ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আন্তর্জাতিক ও জাতিসংঘের ৬৬ সংস্থা থেকে সরে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
কানাডার এমপি পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড
তেলের দখল সামনে আনছে পেট্রোডলার, শুল্কের রাজনীতি
সিরিয়ায় কারফিউ, শহর ছেড়ে পালাচ্ছে হাজার হাজার বাসিন্দা
যুক্তরাষ্ট্রে যেতে কাদের, কত জামানত লাগবে
মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারলে অভিশংসন করা হতে পারে, উদ্বিগ্ন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড: বাংলাদেশ কেন তালিকায়, কাদের জন্য জামানত
তৃণমূলের পরামর্শক সংস্থায় ইডির অভিযান, ফাইল-হার্ডডিস্ক নিয়ে এলেন মমতা
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূলের পরামর্শক সংস্থা আইপ্যাকের দপ্তরে এবং এর প্রধানের বাড়িতে আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দেশটির এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। তবে অভিযানে বাধা দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল, হার্ডডিস্ক নিয়ে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা।
সম্প্রতি কয়লা পাচারকাণ্ডের পুরনো মামলায় তৎপর হয়ে উঠেছে ভারতের কেন্দ্রীয় আর্থিক তদন্তকারী সংস্থা ইডি। সেই মামলার তদন্তেই বৃহস্পতিবার সকালে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনর বাড়িতে যান ইডি কর্মীরা। কলকাতার সল্টলেকে সংস্থার অফিসেও তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা।
সকালে প্রথমে লাউডন স্ট্রিটে প্রতীকের বাড়িতে পৌঁছেন তদন্তকারীরা। সেখানে তল্লাশি শুরু হওয়ার সাড়ে চার ঘণ্টার মধ্যে আসেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার। এর কিছুক্ষণ পর প্রতীকের বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
গাড়ি থেকে নেমে
কিছুটা রাস্তা হেঁটে বাড়ির ভিতর ঢুকে যান মমতা। কিছুক্ষণ পর একটি হার্ডডিস্ক ও একটি সবুজ ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসেন তিনি। সেখানে ক্ষোভ ঝাড়েন মমতা। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে পুরোনো মামলা নিয়ে তৎপর হয়ে উঠেছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। তিনি বলেন, "অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা যে ইডি আমার আইটি সেক্টরের অফিসে হানা দিয়েছে। ইনচার্জের অফিসে হানা দিয়ে কম্পিউটার হার্ড ডিস্ক নিতে এসেছিল। দলের প্রার্থী তালিকা, দলের কৌশল এবং দলের পরিকল্পনা হাতাতে এসেছিল এরা। এই কি ইডি এবং অমিত শাহের ডিউটি?" কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দোষারোপ করে মমতা বলেন, "দেশ রক্ষা করতে পারে না, আর আমার দলের তথ্য হাতাতে এসেছেন? আমি যদি বিজেপির পার্টি
অফিসে তল্লাশি চালাই- তাহলে ফল কী হবে?" মমতা আরও বলেন, "আমি সব নিয়ে এসেছি দেখুন। প্রতীকের সঙ্গে কথা হয়েছে, আমার দলের ইনচার্জ ও। আমার আইটি অফিসেও গিয়েছে সল্টলেকে। এখন ওখানে যাচ্ছি।" বেলা একটার কিছু আগে সেক্টর ফাইভে আইপ্যাক অফিসে পৌঁছানোর পর বেসমেন্ট দিয়ে লিফট ব্যবহার করে ১২ তলার অফিসে যান মমতা। অভিযান চলাকালীনই আইপ্যাকের অফিস থেকে ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসেন পুলিশকর্মীরা। এরপর তা রাখা হয় মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ির পিছনের আসনে। সেই গাড়ি ঘিরে রাখে পুলিশ বাহিনী। বেলা দেড়টা পর্যন্ত তদন্ত চলা অবস্থায় আইপ্যাকের অফিসে অবস্থান করেন মমতা। ভোরে যখন অভিযান শুরু হয়, তখন আইপ্যাকের দফতরে বিশেষ কেউ ছিলেন না। ছিলেন নাইট ডিউটিতে থাকা কয়েক
