ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘শেখ হাসিনাকে ফেরতের বিষয়টি বিবেচনা করছে ভারত’
১৭ই এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাঙালি জাতির স্বাধীনতা অর্জনের এক স্মৃতি বিজড়িত দিন
আওয়ামী লীগ নেতাদের মুক্তিতে প্রথম আলোর জোরালো অবস্থান
অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে জুলাই-আগস্টে ঢাকায় হত্যাকাণ্ড বাড়ানোর নির্দেশ দেয় কে?
সেনা জেনারেলদের গভীর রাতের বৈঠকই শেখ হাসিনার সরকারের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়
ইউনূস আমলে এলএনজি ক্রয়ে দুর্নীতি ৮৫৫ মিলিয়ন ডলার; জুন পর্যন্ত এলএনজি-সার কিনতে দরকার অতিরিক্ত ২.৬১ বিলিয়ন ডলার
মুজিবনগর দিবসে কোনো কর্মসূচি রাখেনি বিএনপির সরকার;স্মৃতিসৌধে মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা
দুদকের চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদত্যাগ
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) পদত্যাগ করেন তিনি। একই সঙ্গে কমিশনার আছিয়া খাতুন ও জহুরুল হকও পদত্যাগ করেছেন।
মঙ্গলবার দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ, কমিশনার আছিয়া খাতুন ও জহুরুল হক তাদের পদত্যাগপত্র দুদক সচিবের কাছে জমা দিয়েছেন।
এ বিষয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ও দুদক সংস্কার কমিশনের প্রধান ইফতেখারুজ্জামান জানান, আজ বিকেল সাড়ে ৩টায় দুদক সংস্কার কমিশনের একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই এই তিনজন পদত্যাগ করেছেন বলে তিনি জানতে পেরেছেন।
তিনি বলেন, ‘দুপুরে দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ আমাকে
ফোন করে জানান, উপরমহল থেকে তাদেরকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। তাই তারা পদত্যাগ করেছেন। তবে পদত্যাগ সংস্কার কমিশনের কার্যক্রমে কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।’ প্রসঙ্গত, মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ দুদকের ষষ্ঠ চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০২১ সালের ৩ মার্চ রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহর নিয়োগের গেজেটে সই করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। ইকবাল মাহমুদের স্থলাভিষিক্ত হন মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ। এর আগে তিনি কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ছিলেন। বাকি দুই কমিশনারদের মধ্যে আছিয়া খাতুন ছিলেন সাবেক সচিব। এছাড়া জহুরুল হক সাবেক জজ ছিলেন। এই কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিলো তারা আওয়ামী লীগ সরকারের আজ্ঞাবহ হিসেবে দুদক পরিচালনা করেছেন। তারা রাষ্ট্রের স্বার্থের চেয়ে সরকারের স্বার্থকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন।
ফোন করে জানান, উপরমহল থেকে তাদেরকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। তাই তারা পদত্যাগ করেছেন। তবে পদত্যাগ সংস্কার কমিশনের কার্যক্রমে কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।’ প্রসঙ্গত, মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ দুদকের ষষ্ঠ চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০২১ সালের ৩ মার্চ রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহর নিয়োগের গেজেটে সই করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। ইকবাল মাহমুদের স্থলাভিষিক্ত হন মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ। এর আগে তিনি কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ছিলেন। বাকি দুই কমিশনারদের মধ্যে আছিয়া খাতুন ছিলেন সাবেক সচিব। এছাড়া জহুরুল হক সাবেক জজ ছিলেন। এই কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিলো তারা আওয়ামী লীগ সরকারের আজ্ঞাবহ হিসেবে দুদক পরিচালনা করেছেন। তারা রাষ্ট্রের স্বার্থের চেয়ে সরকারের স্বার্থকে বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন।



