ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বছরে ৫ হাজার কোটি টাকার গ্যাস চুরি
বিশ্বের সবচেয়ে কম বাসযোগ্য শহর ঢাকা
সাবেক প্রধান বিচারপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি পেছাল
৫৫ লাখ গ্রাহক ২৬৪ কোটি টাকার ফাঁদে: প্রিপেইড মিটার ভাড়া নিয়ে বিএনপির প্রচারণা ছিলো গুজব
রোহিঙ্গাদের হাতে ৮ হাজার একর বনভূমি উজাড়ের ফল: পাহাড় ধসে ৩ ঘণ্টায় ঝরল ৯টি প্রাণ
অ্যাটর্নি জেনারেলকে সহকারীর থাপ্পড়, সুপ্রিম কোর্টে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দ্বন্দ্ব চরমে
একই গ্রাহকের একই ব্যবহারে প্রি-পেইড মিটারে জুনে বিদ্যুৎ বিল দ্বিগুণ-তিন গুণ!
জামিন পেলেও মুক্তি পাবেন না আওয়ামী লীগের নেতারা: ‘শ্যোন-অ্যারেস্ট’ দেখাতে রাজশাহী রেঞ্জ পুলিশের কড়া নির্দেশ
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর সক্রিয় নেতাদের কারামুক্তি ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে পুলিশ। এসব দলের যেসব প্রভাবশালী নেতা ও কর্মী জামিনে মুক্তি পেয়ে দলকে পুনরায় সংগঠিত করার বা মাঠ পর্যায়ে তৎপরতা চালানোর সক্ষমতা রাখেন, তাদের জামিন মঞ্জুর হলেও কারামুক্তি ঠেকাতে অন্য মামলায় ‘শ্যোন-অ্যারেস্ট’ (গ্রেফতার) দেখানোর নির্দেশ দিয়েছে পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জ।
গতকাল মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাজশাহী রেঞ্জের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) মোহাম্মদ শাহজাহান স্বাক্ষরিত এক বিশেষ নির্দেশনায় বিভাগের আটটি জেলার পুলিশ সুপারদের (ডিএসবি) এই আদেশ দেওয়া হয়।
চিঠিতে সরাসরি আওয়ামী লীগের নাম উল্লেখ না করে তাদের ‘ফ্যাসিস্ট’ সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। স্মারক নম্বর ১৯১৭ (৮) সম্বলিত ওই চিঠির প্রথম
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, "কার্যক্রম নিষিদ্ধ/স্থগিত ফ্যাসিস্ট সংগঠন/সংগঠনসমূহের যেসকল নেতৃবৃন্দ এবং কর্মী জামিনে মুক্তির পর দলকে শক্তিশালী, সংগঠিতকরণ এবং মাঠ পর্যায়ে তৎপরতা প্রদর্শন করতে সক্ষম তাদের জামিন হওয়ার পর অন্য মামলায় গ্রেফতার দেখাতে (শ্যোন-অ্যারেস্ট) হবে।" সংশ্লিষ্টদের মতে, সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপটে ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ বা স্থগিত ফ্যাসিস্ট সংগঠন’ বলতে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার এবং নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগকে বোঝানো হয়েছে। দলটির প্রভাবশালী নেতারা যাতে কারাগার থেকে বেরিয়ে নতুন করে কোনো আন্দোলন বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারেন, সে জন্যই পুলিশের এই আগাম কৌশল। সাধারণ কর্মীদের জন্য ছাড় তবে আওয়ামী লীগ বা এর সহযোগী সংগঠনগুলোর সাধারণ বা নিষ্ক্রিয় কর্মীদের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দেওয়ার কথা বলা হয়েছে চিঠিতে। সেখানে উল্লেখ করা
হয়, "যাঁরা বর্ণিত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী নয়, তাদের জামিন হলে গ্রেফতার (শ্যোন-অ্যারেস্ট) দেখানোর প্রয়োজন আপাতত নেই।" অর্থাৎ, দল গোছানোর সক্ষমতা নেই এমন সাধারণ কর্মীরা জামিন পেলে তাদের কারামুক্তিতে আপাতত বাধা দেবে না পুলিশ। ‘শ্যোন-অ্যারেস্ট’ কৌশল কেন? আইনি পরিভাষায় ‘শ্যোন-অ্যারেস্ট’ (Shown-Arrest) হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি একটি মামলায় আদালত থেকে জামিন পেলেও, পুলিশ তাকে অন্য কোনো বিচারাধীন বা নতুন মামলায় পুনরায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে আটকে রাখতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, পুলিশের এই লিখিত আদেশের ফলে আওয়ামী লীগের প্রথম সারির ও মাঠ পর্যায়ের সংগঠক নেতাদের আইনি প্রক্রিয়ায় কারামুক্ত হওয়ার পথ কার্যত বন্ধ হয়ে গেল। চিঠির দ্বিতীয় নির্দেশনায় ভিআইপি বা অন্য কোনো ক্ষেত্রে প্রটোকল ও
