ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশের বাজারে কমল স্বর্ণের দাম
এবার ভারতে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
বেড়েছে সবজি-ডিম-মুরগির দাম, ভোক্তার নাভিশ্বাস
ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড নিয়ে সতর্কবার্তা
ঈদের আগে নতুন নোটের সংকট: বঙ্গবন্ধুর ছবি থাকায় বাজারে ছাড়া হচ্ছে না ১৬ হাজার কোটি টাকা, উল্টো নতুন নোট ছাপার পেছনে অপব্যয়
চামড়া শিল্পে বছরে ৫০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানির সুযোগ হাতছাড়া বাংলাদেশের
বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম
তেলের সংকট আরও তীব্র হতে পারে, বাড়ছে দাম
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা ও সাম্প্রতিক হামলার খবরের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবারও বেড়েছে।
বৃহস্পতিবার এক পর্যায়ে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৫ ডলার পর্যন্ত বেড়ে যায়। পরে কিছুটা কমলেও দিনের শেষে ব্রেন্ট ক্রুড দাঁড়ায় ১০৫ ডলার এবং ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট দাঁড়ায় (ডব্লিউটিআই) প্রায় ৯৬ ডলারে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, তেহরানে আকাশ প্রতিরক্ষা সক্রিয় হওয়া, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক টানাপড়েন এবং সম্ভাব্য নতুন হামলার আশঙ্কা— এসব কারণে বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে।
এদিকে, ইরানের শীর্ষ আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ পদত্যাগ করেছেন বলে খবর এসেছে, যা দেশটির অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
অন্যদিকে, শান্তি আলোচনা অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল এখনো সীমিত রয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে এই পথ দিয়ে
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবাহিত হতো। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালির ওপর ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ রাখছে এবং ইরানের সঙ্গে চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত এটি কার্যত বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের তেলবাহী জাহাজগুলোকে বাধা দিচ্ছে এবং কয়েকটি ট্যাংকারকে পথ পরিবর্তনে বাধ্য করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধবিরতি বাড়ানো হলেও পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত। ফলে তেলের দামে ওঠানামা অব্যাহত থাকতে পারে। একইসঙ্গে সরবরাহ সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তথ্যসূত্র : রয়টার্স
বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবাহিত হতো। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালির ওপর ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ রাখছে এবং ইরানের সঙ্গে চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত এটি কার্যত বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে মার্কিন নৌবাহিনী ইরানের তেলবাহী জাহাজগুলোকে বাধা দিচ্ছে এবং কয়েকটি ট্যাংকারকে পথ পরিবর্তনে বাধ্য করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধবিরতি বাড়ানো হলেও পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত। ফলে তেলের দামে ওঠানামা অব্যাহত থাকতে পারে। একইসঙ্গে সরবরাহ সংকট আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তথ্যসূত্র : রয়টার্স



