দাসত্বের দালালেরা ২০০১ এ যেভাবে সফল হয়েছিল, একইভাবে এবারও সফল – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

দাসত্বের দালালেরা ২০০১ এ যেভাবে সফল হয়েছিল, একইভাবে এবারও সফল

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
যেই রজার খলিলকে তারেক রহমান তার ক্যাবিনেটে ফরেন মিনিস্টার বানালো সে ২০০১ সালে বাংলাদেশে সফররত ৩৯তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট (সফররত সময় সাবেক) জিমি কার্টারের সাথে দুই নেত্রীর বৈঠকে মধ্যস্থতায় ছিলো। সেই বৈঠক থেকে শেখ হাসিনা বেরিয়ে এলেও সমঝোতা হয় খালেদা জিয়ার সাথে।বাংলাদেশের অর্থনীতি সমঝোতা ছিল বাংলাদেশের স্থলসীমায় গ্যাস ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইজারা দেওয়ার জন্য। এই সমঝোতার কারণে ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে হারিয়ে দেওয়া হয়। সেই সময়ের প্রেক্ষাপট কী ছিল? বঙ্গোপসাগরের অফশোর গ্যাস ব্লক; স্থলভাগের গ্যাস রিজার্ভ; দক্ষিণ এশিয়ায় জ্বালানি করিডর রাজনীতি; ভারত–যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত ঘনিষ্ঠতার সূচনা পর্যায়। শেখ হাসিনা কার্টারের মুখের উপর তার মার্কিন দাসত্বের উপর না করে দেন। হেঁটে বেরিয়ে যান।

কিন্তু খালেদা জিয়া রাজি হন। ফলাফল খুব অনুমেয়। সূক্ষভাবে হারিয়ে দেওয়া হয় আওয়ামী লীগকে। ভোটের ফলাফল আরও বড় প্রশ্ন তোলে। আওয়ামী লীগ: ৪০.১২%; বিএনপি: ৪০.৯%। ভোটের পার্থক্য ১% এরও কম। কিন্তু আসন: ১৯৩ বনাম ৬২। ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট সিস্টেম ব্যবধান বাড়ায় সেটা সত্য। কিন্তু যখন দেখা যায় বহু আসনে খুবই অল্প ভোটে ধারাবাহিক পরাজয়, তখন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এটাকে “টার্গেটেড সুইং” বলেন। এটা স্বতঃস্ফূর্ত না, নাকি স্ট্র্যাটেজিক এই প্রশ্নটাই মূল। দক্ষিণ এশিয়ার বাস্তবতা হলো ক্ষমতায় টিকে থাকতে আন্তর্জাতিক বৈধতা লাগে। দিল্লির কৌশলগত সম্মতি এবং ওয়াশিংটনের ভূরাজনৈতিক স্বীকৃতি ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি ক্ষমতা টেকানো কঠিন। ২০০০-এর দশকে ভারত চেয়েছিল নিরাপদ পূর্ব সীমান্ত, ট্রানজিট সুবিধা, এবং আঞ্চলিক জ্বালানি প্রবাহে নিয়ন্ত্রণ। যুক্তরাষ্ট্র চেয়েছিল

জ্বালানি প্রবেশাধিকার ও ইন্দো -প্যাসিফিক অক্ষ শক্তিশালী করা। বাংলাদেশ সেখানে ছিল একটি “সুইং টেরিটরি”।নির্বাচন প্রক্রিয়া শেখ হাসিনার সরকারের সময়ে ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে ভারত ও মিয়ানমারের বিরুদ্ধে সমুদ্রসীমা মামলায় বাংলাদেশ বিজয়ী হয়। বঙ্গোপসাগরের বিশাল সামুদ্রিক অঞ্চল বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে আসে। এটি শুধু আইনি জয় নয় এটি ছিল জ্বালানি ও নৌ-কৌশলগত বিজয়। গ্যাস, ব্লু ইকোনমি, সাবমেরিন রুট সবকিছু নতুন করে। সংজ্ঞায়িত হয়। স্বাভাবিকভাবেই নব্য সম্রাজ্যবাদের স্বপ্নে বিভোর ভারতের তা ভালো লাগেনি। আর সম্রাজ্যবাদের সবচেয়ে বড় শত্রু জাতীয়তাবাদী শক্তি। বাংলাদেশে একমাত্র বাঙালি জাতীয়তাবাদী শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। ইউনূস দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমা রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক বলয়ের প্রিয় মুখ। নোবেল বিজয়ী, আন্তর্জাতিক আর্থিক নেটওয়ার্কে প্রভাবশালী, বৈশ্বিক সিভিল সোসাইটির আইকন। প্রশ্ন

