদীর গুলশানে অবৈধভাবে বাড়ি দখলের বিরুদ্ধে রিট, যার
রায়ে কয়েক শ কোটি টাকা মূল্যের ওই বাড়ি রাষ্ট্র ফেরত পায়। বেনজীর ও বাফুফের দুর্নীতি: সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদকে অভিযোগ এবং বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগের দুর্নীতির বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট। রূপপুর বালিশকাণ্ড ও নুসরাত হত্যা: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বালিশকাণ্ডের তদন্ত চেয়ে রিট (যার ফলে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা চাকরি হারান) এবং নুসরাত হত্যা মামলায় জড়িত ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের সাজার জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা। অন্যান্য: ওয়াসার এমডির বিরুদ্ধে রিট, আবদুস সোবহান গোলাপের অবৈধ সম্পদের বিষয়ে রিট, বোরাক টাওয়ারের (হোটেল শেরাটন) কর ফাঁকির বিরুদ্ধে রিট করে সিটি করপোরেশনকে বিপুল অঙ্কের সম্পত্তি বুঝিয়ে দেওয়া, প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক
বিক্রি বন্ধের নির্দেশনাসহ জনস্বার্থে করা অসংখ্য মামলার কথা উল্লেখ করেন তিনি। ‘এটি রাষ্ট্রের বিবেকের প্রশ্ন’ স্ট্যাটাসের শেষাংশে সাম্মি আক্তার বলেন, ‘এমন অসংখ্য মামলা, অসংখ্য লড়াই— সবই দেশের জন্য, মানুষের জন্য। আজ সেই মানুষটিই কেন কারাগারে?’ স্বামীর বিচারপ্রক্রিয়াকে ‘রাষ্ট্রের বিবেকের প্রশ্ন’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি এটি শুধু একজন মানুষের বিচার নয়— এটি ন্যায়বিচারের প্রশ্ন। আমরা ব্যারিস্টার সুমনের সম্মানজনক মুক্তি চাই। আমরা ন্যায়বিচার চাই, ইনসাফ চাই। পরিশেষে ব্যারিস্টার সুমনের নিঃশর্ত মুক্তি চাই।’ উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন অসঙ্গতি তুলে ধরে জনপ্রিয় হওয়া ব্যারিস্টার সুমন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-চার আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের
পতন হওয়ার পর গত বছরের অক্টোবরের শেষ দিকে রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ছাত্র আন্দোলন চলাকালে মিরপুরে হামলা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর থেকেই তিনি কারাগারে বন্দী রয়েছেন।



