ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বনের নৈসর্গিক পরিবেশে বিশ্বসাহিত্য ও সংস্কৃতির অনন্য মিলনমেলা: নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হলো চতুর্থ রকল্যান্ড রিট্রিট ও বইমেলা ২০২৬
পূর্ণিমার আলোয় রকওয়ে বিচে ফিরছে বহুল প্রতীক্ষিত জোছনা উৎসব: কয়েক বছর পর ৩১ জুলাই প্রবাসী বাঙালিদের মিলনমেলায় নাচ, গান, কবিতা, ঘুড়ি উৎসব ও তারকাদের অংশগ্রহণ
‘ইতিহাস মুছে ফেলা এত সহজ নয়, বাংলাদেশ একাত্তরেই ফিরবে’: যুক্তরাষ্ট্র থেকে ড. জাফর ইকবাল
পুরস্কার গ্রহণ করলেন ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল
যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে প্রচণ্ড দাবদাহ: স্থগিত ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস
নিউইয়র্কে ১০২ তলা ভবনের চূড়ায় উঠে রুশ যুগলের কাণ্ড
নিউইয়র্কে বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুষ্টিয়া জেলা সমিতির বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত।
তুষারঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রে ৪২ জনের প্রাণহানি : ঠান্ডায় নিউইয়র্কে ১০ জনের মৃত্যু
গত শনিবার থেকে সোমবার- এই তিন দিনে স্মরণকালের ভয়াবহ তুষারঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি অঙ্গরাজ্যে অন্তত ৪২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। চলমান তীব্র শীতের মধ্যেই মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারী) দেশটির আরও ১৫টি অঙ্গরাজ্যে নতুন করে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। নতুন সতর্কতা অনুযায়ী জাতীয় আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে যে, আগামী শনিবার ও রোববার আরও একটি শক্তিশালী শৈত্যপ্রবাহ আঘাত হানতে পারে ফ্লোরিডা, জর্জিয়া, আলাবামা, টেক্সাস, ভার্জিনিয়া, নর্থ ও সাউথ ক্যারোলিনা, ইন্ডিয়ানা, কেন্টাকি, ওহাইও, পেনসিলভেনিয়া, লুইজিয়ানা, মিসিসিপি, নিউ মেক্সিকো, ম্যারিল্যান্ড ও আলাস্কা অঙ্গরাজ্যে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী নিউইয়র্ক, কানেকটিকাট, ম্যাসাচুসেটস, রোড আইল্যান্ড, নিউ হ্যাম্পশায়ার, মেইন ও মিসিসিপির বিস্তীর্ণ অঞ্চলে হিমাঙ্কের অনেক নিচ দিয়ে হিমেল বাতাস প্রবাহিত
হচ্ছে। ফলে গত চার দিন ধরে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এদিকে তুষারে আটকে থাকা যানবাহন উদ্ধারের সময় সোমবার অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়ে বিভিন্ন স্টেট প্রশাসন। নিহতদের প্রায় সবাই ৫৬ বছরের ঊর্ধ্বে। অপরদিকে সিটি কর্মকর্তারা মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারী) জানিয়েছেন, সপ্তাহান্তে হিমাঙ্কের নিচের তাপমাত্রা এবং তীব্র তুষারঝড় নিউইয়র্ক সিটিকে গ্রাস করার পর অন্তত ১০ জন নিউইয়র্কবাসীকে বাইরে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে মেয়র জোহরান মামদানি বলেন, ঠান্ডা প্রাণঘাতী, হলেও আমাদেরকেই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। তিনি আরও বলেন, সম্ভাব্য প্রাণঘাতী আবহাওয়ার সময় নিউইয়র্কবাসীদের বাড়ির ভেতরে নিয়ে আসা নিশ্চিত করতে আমরা আমাদের হাতে থাকা প্রতিটি সম্পদকে কাজে