জন। তাদের সামনেই অভিযান শুরু হয়। কিছুক্ষণ পরই সেখানে পৌঁছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার নির্দেশেই রাজ্য পুলিশ তদন্তকারীদের সামনে একাধিক ফাইল ও কম্পিউটার হার্ডডিস্ক নিয়ে আসে। ইডির অভিযান চলাকালে মুখ্যমন্ত্রীর এই ভূমিকা প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা কৌস্তুভ বাগচী বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী যা করলেন তা সাংবিধানিক কাজে হস্তক্ষেপ এবং কাজে বাধা দান। এই কাজকে নিন্দা জানাই। ইডির উচিত তার ক্ষমতা বলে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া।" এদিকে পশ্চিমবঙ্গ বিধান সভায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "আইপ্যাকের কাছে ভোটার লিস্ট থাকবে কেন? আমি ইডির তদন্তের ব্যাপারে ঢুকব না। মুখ্যমন্ত্রীর সেখানে যাওয়াকে অসাংবিধানিক ও অনৈতিক বলে মনে করি।" এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান বিজেপি নেতা শুভেন্দু।
কিছুটা রাস্তা হেঁটে বাড়ির ভিতর ঢুকে যান মমতা। কিছুক্ষণ পর একটি হার্ডডিস্ক ও একটি সবুজ ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসেন তিনি। সেখানে ক্ষোভ ঝাড়েন মমতা। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে পুরোনো মামলা নিয়ে তৎপর হয়ে উঠেছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। তিনি বলেন, "অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা যে ইডি আমার আইটি সেক্টরের অফিসে হানা দিয়েছে। ইনচার্জের অফিসে হানা দিয়ে কম্পিউটার হার্ড ডিস্ক নিতে এসেছিল। দলের প্রার্থী তালিকা, দলের কৌশল এবং দলের পরিকল্পনা হাতাতে এসেছিল এরা। এই কি ইডি এবং অমিত শাহের ডিউটি?" কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দোষারোপ করে মমতা বলেন, "দেশ রক্ষা করতে পারে না, আর আমার দলের তথ্য হাতাতে এসেছেন? আমি যদি বিজেপির পার্টি
অফিসে তল্লাশি চালাই- তাহলে ফল কী হবে?" মমতা আরও বলেন, "আমি সব নিয়ে এসেছি দেখুন। প্রতীকের সঙ্গে কথা হয়েছে, আমার দলের ইনচার্জ ও। আমার আইটি অফিসেও গিয়েছে সল্টলেকে। এখন ওখানে যাচ্ছি।" বেলা একটার কিছু আগে সেক্টর ফাইভে আইপ্যাক অফিসে পৌঁছানোর পর বেসমেন্ট দিয়ে লিফট ব্যবহার করে ১২ তলার অফিসে যান মমতা। অভিযান চলাকালীনই আইপ্যাকের অফিস থেকে ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসেন পুলিশকর্মীরা। এরপর তা রাখা হয় মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ির পিছনের আসনে। সেই গাড়ি ঘিরে রাখে পুলিশ বাহিনী। বেলা দেড়টা পর্যন্ত তদন্ত চলা অবস্থায় আইপ্যাকের অফিসে অবস্থান করেন মমতা। ভোরে যখন অভিযান শুরু হয়, তখন আইপ্যাকের দফতরে বিশেষ কেউ ছিলেন না। ছিলেন নাইট ডিউটিতে থাকা কয়েক
জন। তাদের সামনেই অভিযান শুরু হয়। কিছুক্ষণ পরই সেখানে পৌঁছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার নির্দেশেই রাজ্য পুলিশ তদন্তকারীদের সামনে একাধিক ফাইল ও কম্পিউটার হার্ডডিস্ক নিয়ে আসে। ইডির অভিযান চলাকালে মুখ্যমন্ত্রীর এই ভূমিকা প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা কৌস্তুভ বাগচী বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী যা করলেন তা সাংবিধানিক কাজে হস্তক্ষেপ এবং কাজে বাধা দান। এই কাজকে নিন্দা জানাই। ইডির উচিত তার ক্ষমতা বলে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া।" এদিকে পশ্চিমবঙ্গ বিধান সভায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "আইপ্যাকের কাছে ভোটার লিস্ট থাকবে কেন? আমি ইডির তদন্তের ব্যাপারে ঢুকব না। মুখ্যমন্ত্রীর সেখানে যাওয়াকে অসাংবিধানিক ও অনৈতিক বলে মনে করি।" এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান বিজেপি নেতা শুভেন্দু।



