ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশজুড়ে চলছে ‘জামায়াতি মুক্তকরণ’: তারেক সরকারের পদক্ষেপে ইউনূসতন্ত্রের জামায়াতিকরণের অবসান?
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ, শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ
বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দেশে শুরু হয় ধর্ষণের মহোৎসব
মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?
ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা
বিএনপির বাংলাদেশ: রাতে গুলি, সকালে তদন্ত, বিকেলে ভুলে যাওয়া
একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক
তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে যা জানালেন মালেক
বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও লন্ডন বিএনপির সভাপতি এমএ মালেক বলেছেন, আমার নেতা তারেক রহমান সব আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে অচিরেই বাংলাদেশে আগমন করবেন।
তিনি বলেন, ‘১৭ বছর পর দেশের মাটিতে পা রাখলাম। আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি। প্রবাসে বসে মা-ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। তাদের লাশ দেশে আনতে পারিনি। আমার সিলেট সুরমা উপজেলার বাড়ি থেকে টয়লেটের কমোড পর্যন্ত তারা নিয়ে গেছে। আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। তবুও আমাকে দমাতে পারেনি। আপনারা জানেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের প্রধানমন্ত্রী আমাকে লন্ডনে চায়ের দাওয়াত দিয়েছিল, আমি প্রত্যাখ্যান করেছি। ’
মালেক বলেন, ‘খুনি হাসিনা আমার নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বছরের পর বছর কারাগারে রেখেছে। আমার নেতা তারেক রহমানকে প্রবাসে থাকতে বাধ্য করেছে। তার
সঙ্গে কিসের চায়ের নিমন্ত্রণ। গত ১৭ বছর এম ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম, সুমনসহ প্রায় ৬ শতাধিক বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে গুম করেছে। স্বাধীন বাংলাদেশের দুই মাসের অধিক সময় পার হলে গেল এখনো কেউ ফিরে আসেনি কেন?’ সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভার শুরুতে বিএনপি নেতাকর্মীরা করতালির দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. ইউনূসকে ধন্যবাদ জানিয়ে এমএ মালেক বলেন, তিনি (ড. ইউনূস) সারা পৃথিবীতে অত্যন্ত সম্মানিত একজন ব্যক্তি। তার হাতে দেশ ও জাতি নিরাপদ। তিনি অতি দ্রুত সংস্কার শেষ করে দেশে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। তিনি বলেন, আমি সত্যিই
অভিভূত যখন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাখ লাখ মানুষ আমাকে স্বাগত জানাতে গিয়েছে। আমার সঙ্গে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের খবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়েছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমার বাড়িতে যখন আগুন লাগিয়েছে তখন আমার কেয়ারটেকার সেই ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেছে, সেই বিচার আজও হয়নি। আজও সাংবাদিক দম্পত্তি সাগর-রুনি হত্যার বিচার হয়নি। বাংলাদেশের জুলাই অভ্যুত্থানে যাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা এদেশের মাটিতে পা রাখতে পেরেছি তাদেরকে হৃদয় দিয়ে দোয়া করছি, আল্লাহ যেন তাদেরকে জান্নাত দান করেন। মালেক আরও বলেন, যারা পঙ্গু রয়েছে তাদের পাশে দাঁড়ান, নির্বাচনের সময় কোটি কোটি টাকা খরচ করেন অথচ যাদের জন্য নতুন বাংলাদেশ পেলেন তারা পঙ্গুত্ববরণ করে মানবেতর
জীবন-যাপন করছে তাদেরকে দেখবেন না, নতুন নির্বাচনে এমপি-মন্ত্রী হবেন এটি জাতি কখনো মেনে নেবে না। তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি করেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- গুম হওয়া এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মীনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য রুশদীর লুনা, বিএনপির সহসম্পাদক নিলুফার চৌধুরী মনি, বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য রফিক শিকদার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক কমিশনার নবীউল্লা নবী, জাতীয় মানবাধিকার সমিতি চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, কাজী খায়রুজামান শিপন, শিক্ষাবিদ ড. ফারদিন ইসলাম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা নিজাম উদ্দিন দরবেশ প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাপ্তাহিক জয়যাত্রা পত্রিকার প্রধান সম্পাদক
জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু ও এমএ মালেক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন কমিটির এম জাকারিয়া মাহমুদ।
সঙ্গে কিসের চায়ের নিমন্ত্রণ। গত ১৭ বছর এম ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম, সুমনসহ প্রায় ৬ শতাধিক বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে গুম করেছে। স্বাধীন বাংলাদেশের দুই মাসের অধিক সময় পার হলে গেল এখনো কেউ ফিরে আসেনি কেন?’ সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভার শুরুতে বিএনপি নেতাকর্মীরা করতালির দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. ইউনূসকে ধন্যবাদ জানিয়ে এমএ মালেক বলেন, তিনি (ড. ইউনূস) সারা পৃথিবীতে অত্যন্ত সম্মানিত একজন ব্যক্তি। তার হাতে দেশ ও জাতি নিরাপদ। তিনি অতি দ্রুত সংস্কার শেষ করে দেশে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। তিনি বলেন, আমি সত্যিই
অভিভূত যখন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাখ লাখ মানুষ আমাকে স্বাগত জানাতে গিয়েছে। আমার সঙ্গে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের খবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়েছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমার বাড়িতে যখন আগুন লাগিয়েছে তখন আমার কেয়ারটেকার সেই ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেছে, সেই বিচার আজও হয়নি। আজও সাংবাদিক দম্পত্তি সাগর-রুনি হত্যার বিচার হয়নি। বাংলাদেশের জুলাই অভ্যুত্থানে যাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা এদেশের মাটিতে পা রাখতে পেরেছি তাদেরকে হৃদয় দিয়ে দোয়া করছি, আল্লাহ যেন তাদেরকে জান্নাত দান করেন। মালেক আরও বলেন, যারা পঙ্গু রয়েছে তাদের পাশে দাঁড়ান, নির্বাচনের সময় কোটি কোটি টাকা খরচ করেন অথচ যাদের জন্য নতুন বাংলাদেশ পেলেন তারা পঙ্গুত্ববরণ করে মানবেতর
জীবন-যাপন করছে তাদেরকে দেখবেন না, নতুন নির্বাচনে এমপি-মন্ত্রী হবেন এটি জাতি কখনো মেনে নেবে না। তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি করেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- গুম হওয়া এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মীনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য রুশদীর লুনা, বিএনপির সহসম্পাদক নিলুফার চৌধুরী মনি, বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য রফিক শিকদার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক কমিশনার নবীউল্লা নবী, জাতীয় মানবাধিকার সমিতি চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, কাজী খায়রুজামান শিপন, শিক্ষাবিদ ড. ফারদিন ইসলাম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা নিজাম উদ্দিন দরবেশ প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাপ্তাহিক জয়যাত্রা পত্রিকার প্রধান সম্পাদক
জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু ও এমএ মালেক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন কমিটির এম জাকারিয়া মাহমুদ।



