ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩
হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর…
কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামিদের বাড়িতে আগুন, নিহত ৩
মুন্সীগঞ্জে ৫ বছরের শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে ১ জন গ্রেপ্তার।
কুষ্টিয়ায় ফাঁকা স্কুলঘরে নিয়ে শিশু ধর্ষণ, যুবককে গণপিটুনি দিয়ে হাসপাতালে
কালিয়াকৈরে শিশু ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ধামাচাপা দিতে সালিশ, মায়ের মামলা
তাহিরপুর দুই কিশোরের গণধর্ষণের শিকার ৭ বছরের শিশু
থানার ভেতরে ঢুকে এএসআইকে ছুরি মেরে পালালো দুর্বৃত্ত
দায়িত্ব পালন করা অবস্থায় মহসিন আলী নামের এক এএসআইকে ছুরি মেরে নির্বিঘ্নে পালিয়ে গেছে এক দুর্বৃত্ত। বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) রাত ১০টার দিকে গাইবান্ধার সাঘাটা থানায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গোটা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। থানার ভেতরে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে পুলিশ কিভাবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা দেবে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে দায়িত্বরত সেন্ট্রি সিরাজুল ইসলামের অস্ত্র ধরে এক ব্যক্তি টানাটানি শুরু করে। এরপর দায়িত্বরত এএসআই মহসিন আলী সেই ব্যক্তিকে অস্ত্র নিতে বাধা দিলে সে ছুরিকাঘাত করে। এ সময় হাতের একটি নখে ও কপালে ছুরিকাঘাত করে সেই দুর্বৃত্ত। এ সময় পুলিশ
সদস্য চিৎকার করলে থানা পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। তারা ওই দুর্বৃত্তকে ধাওয়া করলে সে দৌড়ে পাশের সাঘাটা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুরে লাফিয়ে পড়ে পালিয়ে যায়। পুকুরটি কচুরিপানায় পরিপূর্ণ হওয়ায় তাকে খুঁজে বের করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার পর থেকেই থানার পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয় শত শত মানুষ হামলাকারীকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলম বলেন, আঘাত করা ব্যক্তিটির মানসিক সমস্যা ছিল। সে মূলত দায়িত্বরত সেন্ট্রি সিরাজুল ইসলামের অস্ত্র ধরে টানাটানি করছিল। এএসআই মহসিন সেই দুর্বৃত্তকে নিষেধ ও সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে ছুরিকাঘাত শুরু করে। তাকে খোঁজা হচ্ছে। পরে বিস্তারিত জানানো
হবে। তবে পুলিশকে ছুরিকাঘাত করা ব্যক্তিটি মানসিক সমস্যাগ্রস্ত এমন তথ্য স্থানীয়রা কেউ স্বীকার করেনি।
সদস্য চিৎকার করলে থানা পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। তারা ওই দুর্বৃত্তকে ধাওয়া করলে সে দৌড়ে পাশের সাঘাটা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুরে লাফিয়ে পড়ে পালিয়ে যায়। পুকুরটি কচুরিপানায় পরিপূর্ণ হওয়ায় তাকে খুঁজে বের করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার পর থেকেই থানার পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয় শত শত মানুষ হামলাকারীকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলম বলেন, আঘাত করা ব্যক্তিটির মানসিক সমস্যা ছিল। সে মূলত দায়িত্বরত সেন্ট্রি সিরাজুল ইসলামের অস্ত্র ধরে টানাটানি করছিল। এএসআই মহসিন সেই দুর্বৃত্তকে নিষেধ ও সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে ছুরিকাঘাত শুরু করে। তাকে খোঁজা হচ্ছে। পরে বিস্তারিত জানানো
হবে। তবে পুলিশকে ছুরিকাঘাত করা ব্যক্তিটি মানসিক সমস্যাগ্রস্ত এমন তথ্য স্থানীয়রা কেউ স্বীকার করেনি।