লাগাচ্ছি। তিনি শহরের আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আরও বেশি গৃহহীন মানুষকে দ্রুত ভর্তি করতে নিয়মকানুন শিথিল এবং হাসপাতালগুলোকে রাতারাতি রোগী ছাড়ার পরিমাণ সীমিত করতে অনুরোধ করেছেন। সিটি প্রশাসনের সমালোচনা করছেন নগরবাসীর এদিকে প্রচন্ড ঠান্ডায় নিউইয়র্ক সিটিতে ১০ জনের মৃত্যুর ঘটনার পাশাপাশি তুষারপাতের পর সিটির রাস্তাঘাট পর্যাপ্ত পরিষ্কার না করায় সিটি প্রশাসনের সমালোচনা করছেন নগরবাসী। বিশেষ করে নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানীর যথাযথ উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনা না করার জন্য মেয়রকেই দায়ী করছেন নগরবাসী। বিক্ষুব্ধরা বলছেন মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নিতে না নিতেই ভয়াবহ তুষারপাতের আগাম খবরের পর মেয়র মামদানী যথাযথ উদ্যোগ না নেয়ায় তিনি ব্যর্থতার পরিচয় দিলেন। নগরবাসীর অভিযোগ তুষারপাত শুরু ও পরবর্তী সময়ে যথাযথভাবে সিটির রাস্তাঘাটে লবন ছিটানো
হয়নি এবং অনেক রাস্তা থেকে বরফ সরানো হয়নি। ফলে লোক চলাচল চরমভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
হচ্ছে। ফলে গত চার দিন ধরে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এদিকে তুষারে আটকে থাকা যানবাহন উদ্ধারের সময় সোমবার অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়ে বিভিন্ন স্টেট প্রশাসন। নিহতদের প্রায় সবাই ৫৬ বছরের ঊর্ধ্বে। অপরদিকে সিটি কর্মকর্তারা মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারী) জানিয়েছেন, সপ্তাহান্তে হিমাঙ্কের নিচের তাপমাত্রা এবং তীব্র তুষারঝড় নিউইয়র্ক সিটিকে গ্রাস করার পর অন্তত ১০ জন নিউইয়র্কবাসীকে বাইরে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে মেয়র জোহরান মামদানি বলেন, ঠান্ডা প্রাণঘাতী, হলেও আমাদেরকেই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। তিনি আরও বলেন, সম্ভাব্য প্রাণঘাতী আবহাওয়ার সময় নিউইয়র্কবাসীদের বাড়ির ভেতরে নিয়ে আসা নিশ্চিত করতে আমরা আমাদের হাতে থাকা প্রতিটি সম্পদকে কাজে
লাগাচ্ছি। তিনি শহরের আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আরও বেশি গৃহহীন মানুষকে দ্রুত ভর্তি করতে নিয়মকানুন শিথিল এবং হাসপাতালগুলোকে রাতারাতি রোগী ছাড়ার পরিমাণ সীমিত করতে অনুরোধ করেছেন। সিটি প্রশাসনের সমালোচনা করছেন নগরবাসীর এদিকে প্রচন্ড ঠান্ডায় নিউইয়র্ক সিটিতে ১০ জনের মৃত্যুর ঘটনার পাশাপাশি তুষারপাতের পর সিটির রাস্তাঘাট পর্যাপ্ত পরিষ্কার না করায় সিটি প্রশাসনের সমালোচনা করছেন নগরবাসী। বিশেষ করে নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানীর যথাযথ উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনা না করার জন্য মেয়রকেই দায়ী করছেন নগরবাসী। বিক্ষুব্ধরা বলছেন মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নিতে না নিতেই ভয়াবহ তুষারপাতের আগাম খবরের পর মেয়র মামদানী যথাযথ উদ্যোগ না নেয়ায় তিনি ব্যর্থতার পরিচয় দিলেন। নগরবাসীর অভিযোগ তুষারপাত শুরু ও পরবর্তী সময়ে যথাযথভাবে সিটির রাস্তাঘাটে লবন ছিটানো
হয়নি এবং অনেক রাস্তা থেকে বরফ সরানো হয়নি। ফলে লোক চলাচল চরমভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।