প্রটেকশন প্রদানের বিষয়েও প্রচলিত আইন ও বিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান চিঠির শেষাংশে উল্লেখ করেছেন, বিষয়টি অত্যন্ত ‘গুরুত্বপূর্ণ ও অনুসরণীয়’। এর আগে এ বিষয়ে পুলিশের অভ্যন্তরীণ গ্রুপ মেসেজের মাধ্যমেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছিল। নির্দেশনাটি রাজশাহী বিভাগের আটটি জেলা—রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া এবং জয়পুরহাটের পুলিশ সুপারদের (ডিএসবি) কাছে বাস্তবায়নের জন্য পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত এই আদেশ বহাল থাকবে বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, "কার্যক্রম নিষিদ্ধ/স্থগিত ফ্যাসিস্ট সংগঠন/সংগঠনসমূহের যেসকল নেতৃবৃন্দ এবং কর্মী জামিনে মুক্তির পর দলকে শক্তিশালী, সংগঠিতকরণ এবং মাঠ পর্যায়ে তৎপরতা প্রদর্শন করতে সক্ষম তাদের জামিন হওয়ার পর অন্য মামলায় গ্রেফতার দেখাতে (শ্যোন-অ্যারেস্ট) হবে।" সংশ্লিষ্টদের মতে, সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপটে ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ বা স্থগিত ফ্যাসিস্ট সংগঠন’ বলতে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার এবং নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগকে বোঝানো হয়েছে। দলটির প্রভাবশালী নেতারা যাতে কারাগার থেকে বেরিয়ে নতুন করে কোনো আন্দোলন বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারেন, সে জন্যই পুলিশের এই আগাম কৌশল। সাধারণ কর্মীদের জন্য ছাড় তবে আওয়ামী লীগ বা এর সহযোগী সংগঠনগুলোর সাধারণ বা নিষ্ক্রিয় কর্মীদের ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দেওয়ার কথা বলা হয়েছে চিঠিতে। সেখানে উল্লেখ করা
হয়, "যাঁরা বর্ণিত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী নয়, তাদের জামিন হলে গ্রেফতার (শ্যোন-অ্যারেস্ট) দেখানোর প্রয়োজন আপাতত নেই।" অর্থাৎ, দল গোছানোর সক্ষমতা নেই এমন সাধারণ কর্মীরা জামিন পেলে তাদের কারামুক্তিতে আপাতত বাধা দেবে না পুলিশ। ‘শ্যোন-অ্যারেস্ট’ কৌশল কেন? আইনি পরিভাষায় ‘শ্যোন-অ্যারেস্ট’ (Shown-Arrest) হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি একটি মামলায় আদালত থেকে জামিন পেলেও, পুলিশ তাকে অন্য কোনো বিচারাধীন বা নতুন মামলায় পুনরায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে আটকে রাখতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, পুলিশের এই লিখিত আদেশের ফলে আওয়ামী লীগের প্রথম সারির ও মাঠ পর্যায়ের সংগঠক নেতাদের আইনি প্রক্রিয়ায় কারামুক্ত হওয়ার পথ কার্যত বন্ধ হয়ে গেল। চিঠির দ্বিতীয় নির্দেশনায় ভিআইপি বা অন্য কোনো ক্ষেত্রে প্রটোকল ও
প্রটেকশন প্রদানের বিষয়েও প্রচলিত আইন ও বিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান চিঠির শেষাংশে উল্লেখ করেছেন, বিষয়টি অত্যন্ত ‘গুরুত্বপূর্ণ ও অনুসরণীয়’। এর আগে এ বিষয়ে পুলিশের অভ্যন্তরীণ গ্রুপ মেসেজের মাধ্যমেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছিল। নির্দেশনাটি রাজশাহী বিভাগের আটটি জেলা—রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া এবং জয়পুরহাটের পুলিশ সুপারদের (ডিএসবি) কাছে বাস্তবায়নের জন্য পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত এই আদেশ বহাল থাকবে বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে।