হচ্ছে, বাংলাদেশে অরাজনৈতিক ইমেজের নেতৃত্ব কি কখনও বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক সমঝোতার বাহক হিসেবে ব্যবহৃত হয়? উন্নয়ন অর্থনীতি, এনজিও নেটওয়ার্ক, আন্তর্জাতিক তহবিল এসব কেবল সামাজিক খাত নয়; এগুলো নরম শক্তির (soft power) হাতিয়ারও। বিএনপি দীর্ঘদিন ভারতবিরোধী বক্তব্যে রাজনীতি করেছে। কিন্তু ক্ষমতায় আসতে গেলে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাগে। বাস্তবতা হলো জাতীয়তাবাদী ভাষণ এক জিনিস, রাষ্ট্রক্ষমতার দরকষাকষি আরেক জিনিস। যদি দিল্লি। ওয়াশিংটনের আস্থাভাজন না হওয়া যায়, দক্ষিণ এশিয়ায় দীর্ঘমেয়াদি ক্ষমতা প্রায় অসম্ভব।রাজনৈতিক বিতর্ক যে-কারণে হোম মিনিস্ট্রির কেবলা দিল্লির দিকে আর ফরেন মিনিস্ট্রি ওয়াশিংটনের দিকে ঘুরিয়ে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এর যাত্রা শুরু। সারাজীবন আওয়ামী লীগকে ভারতের দালাল বলা সুশীলরা এখন চুপ থাকবে। ভারত আর আমেরিকার হাতে দেশের সার্বভৌমত্ব তুলে

দিয়ে ক্ষমতার মসনদে বসেছেন তারেক রহমান। আর ভারত আমেরিকাসহ যেকোন সম্রাজ্যবাদীদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে যে লৌহমানবী চোখে চোখে কথা বলতেন তাকে ক্ষমতা থেকে নামাইছো। বেস্ট অফ লাক! দিল্লি নয় পিন্ডি নয় সবার আগে ওয়াশিংটন। তারপর একটুখানি দিল্লি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ঠাকুরগাঁও বার নির্বাচনে আ’লীগ পন্থী প্রার্থীদের বড় চমক ঐতিহাসিক ১০ এপ্রিল: একাত্তরের এ দিনে গঠিত হয়েছিল মুজিবনগর সরকার চাঁদপুর ও মাদারীপুরে মিড ডে মিলের নিম্নমানের খাবারে প্রাথমিক শিশুরা অসুস্থ যুক্তরাষ্ট্রের সাথে মাখামাখির ফল: বাংলাদেশি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার জাহাজকে হরমুজ পেরোনোর অনুমতি দেয়নি ইরান নিত্যপণ্যের বাজার লাগামহীন: বিপাকে সাধারণ মানুষ, প্রকাশ্যেই ঝাড়ছেন ক্ষোভ ড. মামুনুর রশীদ: জ্বালানি সংকটের ধাক্কায় অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে বাংলাদেশ, জিডিপি প্রবৃদ্ধি নামবে ২.৮%-তে হরমুজ প্রণালীতে ইরানের নতুন নিয়ন্ত্রণ নীতি ঘিরে বৈশ্বিক উদ্বেগ অ্যাটলেটিকোর কাছে হারের পর উয়েফার কাছে বার্সেলোনার নালিশ গার্বেজ গিলে বেঁচে থাকার সিদ্ধান্ত প্রত্যেকের নিজের, এতে ইতিহাসের সত্য বদলায় না চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ছাত্রলীগের বিশাল মিছিল আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিধিনিষেধ আরোপে আন্তর্জাতিক জোটের উদ্বেগ-নিন্দা মানুষ সুখী নারীকে সহ্য করতে পারে না: হানিয়া ২ বিভাগে বৃষ্টির আভাস পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলে করণীয় কী? জেনে নিন রিনিউ করার নিয়ম অনলাইনে কিভাবে টিন সার্টিফিকেট করবেন শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে সমঝোতা না হলে ইরানকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প বাঁধাকপির বস্তার নিচে লুকিয়ে পাচারের সময় ১.৬ টন মাদক জব্দ বিয়ে করছেন টেইলর সুইফট, অনুষ্ঠান হবে নিউইয়র্কে দেশে আজ সোনার ভরি কত