ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
স্বর্ণবাজারে ১৩ বছরের সবচেয়ে বড় ধস!
জুলাইয়ে অপরিবর্তিত থাকবে জ্বালানির দাম
বুধবার বন্ধ থাকবে ব্যাংক
২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বর্ণের দামে ফের বড় পতন
ব্যাংক নোট কেন বাতিল করা হয়?
সংকটে বিপর্যস্ত সাভারের চামড়া শিল্পনগরী: পচছে চামড়া, রপ্তানিতে অনিশ্চয়তা, উৎপাদন নেমেছে অর্ধেকে
ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে বড় ধাক্কা: এক বছরেই ১৪৫ কোটি ইউরোর বাজার হারাল বাংলাদেশ
তিন স্তরে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি: খুচরা প্রতি ইউনিট ১.৫২ টাকা বেড়ে ১০.৬৩ টাকা
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর এবার পাইকারি, সঞ্চালন ও খুচরা — তিনটি স্তরেই বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন মূল্যহারে সাধারণ গ্রাহকের খরচ বাড়ছে ১৬.৭ শতাংশ।
আজ ৩রা জুন, বুধবার রাজধানীর রমনায় কমিশন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ নতুন এই মূল্যহার ঘোষণা করেন এবং জানান, নতুন দাম জুন মাসের বিল থেকেই কার্যকর হবে।
পাইকারি পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধি
পাইকারি বিদ্যুতের ভারিত গড় মূল্য ইউনিটপ্রতি ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩১ পয়সা বাড়িয়ে ৮ টাকা ৩১ পয়সা করা হয়েছে। এতে পাইকারি পর্যায়ে দাম বেড়েছে ১৮.৭১ শতাংশ।
উল্লেখ্য, সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাইকারি বিদ্যুতের মূল্যহার পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছিল। তখন গড় পাইকারি মূল্য
ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল। সঞ্চালন পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধি সঞ্চালন মূল্যহার বা হুইলিং চার্জ ইউনিটপ্রতি ৩১.৩৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৩৮.৮৬ পয়সা করা হয়েছে। এতে সঞ্চালন চার্জ বেড়েছে ২৩.৯৫ শতাংশ, যা তিনটি স্তরের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি। খুচরা পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধি খুচরা পর্যায়ে বিভিন্ন গ্রাহকশ্রেণির বিদ্যুতের ভারিত গড় মূল্য ইউনিটপ্রতি ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ১৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধি। নতুন খুচরা মূল্যহার অনুযায়ী আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে স্তরভিত্তিক দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এভাবে: লাইফলাইন বা ০ থেকে ৫০ ইউনিটে ৫ টাকা ৩২ পয়সা; প্রথম ধাপে ০ থেকে ৭৫ ইউনিটে ৬ টাকা
১৮ পয়সা; দ্বিতীয় ধাপে ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিটে ৮ টাকা ৫০ পয়সা; তৃতীয় ধাপে ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিটে ৯ টাকা ১০ পয়সা; চতুর্থ ধাপে ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিটে ৯ টাকা ৬২ পয়সা; পঞ্চম ধাপে ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিটে ১৫ টাকা ১ পয়সা এবং ষষ্ঠ ধাপে ৬০০ ইউনিটের বেশি ব্যবহারে ১৭ টাকা ৩৫ পয়সা। সেচ ও কৃষিকাজে ব্যবহৃত পাম্পের জন্য নিম্নচাপে ইউনিটপ্রতি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ টাকা ৪ পয়সা। বাণিজ্যিক ও অফিস গ্রাহকদের নিম্নচাপে ফ্ল্যাট রেট ইউনিটপ্রতি ১৫ টাকা ৩৬ পয়সা, অফ পিকে ১৩ টাকা ৮২ পয়সা এবং পিকে ১৮ টাকা ৪৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্রাহকশ্রেণিভিত্তিক বিদ্যমান ডিমান্ড চার্জ অপরিবর্তিত থাকছে। মূল্যবৃদ্ধির
কারণ ও পটভূমি কমিশন জানিয়েছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন, ক্রয় ও আমদানি ব্যয়; সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যয়; পাইকারি পর্যায়ে পিডিবিকে সরকারের ভর্তুকি এবং সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে দাম বাড়ানোর পরও পিডিবির অবশিষ্ট ঘাটতি মেটাতে বছরে সরকারকে প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে বলে জানিয়েছে বিইআরসি। ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি খাতে চাপ তৈরি হওয়ায় সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়। এক পর্যায়ে গত ১৮ই এপ্রিল চার ধরনের তেলের দাম বাড়ায় সরকার। মে মাসে আর না বাড়ালেও জুনে ডিজেল বাদে বাকি তিন ধরনের তেলের দাম আবার বাড়ানো হয়। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর বিষয়টিও আলোচনায় আসে এবং অবশেষে বুধবার
তা কার্যকর হলো। প্রস্তাব থেকে শুনানি পিডিবি গত ৩রা মে পাইকারি বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয় এবং পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি ৫ই মে সঞ্চালন মূল্যহার বাড়ানোর আবেদন করে। খুচরা পর্যায়ে মূল্যহার পরিবর্তনের জন্য পিডিবি ও নেসকো ৩রা মে, ডেসকো ৪ঠা মে, ওজোপাডিকো ৫ই মে এবং পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ও ডিপিডিসি ৬ই মে কমিশনে প্রস্তাব জমা দেয়। এসব প্রস্তাবের ওপর ২০ ও ২১শে মে গণশুনানি করে বিইআরসি। গণশুনানিতে পিডিবি জানিয়েছিল, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিদ্যুৎ সরবরাহের গড় ব্যয় ইউনিটপ্রতি ১২ টাকা ৯১ পয়সা হতে পারে এবং দাম সমন্বয় না হলে ঘাটতি আরও বাড়বে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম বাড়লে বিতরণ কোম্পানিগুলোর ক্রয় ব্যয়ও বাড়ে, যার প্রভাব পড়ে খুচরা পর্যায়েও
— এই যুক্তিতেই তিন স্তরে একসঙ্গে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন।
ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল। সঞ্চালন পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধি সঞ্চালন মূল্যহার বা হুইলিং চার্জ ইউনিটপ্রতি ৩১.৩৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৩৮.৮৬ পয়সা করা হয়েছে। এতে সঞ্চালন চার্জ বেড়েছে ২৩.৯৫ শতাংশ, যা তিনটি স্তরের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি। খুচরা পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধি খুচরা পর্যায়ে বিভিন্ন গ্রাহকশ্রেণির বিদ্যুতের ভারিত গড় মূল্য ইউনিটপ্রতি ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ১৬.৭ শতাংশ বৃদ্ধি। নতুন খুচরা মূল্যহার অনুযায়ী আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে স্তরভিত্তিক দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এভাবে: লাইফলাইন বা ০ থেকে ৫০ ইউনিটে ৫ টাকা ৩২ পয়সা; প্রথম ধাপে ০ থেকে ৭৫ ইউনিটে ৬ টাকা
১৮ পয়সা; দ্বিতীয় ধাপে ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিটে ৮ টাকা ৫০ পয়সা; তৃতীয় ধাপে ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিটে ৯ টাকা ১০ পয়সা; চতুর্থ ধাপে ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিটে ৯ টাকা ৬২ পয়সা; পঞ্চম ধাপে ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিটে ১৫ টাকা ১ পয়সা এবং ষষ্ঠ ধাপে ৬০০ ইউনিটের বেশি ব্যবহারে ১৭ টাকা ৩৫ পয়সা। সেচ ও কৃষিকাজে ব্যবহৃত পাম্পের জন্য নিম্নচাপে ইউনিটপ্রতি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ টাকা ৪ পয়সা। বাণিজ্যিক ও অফিস গ্রাহকদের নিম্নচাপে ফ্ল্যাট রেট ইউনিটপ্রতি ১৫ টাকা ৩৬ পয়সা, অফ পিকে ১৩ টাকা ৮২ পয়সা এবং পিকে ১৮ টাকা ৪৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্রাহকশ্রেণিভিত্তিক বিদ্যমান ডিমান্ড চার্জ অপরিবর্তিত থাকছে। মূল্যবৃদ্ধির
কারণ ও পটভূমি কমিশন জানিয়েছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন, ক্রয় ও আমদানি ব্যয়; সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যয়; পাইকারি পর্যায়ে পিডিবিকে সরকারের ভর্তুকি এবং সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে দাম বাড়ানোর পরও পিডিবির অবশিষ্ট ঘাটতি মেটাতে বছরে সরকারকে প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে বলে জানিয়েছে বিইআরসি। ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি খাতে চাপ তৈরি হওয়ায় সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়। এক পর্যায়ে গত ১৮ই এপ্রিল চার ধরনের তেলের দাম বাড়ায় সরকার। মে মাসে আর না বাড়ালেও জুনে ডিজেল বাদে বাকি তিন ধরনের তেলের দাম আবার বাড়ানো হয়। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর বিষয়টিও আলোচনায় আসে এবং অবশেষে বুধবার
তা কার্যকর হলো। প্রস্তাব থেকে শুনানি পিডিবি গত ৩রা মে পাইকারি বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয় এবং পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি ৫ই মে সঞ্চালন মূল্যহার বাড়ানোর আবেদন করে। খুচরা পর্যায়ে মূল্যহার পরিবর্তনের জন্য পিডিবি ও নেসকো ৩রা মে, ডেসকো ৪ঠা মে, ওজোপাডিকো ৫ই মে এবং পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ও ডিপিডিসি ৬ই মে কমিশনে প্রস্তাব জমা দেয়। এসব প্রস্তাবের ওপর ২০ ও ২১শে মে গণশুনানি করে বিইআরসি। গণশুনানিতে পিডিবি জানিয়েছিল, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিদ্যুৎ সরবরাহের গড় ব্যয় ইউনিটপ্রতি ১২ টাকা ৯১ পয়সা হতে পারে এবং দাম সমন্বয় না হলে ঘাটতি আরও বাড়বে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম বাড়লে বিতরণ কোম্পানিগুলোর ক্রয় ব্যয়ও বাড়ে, যার প্রভাব পড়ে খুচরা পর্যায়েও
— এই যুক্তিতেই তিন স্তরে একসঙ্গে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন।



